ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২৬ মে ২০২২,   জ্যৈষ্ঠ ১২ ১৪২৯

ব্রেকিং:
চট্টগ্রাম, গাজীপুর, কক্সবাজার, নারায়ানগঞ্জ, পাবনা, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ ব্যুরো / জেলা প্রতিনিধি`র জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদন পাঠানোর আহ্বান করা হচ্ছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা- স্নাতক, অভিজ্ঞদের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল যোগ্য। দৈনিক প্রতিদিনের চিত্র পত্রিকার `প্রিন্ট এবং অনলাইন পোর্টাল`-এ প্রতিনিধি নিয়োগ পেতে অথবা `যেকোন বিষয়ে` আর্থিক লেনদেন না করার জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের এবং প্রতিনিধিদের অনুরোধ করা হল।
সর্বশেষ:
ডাক্তারদের ফাঁকিবাজি রুখতে হাজিরা খাতায় দিনে তিনবার সই করার নির্দেশ! ১০০০ জনবল নিয়োগ দেবে ওয়ালটন ঢাকায় আসছে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি সরকারকে ৬ দিনের আল্টিমেটাম ইমরান খানের ফাইনালের পথে বেঙ্গালুরু, লখনৌর বিদায় সেনেগালে হাসপাতালে আগুন; ১১ নবজাতকের মৃত্যু বিশ্বব্যাপী মাঙ্কিপক্স আক্রান্ত ২০০ ছাড়িয়েছে ঢাবিতে ফের ছাত্রলীগ-ছাত্রদল সংঘর্ষ

ইসলামিক পরিভাষার সঠিক ব্যবহার

প্রতিদিনের চিত্র বিডি ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৯ এপ্রিল ২০২২  

ছবি- সংগৃহীত।

ছবি- সংগৃহীত।


সলাম ধর্মনুসারীদের প্রাত্যহিক বিভিন্ন পরিভাষার ব্যবহার অত্যবশ্যক হয়ে পরে যা সঠিকভাবে করা উচিত। দৈনন্দিন মানুষের সৌজন্যতাবোধ জ্ঞাপন একজন সুস্থ মানুষের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। অনেক ক্ষেত্রে কাউকে তার উপকারের স্বীকৃতি হিসেবে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করতে হয়। সেহিসেবে মুসলমানদের ইসলামিক পরিভাষা ব্যবহারের মাধ্যমে সে সৌজন্যতা সুন্দর এবং স্বাবলীলভাবে প্রকাশ অত্যবশ্যক আর সেরকম ইসলামী পরিভাষা নিয়ে আপনাদের জন্য এই আয়োজন।

 

বিসমিল্লাহ: প্রতিটি কল্যাণকর কাজ শুরুর পূর্বে বিসমিল্লাহ পাঠ করতে হয়। খারাপ কাজ ইসলামে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। অতএব, কোন খারাপ বা নীতির বিরুদ্ধ কাজে বিসমিল্লাহ বলার দরকার নেই, এটি একরকম নিষিদ্ধ।

 

আলহামদুলিল্লাহ: যেকোনো ভাল, আনন্দ ও সুখবরে এই শব্দ বলা হয়ে থাকে। আলহামদুলিল্লাহ শব্দের অর্থ সমস্ত প্রশংসা মহান আল্লাহর জন্য। পছন্দনীয় কিছু শুনলে বা দেখলে বলতে হয়-‘আলহামদু লিল্লাহিল্লাজি বিনিয়মাতিহি তাতিম্মুস সালিহাত।’ অর্থ : সমস্ত প্রশংসা ওই আল্লাহর, যার করুণায় উত্তম কাজ সম্পন্ন হয়।

আর অপছন্দনীয় কিছু দেখলে অথবা অন্যয্য দেখলে বলতে হয়— ‘আলহামদুলিল্লাহি আলা কুল্লি হাল।’  অর্থ : যেকোনো অবস্থায় সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য। (সূত্র : তিরমিজি ও ইবনে মাজাহ)

 

