Berger Paint

ঢাকা, শনিবার   ২৩ জানুয়ারি ২০২১,   মাঘ ১০ ১৪২৭

ব্রেকিং:
কারাগারে স্ত্রীর সঙ্গে আসামির একান্তে সময় কাটানোর ঘটনায় ডেপুটি জেল সুপারসহ ৩ জনকে প্রত্যাহার
সর্বশেষ:
জাতিসংঘে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা ভারতের ঘন কুয়াশার কারণে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ বিশ্বে করোনায় মৃত্যু ২১ লাখ ছাড়াল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চেয়ারম্যানের ভাইকে কুপিয়ে হত্যা

ঈদে আসছে ২৫ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট

প্রতিদিনের চিত্র ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০ জুলাই ২০২০  

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

 

কোরবানির ঈদ উপলক্ষে ২৫ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট বাজারে ছাড়ার প্রস্তুতি নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে করোনার কারণে রোজার ঈদের মতো কোরবানির ঈদেও সর্বসাধারণের মাঝে নতুন টাকা বিনিময়ের সুযোগ রাখা হচ্ছে না। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবছর রোজা ও কোরবানির ঈদ উপলক্ষে বাড়তি কেনাকাটায় বাজারে নগদ টাকার চাহিদা বাড়ে। ঈদের আগের মাসের বেতন ও বোনাসের টাকা নতুন নোটে পাওয়ার আশা করেন চাকরিজীবীরা। এ ছাড়া ঈদের আগে সালামি ও বকশিশের জন্য নতুন টাকা সংগ্রহ করে সাধারণ মানুষ। এটা মাথায় রেখেই প্রতিবছর দুই ঈদে নতুন টাকা বাজারে ছাড়ে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত রোজার ঈদে ৩০ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট বাজারে ছাড়ার প্রস্তুতি রেখেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। আর গত কোরবানির ঈদে ২০ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট বাজারে ছাড়া হয়েছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, কোরবানির কারণে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে নগদ টাকার চাহিদা বেশি হবে। এটা বিবেচনায় নিয়ে এবার ২৫ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট ছাড়ার প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। এগুলোর বেশির ভাগই একেবারে নতুন নোট। এবার নগদ টাকার চাহিদা কম হবে কি না তিনি বলেন, স্বাভাবিক সময়ে সাধারণের মাঝে নতুন টাকা বিনিময়ের সুযোগ রাখা হয়। কিন্তু করোনার কারণে এই সুযোগ রাখা হচ্ছে না। ফলে গতবারের চেয়ে এবার চাহিদা কিছু কম হবে বলেই মনে হচ্ছে।

ঈদ সালামিতে নতুন টাকা পেতে পছন্দ করে ছোট-বড় সবাই। এর পাশাপাশি বকশিশ, ফিতরা কিংবা দান-খয়রাতেও অনেকে নতুন টাকা সংগ্রহ করে। তবে করোনা মহামারির কারণে রোজার ঈদের মতো কোরবানির ঈদেও সর্বসাধারণের জন্য নতুন টাকা বিনিময়ের সুযোগ রাখা হচ্ছে না। ব্যাংকের যাঁরা গ্রাহক, তাঁরা লেনদেনের সময় নতুন টাকা নেওয়ার সুযোগ পাবেন। এ ছাড়া এটিএম বুথেও গ্রাহকরা নতুন টাকা পাবেন।

জানা গেছে, সারা বছর ৪০ থেকে ৫০ হাজার কোটি টাকার সমপরিমাণ বিভিন্ন মূল্যমানের নোট প্রয়োজন হয়। এর ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ প্রয়োজন হয় দুই ঈদে। তবে এবার করোনার সংকটের কারণে নগদ টাকার চাহিদা বেশি হচ্ছে। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ১ লাখ কোটি টাকা প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়ন শুরু হওয়ায় বাজারে মুদ্রা সরবরাহ বাড়তে শুরু করেছে। এই মুদ্রা সরবরাহের একটি অংশ নগদ টাকা হিসেবে যাচ্ছে বলেও জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

এই বিভাগের আরো খবর