Berger Paint

ঢাকা, শুক্রবার   ৩০ অক্টোবর ২০২০,   কার্তিক ১৪ ১৪২৭

ব্রেকিং:
রপ্তানিকারকদের জন্য সুখবর; কমল সুদের হার ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৮০ লাখ ছাড়িয়ে গেছে ফের বাড়লো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি সংক্রমণ বাড়ায় ফের লকডাউনের মুখোমুখি জার্মানি ফের লকডাউন ফ্রান্সে চীনের তৈরী ভ্যাকসিন পেয়েছে ইসরায়েল
সর্বশেষ:
যুগপুর্তিতে ৪৫০ কিমি মহাসড়ক ৪ লেনে উন্নীত টাইফুন ‘মোলাভি’র আঘাতে লণ্ডভণ্ড ভিয়েতনাম, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৫ ফরাসি ম্যাগাজিন শার্লি হেবদোর বিরুদ্ধে মামলা করলেন এরদোগান বিশ্বজুড়ে করোনায় আক্রান্ত ৪ কোটি ৪৪ লাখ ছাড়াল মেসি-দেম্বেলের গোলে জুভেন্টাসকে হারালো বার্সা ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২০’ প্রদান আজ

ঈদে অগনিত মানুষের বাড়ি ফেরা সংক্রমণ বৃদ্ধির ঝুঁকিতে বাংলাদেশ

প্রতিদিনের চিত্র ডেস্ক

প্রকাশিত: ১ আগস্ট ২০২০  

পঠিত: ২৯৭২

 

করোনাভাইরাসের মহামারিতে ঈদুল আযহা উপলক্ষে অগনিত মানুষের বাড়ি ফেরায় আবারও সংক্রমণ বৃদ্ধির ঝুঁকিতে পড়েবে বাংলাদেশ। দেশের স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা এমনটি বলেছেন।

স্বাস্থ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য, ঈদকে কেন্দ্র করে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় মানুষের যাতায়াত ঠেকাতে সরকার নিরুপায়। যার ফলে দেশে সংক্রমণ বৃদ্ধির ঝুঁকি মাথায় রেখে ঈদের পর পরই নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা বৃদ্ধির পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে বলে কর্মকর্তারা উল্লেখ করেন।

যেভাবে সংক্রমণের ঝুঁকি উপেক্ষা করে রেল, সড়ক এবং নৌপথে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে। উপেক্ষা করা হয়েছে সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যবিধি।

শুক্রবারে মানুষের স্রোত দেখা যায় বাসটার্মিনাল, লঞ্চ এবং ফেরীঘাটগুলোতে। ঢাকার সাথে উত্তরের জেলাগুলোর যাতায়াতের বিশ্বরোডে টাঙ্গাইল জেলায় বিতর কয়েক কিলোলোমিটার জুড়ে যানজটে মানুষকে ভোগান্তি হয়েছে।

দক্ষিণাঞ্চলদিকের সমস্ত লঞ্চে মানুষের উপচে পড়া ভিড়ের খবর শোনা গেছে।

স্বাভাবিক সময়ে ঈদে বাড়ি ফেরার যে দৃশ্য থাকে, এখন মহামারির মধ্যেও পথে পথে অনেকটা একই চেহারা নেয়।

মহামারির মধ্যেও পথে পথে অনেকটা এমস চেহারা, যেমনটি স্বাভাবিক সময়ে ঈদে বাড়ি ফেরার দৃশ্যর মতই।

একজন দৈনিক জাতীয় পত্রিকার নিউজ এডিটর পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঈদ করতে গ্রামের বাড়ি রাজশাহীপৌছেন। তিনি দেখেছেন, রাস্তায় মানুষের মাঝে স্বাস্থ্য বিধি মানার কোন বিন্দুমাত্র আগ্রহ নাই।

তিনি সরকার বলছে, সেটি বেমালুম মারছে না। তারা মনে করছে, এটা তেমন মরনব্যাধি কিছু হবে মনে করেনা। এটা এখন অনেকটা প্রতিরোধ্য হয়েছে মনে করে স্বাস্থ্য বিধি মেনে না চলা মানুষগুলো।

বিগত দিনের তথ্যসূত্র মতে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর এবং চট্টগ্রাম-এই চারটি নগরীতে সংক্রমণের হার অনেক বেশি ছিল। সেজন্য সরকার এই শহরগুলো থেকে ঈদে অন্য এলাকায় না যাওয়ার নির্দেশনা দিয়েছিল কিন্তু নির্দেশনা বাস্তবায়নে কোন পদক্ষেপ দৃশ্যমান হয়নি।

উল্লেখ্য, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক গত বৃহস্পতিবার ঈদে মানুষের বাড়ি ফেরা এবং সারাদেশে কোরবানির পশুর হাটের কারণে সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করে বক্তব্য দিয়েছেন।

ঘরমুখো মানুষের স্রোত ঠেকানো কঠিন বলেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল বাসার মো: খুরশিদ আলম। তবে মন্ত্রী বলেন "শুধুমাত্র মাস্কটাও যদি আমরা ঠিকমত ব্যবহার করতে পারি, তাহলে আমাদের অনেকখানি কাজ দেবে।  ধর্মীয় বিশেষের ক্ষেত্রে মানুষ যাওয়া এবং মানুষের স্রোত আমরা ঠেকাতে পারছি না। জবরদস্তি করে মানুষকে আটকে রাখা যাবেনা"।

এই বিভাগের আরো খবর