Berger Paint

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৬ মে ২০২০,   জ্যৈষ্ঠ ১১ ১৪২৭

ব্রেকিং:
বিশ্বে করোনায় মৃত ৩ লাখ ৪১ হাজার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী
সর্বশেষ:
চাঁদপুরের ৪০ গ্রামে আজ ঈদ নিম্ন আদালতের ২ বিচারকের করোনা শনাক্ত : আইনমন্ত্রী সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যে ঈদ আজ করোনায় সশস্ত্র বাহিনীর ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে

বেসরকারি হাসপাতালে

করোনা রোগী চিকিৎসার প্রস্তাবনা- বিশেষজ্ঞদের

প্রতিদিনের চিত্র ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭ মে ২০২০  

পঠিত: ১১৯
ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত


বাংলাদেশে দিনে দিনে রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় উদ্দীগ্ন বিশেষজ্ঞরা। গত ৭১ দিনে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২২ হাজার ছাড়িয়ে যাওয়ায় দেশব্যাপী চিকিৎসার পরিধি বাড়ানোর প্রয়োজন বলে মনে করছেন তাঁরা।

বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা লকডাউন শিথিলের কারণে সামনের দিনগুলোয় করোনাভাইরাস রোগী সংখ্যা আরও বাড়াতে পারে। এমন অবস্থায় দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালকে কোভিড-১৯এ আক্রান্ত রোগীদের সেবা দেয়ার আওতায় আনা প্রয়োজন বলে তারা মনে করছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের সূত্রমতে, বাংলাদেশে শুধুমাত্র করোনাভাইরাসের চিকিৎসা দিতে মোট ১১০টি হাসপাতালে ২০ হাজার শয্যা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এরমধ্যে বেসরকারি হাসপাতালের সংখ্যা মাত্র চারটি।

বাকি বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে কোভিড-১৯ এর চিকিৎসার আওতায় আনার জন্য সরকারকে যৌথ কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের সাবেক পরিচালক ডা. বে-নজির আহমেদ।

তিনি বলেছেন, "বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা প্রতিদিন বাড়তে থাকায় সময় এসেছে বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে এই সেবা কাজে অন্তর্ভুক্ত করার। এক্ষেত্রে বেসরকারি হাসপাতালগুলোর সাথে সরকারের একটি যৌথ কর্মপরিকল্পনা করা প্রয়োজন। যেখানে বেসরকারি হাসপাতালগুলোর কিছুটা লাভ হবে আবার সরকার এমনভাবে আলোচনা করবে যাতে জনগণ সঠিক সেবা পায়।"

এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক হাবিবুর রহমান খান জানিয়েছেন তারা বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে করোনাভাইরাস মোকাবিলায় যুক্ত হতে অনুরোধ করবেন, কিন্তু কোন চাপ দেবেন না।

তিনি জানিয়েছেন, বেসরকারি হাসপাতালগুলো চাইলে কোভিড রোগীদের থেকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ নিয়ে চিকিৎসা দিতে পারবে। সরকার তাদেরকে কোন টাকা দেবে না।

সরকার কেবল সরকারি তত্ত্বাবধানে থাকা হাসপাতালগুলোর চিকিৎসা ব্যয় বহন করবে।

মি. খান বলেন, "ট্রিটমেন্টের বিনিময়ে বা ট্রিটমেন্টের পরীক্ষা নিরীক্ষার বিনিময়ে বেসরকারি হাসপাতালগুলো রোগীদের থেকে যুক্তিসঙ্গত খরচ নিতে পারবে। সরকার শুধুমাত্র কোভিড-১৯ ডেডিকেটেড সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের খরচ বহন করবে।"

তিনি আরও জানান, "আমরা বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে কিছু দিচ্ছি না, কোন কিছু দাবিও করছি না। আমাদের অনুরোধ থাকবে দেশের এই দুর্যোগকালে মুনাফার মানসিকতা পরিহার করে তারা যেন জনসেবায় যুক্ত হন।"

এ প্রসঙ্গে বে-নজির আহমেদ বলেছেন, বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে যেমন ছাড় দিতে হবে তেমনি সরকারেরও ওই হাসপাতালগুলোর সুবিধার কথা কিছুটা হলেও ভাবতে হবে।

তবে সেই সুবিধাগুলো যেন সহনীয় পর্যায়ে থাকে সেদিকে মনোযোগ দেয়ার কথাও জানান তিনি।

 

 

 


সূত্র: বিবিসি।

 

 

 

এই বিভাগের আরো খবর