Berger Paint

ঢাকা, শনিবার   ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩,   মাঘ ২২ ১৪২৯

ব্রেকিং:
চট্টগ্রাম, গাজীপুর, কক্সবাজার, নারায়ানগঞ্জ, পাবনা, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ ব্যুরো / জেলা প্রতিনিধি`র জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদন পাঠানোর আহ্বান করা হচ্ছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা- স্নাতক, অভিজ্ঞদের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল যোগ্য। দৈনিক প্রতিদিনের চিত্র পত্রিকার `প্রিন্ট এবং অনলাইন পোর্টাল`-এ প্রতিনিধি নিয়োগ পেতে অথবা `যেকোন বিষয়ে` আর্থিক লেনদেন না করার জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের এবং প্রতিনিধিদের অনুরোধ করা হল।
সর্বশেষ:
সৌদি আরবে এক বছরে ১৪৭ জনের মৃত্যুদণ্ড আ.লীগ জনগণকে দেওয়া ওয়াদা পূরণ করে : প্রধানমন্ত্রী বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজের খরচ বাড়ল দেড় লাখ মিয়ানমারে জরুরি অবস্থা আরও ছয় মাস বাড়ল আমি বাংলাদেশে বাবার কাছে থাকতে চাই: লায়লা রিনা

আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী বাঁশ-বেতের তৈরী জিনিষপত্র!

আমির হামজা

প্রকাশিত: ১০ জানুয়ারি ২০২৩  

ছবি- প্রতিদিনেরচিত্র বিডি।

ছবি- প্রতিদিনেরচিত্র বিডি।


কসময়ে আমাদের প্রায় গ্রামীণ হাটবাজারে দেখা যেতো বাঁশ-বেতের তৈরী জিনিষপত্র। আধুনিকতার ছোঁয়ায় দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে একসময়ে ব্যবহারে তৈরি এসব জিনিসপত্র। বর্তমানে এখন দেখা যায় না আগের মত বাঁশ বেতের তৈরি জিনিষপত্র। যেসব গ্রামীণ নারী যুগে যুগে এই শিল্পকে ঠিকে রেখেছিল তারা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে একাজ থেকে। সমাজ, সংসারে যেসব বাঁশ বেতের জিনিষপত্র আগে ব্যবহার হয়ে আসছিল, এখন বিকল্প হিসাবে ব্যবহার হচ্ছে প্লাষ্টিকের জিনিষ।

 

এলাকার প্রবীণ যারা তারা বলেছেন এক সময় রাউজানের মত গ্রামীণ জনপদে বাঁশ বেতের সহজলভ্যতা ছিল। প্রতিটি গ্রামে ছিল বাঁশ ঝাড়, বেত ঝাড়। এখন আর এসব দেখা যায় না। স্থানীয় লোকজনের মতে আগে গ্রামীণ নারীরা ব্যস্ততম সময় পারকরত ঢালা,কুলা, ধাইজ্যা, লাই খারাং তৈরীতে। তাদের হাতে উৎপাদিত পন্য বিক্রি করে তারা স্বাছন্দে সংসার চালাতেন। রাউজান উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ছিল এধরণের এই কুঠির শিল্প। যুগের পরিবর্তনের হাওয়ায় গ্রাম থেকে ঝোপঝাড় চলে গেছে। বিলুপ্ত প্রায় বাঁশ,বেত নামের উদ্ভিদ।

 

এই ব্যবসায় জড়িতরা বলেছেন এখন যেসব বাঁশ বেতের তৈরী জিনিষ পাওয়া যায় সেগুলো মূলত আসে পার্ব্বত্য জেলার কাছাকাছি কিছু উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে। ওসব এলাকার মানুষ এখনো অভাবগ্রস্ত থাকায় নারীরা বাড়তি আয়ের আশায় এই শিল্পকে ঠিকিয়ে রেখেছে। তবে একাজে জড়িত নারীরা দাদন নিয়ে একাজ করায় তারা উপযুক্ত মুজুরী পায় না। কারণ ব্যবসায়ীরা তাদের আগাম ঋন দিয়ে চুক্তিবদ্ধ হয়। রাউজানের বিভিন্ন হাটবাজার ঘুরে দেখা গেছে যেসব দোকানে বাঁশ বেতের তৈরী জিনিষপত্র পাওয়া যেত, এখন কিছু জিনিষপত্র পাওয়া গেলেও দাম আকাশ ছোঁয়া।

 

ব্যবসায়ীরা বলেছেন বাঁশ বেতের তৈরী জিনিষের উচ্চমূল্যে এখন মানুষ বিকল্প হিসাবে নিয়েছে প্লাষ্টিকের জিনিষ। এই সুযোগ কাজে লাগাচ্ছে কিছু কিছু শিল্প প্রতিষ্ঠান। পরিবেশ সচেতন মহলের মতে এখন যেভাবে ঘরে ঘরে প্লাষ্টিক জিনিষপত্রে ব্যবহার বাড়ছে, এই অবস্থার মধ্যে মানুষের মধ্যে রোগবলাইয়ের ঝুঁকি বাড়বে। দুষণের শিকার হবে পরিবেশ।

 

লেখক, আমির হামজা, শিক্ষার্থী ও সংবাদকর্মী।