Berger Paint

ঢাকা, সোমবার   ০১ জুন ২০২০,   জ্যৈষ্ঠ ১৮ ১৪২৭

ব্রেকিং:
লকডাউন শিথিলের পর লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। যা বিশ্বে আক্রান্তের সংখ্যায় সপ্তম। বিশ্বে করোনায় মৃত ৩ লাখ ৭০ হাজার ছাড়াল, আক্রান্ত ৬১ লাখের বেশি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. শাকিল উদ্দিন আহমেদ মৃত্যুবরণ করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
সর্বশেষ:
২৪ ঘণ্টায় আমেরিকা-ব্রাজিলে নতুন আরও ৫৯৮-৪৮০ জন করোনায় মারা গেছে চট্টগ্রামে আরও ১১৮ জনের করোনা শনাক্ত নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম সপরিবারে করোনায় আক্রান্ত কলকাতা থেকে ফিরলেন আটকে পড়া ৪২ বাংলাদেশি

করোনা শরীরে প্রবেশ করলে কী কী ঘটে

প্রতিদিনের চিত্র ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩০ মার্চ ২০২০  

পঠিত: ১২৮
ছবি - সংগৃহীত

ছবি - সংগৃহীত

করোনা ভাইরাস নির্মূলের কোনো প্রতিষেধক আবিষ্কার করা সম্ভব হয়নি। তবে চেষ্টাও থেমে নেই। তবে আক্রান্ত যাতে না হতে হয়, তাই রয়েছে বিশেষ কিছু সতর্কতা। যা সবাই মেনে চলছেন। তবে এই ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করলে কী কী ঘটে তা সবারই জানা জরুরি। তবেই আরও বেশি সতর্ক থাকা সম্ভব হবে। চলুন জেনে নেয়া যাক-  

> ভাইরাসটি যদি আপনার শরীরে ঢোকে, তবে প্রথমে শ্বাসনালি ও পরে ফুসফুসে লটকে পরবে। ভাইরাসটি ফুসফুসের ছোট্ট ছোট্ট বলের মতো জায়গায় গিয়ে আরামসে বংশবৃদ্ধি করতে থাকে। এতে ফুসফুসের বলগুলো নষ্ট হয়ে যেতে থাকে।

> ভাইরাসটি শরীরে ঢোকার পর গড়ে পাঁচদিন পর্যন্ত সময় নেয়। তারপর আক্রান্ত ব্যক্তির দেহে কিছু উপসর্গ দেখা দিতে থাকে। যেমন-  ক্লান্তি, জ্বর, কাশি, ডায়রিয়া ইত্যাদির লক্ষণ প্রকাশ পেতে থাকে।

> অপরপক্ষে শরীর (ইমিউন সিস্টেম) এই ভাইরাসের হাত থেকে নিজেকে মুক্ত করতে প্রাণপনে চেষ্টা করে। আমাদের নিজস্ব ইমিউন সিস্টেম ক্রমাগত প্রয়োজনীয় অ্যান্টিবডি বা যোদ্ধা সেল তৈরি করতে থাকে ভাইরাসকে পরাস্ত করতে।

> ভাইরাসের বংশবৃদ্ধির গতি অপেক্ষা আপনার ইমিউন সেলের বংশবৃদ্ধির গতি বেশি হলে আপনি বেঁচে যাবেন। আর দুর্বল ইমিউন সিস্টেম হলে ভাইরাসের বংশবৃদ্ধি বেড়ে যাবে ও আপনার ফুসফুস ক্রমান্বয়ে পরাস্ত হতে থাকবে ভাইরাসের হাতে।

> ফুসফুস পরাস্ত হতে থাকলে আস্তে আস্তে শরীরে প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের অভাব দেখা দেয় এবং রোগী অক্সিজেনের জন্য একসময় হাঁসফাঁস করতে থাকে। পরবর্তীতে শরীরের অন্যান্য অর্গানগুলো (কিডনি, হার্ট, যকৃত, প্যানক্রিয়াস ইত্যাদি) অক্সিজেনের অভাবে একে একে অকেজো হতে শুরু করে।

> নানা অসুখের কারণে আগেভাগেই কারো অর্গানগুলো দুর্বল হয়ে থাকলে, তার জন্য ভাইরাসটির আক্রমণের চাপ বহন করা কঠিন হয়ে পরে। তখন ভাইরাসটি রক্তে ছড়িয়ে পরে। এইবেলা তার জন্য হাসপাতালের সাহায্য বা কৃত্রিমভাবে অক্সিজেনের বন্দোবস্ত করার জরুরি দরকার হয়ে পরে।

> যেহেতু এখন পর্যন্ত ভাইরাসটি দমন করার কোনো ওষুধ আবিষ্কৃত হয়নি। তাই নিজের ইমিউন সিস্টেমই ভরসা! সেটি শক্তিশালী হলে ভাইরাসগুলো যুদ্ধে হেরে গিয়ে মারা যাবে।

> জ্বর-কাশি কিছুদিন পর আপনা আপনি ভালো হয়ে যাবে, বাসায় বসেই। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার মতে ৮০% আক্রান্ত মানুষ ঘরে বসেই ভালো হয়ে যায়, হাসপাতাল পর্যন্ত যেতে হয় না।