ঢাকা, সোমবার   ২৭ জুন ২০২২,   আষাঢ় ১৪ ১৪২৯

ব্রেকিং:
চট্টগ্রাম, গাজীপুর, কক্সবাজার, নারায়ানগঞ্জ, পাবনা, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ ব্যুরো / জেলা প্রতিনিধি`র জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদন পাঠানোর আহ্বান করা হচ্ছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা- স্নাতক, অভিজ্ঞদের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল যোগ্য। দৈনিক প্রতিদিনের চিত্র পত্রিকার `প্রিন্ট এবং অনলাইন পোর্টাল`-এ প্রতিনিধি নিয়োগ পেতে অথবা `যেকোন বিষয়ে` আর্থিক লেনদেন না করার জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের এবং প্রতিনিধিদের অনুরোধ করা হল।
পদ্মায় স্বপ্নপূরণের ক্ষণগণনা
১৮দিন
:
১৯ঘণ্টা
:
০৬মিনিট
:
১০সেকেন্ড
সর্বশেষ:
রাজধানীতে অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী নিহত ফের করোনায় আক্রান্ত ফখরুল মুরগির দাম কেজিতে কমেছে ২০-২৫ টাকা পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তে যানজট সৌদি পৌঁছেছেন ৩৮ হাজার ৮৮৯ জন হজযাত্রী, ৬ জনের মৃত্যু পদ্মা সেতুতে প্রথম টোল দিয়ে পাড়ি দিল মোটরসাইকেল পদ্মা সেতু পারাপারে যানবাহনের দীর্ঘ সারি

ঈদে অগনিত মানুষের বাড়ি ফেরা সংক্রমণ বৃদ্ধির ঝুঁকিতে বাংলাদেশ

প্রতিদিনের চিত্র ডেস্ক

প্রকাশিত: ১ আগস্ট ২০২০  

 

করোনাভাইরাসের মহামারিতে ঈদুল আযহা উপলক্ষে অগনিত মানুষের বাড়ি ফেরায় আবারও সংক্রমণ বৃদ্ধির ঝুঁকিতে পড়েবে বাংলাদেশ। দেশের স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা এমনটি বলেছেন।

স্বাস্থ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য, ঈদকে কেন্দ্র করে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় মানুষের যাতায়াত ঠেকাতে সরকার নিরুপায়। যার ফলে দেশে সংক্রমণ বৃদ্ধির ঝুঁকি মাথায় রেখে ঈদের পর পরই নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা বৃদ্ধির পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে বলে কর্মকর্তারা উল্লেখ করেন।

যেভাবে সংক্রমণের ঝুঁকি উপেক্ষা করে রেল, সড়ক এবং নৌপথে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে। উপেক্ষা করা হয়েছে সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যবিধি।

শুক্রবারে মানুষের স্রোত দেখা যায় বাসটার্মিনাল, লঞ্চ এবং ফেরীঘাটগুলোতে। ঢাকার সাথে উত্তরের জেলাগুলোর যাতায়াতের বিশ্বরোডে টাঙ্গাইল জেলায় বিতর কয়েক কিলোলোমিটার জুড়ে যানজটে মানুষকে ভোগান্তি হয়েছে।

দক্ষিণাঞ্চলদিকের সমস্ত লঞ্চে মানুষের উপচে পড়া ভিড়ের খবর শোনা গেছে।

স্বাভাবিক সময়ে ঈদে বাড়ি ফেরার যে দৃশ্য থাকে, এখন মহামারির মধ্যেও পথে পথে অনেকটা একই চেহারা নেয়।

মহামারির মধ্যেও পথে পথে অনেকটা এমস চেহারা, যেমনটি স্বাভাবিক সময়ে ঈদে বাড়ি ফেরার দৃশ্যর মতই।

একজন দৈনিক জাতীয় পত্রিকার নিউজ এডিটর পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঈদ করতে গ্রামের বাড়ি রাজশাহীপৌছেন। তিনি দেখেছেন, রাস্তায় মানুষের মাঝে স্বাস্থ্য বিধি মানার কোন বিন্দুমাত্র আগ্রহ নাই।

তিনি সরকার বলছে, সেটি বেমালুম মারছে না। তারা মনে করছে, এটা তেমন মরনব্যাধি কিছু হবে মনে করেনা। এটা এখন অনেকটা প্রতিরোধ্য হয়েছে মনে করে স্বাস্থ্য বিধি মেনে না চলা মানুষগুলো।

বিগত দিনের তথ্যসূত্র মতে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর এবং চট্টগ্রাম-এই চারটি নগরীতে সংক্রমণের হার অনেক বেশি ছিল। সেজন্য সরকার এই শহরগুলো থেকে ঈদে অন্য এলাকায় না যাওয়ার নির্দেশনা দিয়েছিল কিন্তু নির্দেশনা বাস্তবায়নে কোন পদক্ষেপ দৃশ্যমান হয়নি।

উল্লেখ্য, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক গত বৃহস্পতিবার ঈদে মানুষের বাড়ি ফেরা এবং সারাদেশে কোরবানির পশুর হাটের কারণে সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করে বক্তব্য দিয়েছেন।

ঘরমুখো মানুষের স্রোত ঠেকানো কঠিন বলেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল বাসার মো: খুরশিদ আলম। তবে মন্ত্রী বলেন "শুধুমাত্র মাস্কটাও যদি আমরা ঠিকমত ব্যবহার করতে পারি, তাহলে আমাদের অনেকখানি কাজ দেবে।  ধর্মীয় বিশেষের ক্ষেত্রে মানুষ যাওয়া এবং মানুষের স্রোত আমরা ঠেকাতে পারছি না। জবরদস্তি করে মানুষকে আটকে রাখা যাবেনা"।

এই বিভাগের আরো খবর