Berger Paint

ঢাকা, শনিবার   ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩,   মাঘ ২২ ১৪২৯

ব্রেকিং:
চট্টগ্রাম, গাজীপুর, কক্সবাজার, নারায়ানগঞ্জ, পাবনা, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ ব্যুরো / জেলা প্রতিনিধি`র জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদন পাঠানোর আহ্বান করা হচ্ছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা- স্নাতক, অভিজ্ঞদের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল যোগ্য। দৈনিক প্রতিদিনের চিত্র পত্রিকার `প্রিন্ট এবং অনলাইন পোর্টাল`-এ প্রতিনিধি নিয়োগ পেতে অথবা `যেকোন বিষয়ে` আর্থিক লেনদেন না করার জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের এবং প্রতিনিধিদের অনুরোধ করা হল।
সর্বশেষ:
সৌদি আরবে এক বছরে ১৪৭ জনের মৃত্যুদণ্ড আ.লীগ জনগণকে দেওয়া ওয়াদা পূরণ করে : প্রধানমন্ত্রী বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজের খরচ বাড়ল দেড় লাখ মিয়ানমারে জরুরি অবস্থা আরও ছয় মাস বাড়ল আমি বাংলাদেশে বাবার কাছে থাকতে চাই: লায়লা রিনা

ইয়াবার চালান আসছে মানবদেহের পাকস্থলীতে করে

প্রতিদিনের চিত্র বিডি ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৬ জানুয়ারি ২০২৩  


ত ইয়াবার চালান ধরা পড়ছে তার ২০ শতাংশই মানবদেহের পাকস্থলীতে। আর এ কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে নারী-পুরুষ উভয়কে। মাদক কারবারিরা ইয়াবার চালান নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছাতে সবচেয়ে নিরাপদ মনে করে পাকস্থলী, বলছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর। সংস্থাটি বলছে, এ ধরনের চোরাচালান রোধ করা তাদের জন্য চ্যালেঞ্জ।

 

টেকনাফ থেকে পাকস্থলীতে করে ইয়াবার চালান যাচ্ছে রংপুরে। গোপন খবরের ভিত্তিতে চালানটি জব্দ করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের ঢাকা মেট্রো উত্তর অঞ্চল। এতে নারী এবং পুরুষের পেটে পাওয়া যায় ৮ হাজার পিস ইয়াবা।

 

স্কচটেপ বা পলিথিনে প্যাঁচিয়ে ইয়াবা ঢোকানো হয় কলার মধ্যে। পরে ওই কলা গিলে ঢাকায় চলে আসে পাচারকারীরা। একটি দুটি নয়, পেটের মধ্যে ঢোকানো হয় কখনো কখনো একশটি প্যাকেট। প্রতি প্যাকেটে ইয়াবা থাকে পঞ্চাশটি। অর্থাৎ ৫ হাজার পিস ইয়াবা নিয়ে আসা হয় পেটের মধ্যে।

 

গত তিন মাসে ঢাকা মেট্রো উত্তর অঞ্চলের অভিযানে দেড় লাখ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৪০ হাজার ইয়াবা ধরা পড়েছে মানবদেহের পাকস্থলীতে।

 

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের ঢাকা উত্তর অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান বলেন, মাদক কারবারিরা ১৫ থেকে ২০ শতাংশ ইয়াবা তাদের পেটে করে নিয়ে আসে। ইয়াবা পরিবহনে নারী, কিশোর ও বৃদ্ধদেরকেও ব্যবহার করা হয়।

 

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের তথ্য বলছে, গত ছয় মাসে তাদের অভিযানে জব্দ করা হয়েছে পাঁচ লাখ পিস ইয়াবা। এই ইয়াবার একটি বড় অংশ নিয়ে আসা হয়েছিল পেটে করে।

 

অধিদফতরের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক জাফরুল্ল্যাহ কাজল বলেন, পেটে করে ইয়াবা বহন করার বিষয়টি আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে বড় চ্যালেঞ্জ। কোনো কারণে যদি পেটের ভেতর সেটা বিস্ফোরণ হয়ে যায়, তখন কিন্তু মৃত্যুর ঝুঁকি হয়ে যায়। এমন মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে কয়েকবার।

 

কর্মকর্তারা বলছেন, শুধু আর্থিক লোভের কারণে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পেটে করে ইয়াবা চোরাচালানের প্রবণতা বাড়ছে।

 

এই বিভাগের আরো খবর