Berger Paint

ঢাকা, বুধবার   ০৫ আগস্ট ২০২০,   শ্রাবণ ২০ ১৪২৭

ব্রেকিং:
হত্যার দায় সিনহা ও সিফাতের ওপর চাপিয়েছে পুলিশ ইতালিতে প্রবেশের অপেক্ষায় হাজারও বাংলাদেশি, নিষেধাজ্ঞা শিথিলের আভাস বিশ্বে করোনায় মৃত ৬ লাখ ৯৭ হাজারের বেশি একদিনে পানিতে ডুবে প্রাণ গেল ১১ শিশুর
সর্বশেষ:
তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে : আবহাওয়া অধিদপ্তর কুমিল্লার সাবেক এমপি এটিএম আলমগীরের ইন্তেকাল এবার সীমান্ত ঘেঁষে হেলিপ্যাডের কাজ শুরু করল নেপাল, আরও চাপে ভারত রাজধানীতে ঢুকছে বন্যার পানি, অনেক এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা

কুড়িগ্রামে বেড়েই চলছে বন্যার্তদের কষ্ট

খাজা ময়েনউদ্দিন চিশতি, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৬ জুলাই ২০২০  

পঠিত: ১১৮৪
ছবি- প্রতিদিনের চিত্র

ছবি- প্রতিদিনের চিত্র

বন্যা দুর্গত দুর্গম চরাঞ্চলের পরিবারগুলো বাধ্য হয়ে ঘর-বাড়ি ছেড়ে পরিবার পরিজন, গৃহপালিত পশু ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে উঁচু এলাকায়গুলোতে আশ্রয় নিতে শুরু করেছে। এতে করে উঁচু বাঁধ, পাকা সড়ক ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বাড়ছে বন্যা দুর্গত মানুষের সংখ্যা। কুড়িগ্রামে প্রধান দুটি নদ-নদী ব্রহ্মপুত্র ও ধরলার পানি সামান্য কমলেও বিপদসীমার উপর প্রবাহিত হওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির কোন উন্নতি হয়নি। নদ-নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার কারনে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অবনতির দিকেই যাচ্ছে। এ অবস্থায় জেলার প্রায় চার লক্ষাধিক বন্যা দুর্গত মানুষ খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশনের অভাবে গবাদি পশু নিয়ে অতি কষ্টে দিন পার করছে।

ব্রহ্মপুত্রের অববাহিকার উলিপুর উপজেলার বেগমগঞ্জ ইউনিয়ের কয়েকটি চরের বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তারা মূলত ব্রহ্মপুত্রের পানি কমে যাওয়ার আশায় দীর্ঘ এক মাস বা তারও বেশি সময় ধরে নৌকায় এবং ঘরের ভিতর এক বুক আর গলা পানিতে মাঁচান চালের সাথে ঠেকিয়ে বসবাস করে আসছিল। পানি নেমে যাওয়ার কোন লক্ষন নেই। এই দীর্ঘ সময়ে তারা মূলত বন্যার পানির উপর খাওয়ার কষ্ট, ঘুমানোর কষ্ট, বিশুদ্ধ পানির সংকট, স্যানিটেশনের কষ্ট, গৃহপালিত পশুর কষ্টকে শিকার করে দিন পাড় করছিল।

চর যাত্রাপুরের ইয়াছিন আলী জানান, নদের অববাহিকায় তারা ১০টি পরিবার মিলে বসবাস করছিলেন। তারা অতি কষ্ট করেই এতোদিন বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। কিন্তু পানিতে ছোট ছোট বাচ্চা, গরু, ছাগল নিয়ে আর কতদিন থাকা যায়। তাই পার্শ্ববর্তী উঁচু সড়কে আশ্রয় নিয়েছেন তারা।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: আরিফুল ইসলাম জানান, গত ২৪ ঘন্টায় ব্রহ্মপুত্র ও ধরলার পানি অরিবর্তিত রয়েছে। ব্রহ্মপুত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে বিপদসীমার ৭৩ সেন্টিমিটার, নুনখাওয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ৬০ সেন্টিমিটার এবং ধরলার পানি সেতু পয়েন্টে বিপদসীমার ৪৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক মো: রেজাউল করিম জানান, বন্যার্তদের জন্য এ পর্যন্ত ১৯০ মেট্রিক টন চাল, ৯ লাখ টাকা, শিশু খাদ্যের জন্য ২ লাখ, গো-খাদ্যের জন্য ৪ লাখ টাকা ও ৮ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে।

 

এই বিভাগের আরো খবর