ইনশাআল্লাহ: ভবিষ্যতে ঘটবে, হবে বা করবো- এজাতীয় বিষয়ে ইনশাআল্লাহ বলা সুন্নত। যেমন- আগামীকাল আমি পরীক্ষা দিতে যাব ইনশাআল্লাহ। ইনশাআল্লাহ শব্দের অর্থ- মহান আল্লাহ যদি চান, তাহলে- এই কাজ আমি করব।

 

মা-শাআল্লাহ: মা-শাআল্লাহ শব্দের অর্থ- আল্লাহ যেমনটি চেয়েছেন। আলহামদুলিল্লাহ শব্দের মতোই এটির ব্যবহার। তবে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি পাওয়া এই জাতীয় অথবা আশ্চর্যজনক কোনো কিছু দেখার বিপরীতে এই শব্দ বলা যায়। অর্থাৎ যেকোনো সুন্দর ও ভালো ব্যাপারে এটি বলা হয়। যেমন- মাশাআল্লাহ, তোমার হাতের লেখা তো অনেক ভালো।

 

সুবহানাল্লাহ: সুবহানাল্লাহ শব্দের অর্থ- আল্লাহ পবিত্র ও সু-মহান। আশ্চর্যজনক ভালো কোনো কাজ হতে দেখলে সাধারণত এটি বলা হয়ে থাকে। যেমন- সুবহানাল্লাহ! বিমানটি যেভাবে দুর্ঘটনার কবলে পরেছিল তবুও যাত্রীরা পুরোপুরি অক্ষত রয়েছেন।

 

নাউজুবিল্লাহ: নাউজুবিল্লাহ শব্দের অর্থ- মহান আল্লাহর কাছে নৈকট্য বা আশ্রয় চাওয়া। যেকোনো খারাপ বা গুনাহর কাজ থেকে নিজেকে আত্মরক্ষার্থে এই শব্দ বলা হয়ে থাকে।

 

আসতাগফিরুল্লাহ: আসতাগফিরুল্লাহ শব্দের অর্থ আমি মহান আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই। কোনো গুনাহ বা অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো অন্যায় হয়ে গেলে এটি বলা উচিত।

 

ইন্নালিল্লাহ বা ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন: এ বাক্যের অর্থ হলো, নিশ্চয়ই আমরা মহান আল্লাহর জন্য এবং আমরা তাঁর দিকেই ফিরে যাব। যেকোনো দুঃসংবাদ বা বিপদের সময় ইন্নালিল্লাহ পড়ার কথা হাদিসে রয়েছে। পবিত্র কোরআনেও আল্লাহ তাআলা তা শিক্ষা দিয়েছেন।

 

লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ: বাক্যটির অর্থ হলো, মহান আল্লাহর সাহায্য ও সহায়তা ছাড়া আর কোনো আশ্রয় ও সাহায্য নেই। সাধারণত শয়তানের কোনো প্রতারণা ও আক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য এই দোয়াটি পড়া হয়।

 

হ্যালো নয়, আসসালামু আলাইকুম: কারো সঙ্গে দেখা হলে অথবা সামাজিক মাধ্যমে প্রথম কৌশল বিনিময়ে- প্রথমে ‘আসসালামু আলাইকুম’ বলে অভিবাদন জানান। (আপনার ওপর শান্তি বর্ষিত হোক)।

 

থ্যাংক ইউ নয়, জাজাকাল্লাহ: কাউকে ধন্যবাদ জানাতে জাজাকাল্লাহ বলুন। অথবা আরো বৃদ্ধি করুন- জাজাকাল্লাহু খায়রান। (মহান আল্লাহ আপনাকে সর্বোত্তম প্রতিদান দান করুন)।

 

আল্লাহ হাফেজ ও ফি আমানিল্লাহ: কারো কাছ থেকে বিদায় নেওয়ার সময় ‘টা টা’ না বলে বলুন, আল্লাহ হাফেজ (মহান আল্লাহ সর্বোত্তম হেফাজতকারী) বা ফি আমানিল্লাহ (তোমাকে আল্লাহর নিরাপত্তায় দিয়ে দিলাম)।