Berger Paint

ঢাকা, সোমবার   ২৮ নভেম্বর ২০২২,   অগ্রাহায়ণ ১৪ ১৪২৯

ব্রেকিং:
চট্টগ্রাম, গাজীপুর, কক্সবাজার, নারায়ানগঞ্জ, পাবনা, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ ব্যুরো / জেলা প্রতিনিধি`র জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদন পাঠানোর আহ্বান করা হচ্ছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা- স্নাতক, অভিজ্ঞদের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল যোগ্য। দৈনিক প্রতিদিনের চিত্র পত্রিকার `প্রিন্ট এবং অনলাইন পোর্টাল`-এ প্রতিনিধি নিয়োগ পেতে অথবা `যেকোন বিষয়ে` আর্থিক লেনদেন না করার জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের এবং প্রতিনিধিদের অনুরোধ করা হল।
সর্বশেষ:
প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ আবারও পেছালো যে কোনো মূল্যে শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে: প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে শিশু আয়াত হত্যা : আসামি আবীর ফের রিমান্ডে ৫০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করেনি এসএসসিতে পাসের হার ৮৭.৪৪ শতাংশ সাংহাইয়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, বিক্ষোভ

উজি পিস্তল হাতে প্রকাশ্যে ঢাকার রাস্তায় মাস্তানি

প্রতিদিনের চিত্র বিডি ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৩ নভেম্বর ২০২২  

 

ছোট আকৃতির আগ্নেয়াস্ত্রের মধ্যে উজি পিস্তল অন্যতম। ইসরায়েল এর নির্মাতা হলেও বিশ্বের অনেক দেশের সামরিক বাহিনীই এটি ব্যবহার করে। তবে পয়েন্ট টু টু ক্যালিবারের এই অস্ত্র বাংলাদেশে পুলিশ বা র‌্যাবের মতো বাহিনী এখনো ব্যবহার করে না। কিন্তু আধা স্বয়ংক্রিয় এই অস্ত্র নিয়ে এবার ঢাকার রায়েরবাজার শাহ আলী গেট এলাকায় প্রকাশ্যে মাস্তানি করতে দেখা গেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, এ ঘটনায় এখনো কোনো ব্যবস্থা নেয়নি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

 

২০২০ সালে মোহাম্মদপুরে এক মাদক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে প্রথম বাংলাদেশে এই অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। এই অস্ত্র যে বাংলাদেশের দোকানে বিক্রি হচ্ছে তা ওই ঘটনার আগে জানত না আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর পরই নড়েচড়ে বসে তারা। পরে পুলিশ জানতে পারে, ছয়টি অস্ত্র আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান উজি আমদানি করেছে।

 

২০১৫ সাল থেকে গত বছরের আগস্ট পর্যন্ত দেশে ১২১টি উজি আমদানি করা হয়। তখন পর্যন্ত বিক্রি হয় ৫৯টি পিস্তল। বাকি ৬২টি বৈধ অস্ত্রের লাইসেন্সধারীদের কাছে বিক্রি করা যাবে বলে নির্দেশ দেয় দরকার। কিন্তু সেই অস্ত্র কোথায়, কীভাবে ব্যবহার হচ্ছে এর কোনো তথ্য জানা যায়নি।

 

তবে গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর রায়েরবাজার শাহ আলী গেট এলাকায় এই অস্ত্র নিয়ে মাস্তানি করতে দেখা গেছে। জমি নিয়ে কলহের জেরে ওই দিন দুপুরে কয়েকজনকে সশস্ত্র অবস্থায় সেখানে দেখা যায়। তাদের নেতৃত্বে ছিলেন তিন ভাই সেলিম রহমান, নাসিম রহমান ও মাহবুবুর রহমান। এর মধ্যে উজি হাতে সেলিম রহমান, শটগান নিয়ে নাসিম রহমান প্রতিপক্ষ স্থানীয় হাবিবুর রহমান হাসুকে গুলি করতে যান। আর মাহবুবুর রহমানের হাতে বিদেশি পিস্তল ছিল বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।

 

ঘটনার সময় তিন ভাই দলবল নিয়ে হাসুকে খুঁজতে থাকে। শাহ আলী গেট এলাকায় তাকে পাওয়ার পর তার দিকে অস্ত্র তাক করে মারধর করে। এ সময় পাশের দোকানের সিসি ক্যামেরায় ও উপস্থিত জনতার মোবাইলে এসব দৃশ্য ধরা পড়ে। উজি নিয়ে যাওয়া ও আসার দৃশ্যও ধরা পড়ে এতে।

 

তবে ঘটনার পর স্থানীয় থানা পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ফলে অস্ত্রধারীদের হাত থেকে বাঁচতে হাসু এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। এ বিষয়ে হাসুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘সন্ত্রাসীরা অস্ত্র নিয়ে আমার ওপর হামলা ও মারধর করে। পরে স্থানীয়রা ভিড় করলে তারা পালিয়ে যায়। প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে বেড়াচ্ছি।’

 

অভিযুক্তদের মধ্যে উজি পিস্তলধারী সেলিম রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। তিনি ঘটনার চার দিনের মধ্যেই জার্মানি চলে গেছেন বলে জানান হাসু। অন্য ভাই শটগানধারী নাসিম রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তাদের অস্ত্রের লাইসেন্স রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের কাছে চাঁদা চেয়েছে হাসু গং। এজন্য তার সঙ্গে কথা বলতে গিয়েছিলাম।’ সেলিম রহমান দেশে আছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি এই বিষয়ে কোনো উত্তর দেননি।

 

এদিকে উজি পিস্তল নিয়ে প্রকাশ্যে মহড়ার বিষয়ে জানতে চাইলে হাজারীবাগ থানার ওসি একে সাইদুল হক ভূঁইয়া বলেন, ‘আমি এখন ব্যস্ত আছি। এই বিষয়ে পরে কথা বলতে পারব।’

এই বিভাগের আরো খবর