ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২১ নভেম্বর ২০১৯,   অগ্রাহায়ণ ৭ ১৪২৬

ব্রেকিং:
১৬২৬৩ তে ফোন করলেই মিলবে চিকিৎসক টিসিবির ৪৫ টাকায় পেঁয়াজ বিক্রি
সর্বশেষ:
পিইসি পরীক্ষায় বহিষ্কার কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্ট সাংবাদিকদের চাকরির নিরাপত্তা দিবে সরকারঃ তথ্যমন্ত্রী আমাদের অর্থনীতি এখন অনেক শক্তিশালী:প্রধানমন্ত্রী বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার হত্যা মামলার কার্যক্রমে সন্তুষ্ট বাবা ইডেন টেস্ট’ দেখতে কাল কলকাতা যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ‘বিএনপি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব সৃষ্টি করছে’-সেতুমন্ত্রী

কাপাসিয়ায় রাতের আধারে নদীর চর থেকে মাটি চুরি

শামীম শিকদার,কাপাসিয়া (গাজীপুর)

প্রকাশিত: ৯ নভেম্বর ২০১৯  

পঠিত: ৪২
ছবি - সংগৃহীত

ছবি - সংগৃহীত

কাপাসিয়া উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নে সবুজে ঘেরা এক খন্ড ভূখন্ডের নাম ধাঁধার চর। শীতলক্ষা ও ব্রম্মপুত্র নদের মোহনায় নৌকা আকৃতির এই ধাঁধার চরের দৈর্ঘ‌্য ৪ কিলোমিটার। প্রায় ৩শ একর জমির আয়তনের এ চরে নেই কোন সংযোগ সড়ক ও বিদ্যুৎ। মাটি খুব উর্ভর বলে সকল ধরনের ফসলই এখানে জন্মায়। চরের অপরূপ সৌন্দর্য যে কাউকেই মুগ্ধ করবে। চার পাশে নদী থাকার কারণে এখানে কেউ থাকে না। সারা দিন কৃষকরা কাজ করে সন্ধ্যা হলে কর্মস্থল ত্যাগ করে। চর থেকে বছরে প্রায় কোটি টাকা আয় হয় বলে জানান কৃষকরা। রাতে থাকে ছিমছাম নিরব শান্ত পরিবেশ। এ নিরবতার সুযোগ নিয়ে একদল মটিখেকো রাতের অন্ধকারে মাটি কেটে নিয়ে চরের প্রকৃতিক সৌন্দর্য বিনষ্ট করছে।  

অনুনন্ধানে জানা যায, স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী রাতের অন্ধকারে দলবল নিয়ে চর থেকে মাটি কেটে পার্শবর্তী লাখপুর, শিমুলিয়া, ধানদিয়া, চরসিন্দুর এলাকার কয়েকটি ইটের ভাটায় বিক্রি করে। উপজেলার রানীগঞ্জ বাজার থেকে চরের পশ্চিম পাশ দেখা যায় বলে মাটিখেকোরা দক্ষিণ পাশ থেকে মাটি কেটে ট্রলার ভর্তি করে নিয়ে যায়। প্রভাবশালীদের ভয়ে স্থানীয় লোকজন মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না। রানীগঞ্জ খেয়াঘাটের মাঝিরাও চরে নৌকা ভিড়ানো যাবে না বলে পর্যটকদের ভয় দেখান। কিছুদিন আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোসা. ইসমত আরা চরে অভিযান চালিয়ে একটি মাটি ভর্তি  ট্রলার আটক করলেও ধরা ছোঁয়ার বাহিরে রয়ে যায় মূল হোতারা।

রাতের অন্ধকারে ট্রলার দিয়ে মাটি চুরি করার কারণে পুলিশ ও প্রশাসন তাদের ধরতে ব্যার্থ হয়। দিনে খুব কম মাটি কাটে। রাতে অভিযান চালাতে না পারলে তা নিয়ন্ত্রণে আনা অসম্ভব বলে দাবি স্থানীয় এলাকাবাসীর।

দুর্গাপুর ইউনিয়ন উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আনোয়ার হোসেন বলেন, চরে খাস ২৩৯.৫৭ এবং ব্যক্তিমালিকানা ৫৪.৭ একর জমি রয়েছে। আমাদের না জানিয়ে চর থেকে এক দল লোক মাটি কাটছে। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে আমি জানিয়েছি।

 

এই বিভাগের আরো খবর