Berger Paint

ঢাকা, বুধবার   ০১ এপ্রিল ২০২০,   চৈত্র ১৭ ১৪২৬

ব্রেকিং:
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো দুই জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। এ নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৫১ জনে দাঁড়িয়েছে।
Corona Virus Hotline
সর্বশেষ:
এ বছর বাংলা নববর্ষের অনুষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী করোনা ভাইরাসের ব্যাপক সংক্রমণ রোধে চলমান ছুটি সীমিত আকারে বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। লকডাউন মুক্ত ঘোষণা করেছে কৌচ-বড়ইচড়া গ্রাম চীনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে আমেরিকা লকডাউনের মেয়াদ বাড়ালো ইতালি করোনায় মৃত ৩৭ হাজার ছাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে আক্রান্ত দেড় লাখের বেশি, মৃত্যু ৩৮০ জনের আজ ৬৪ জেলা কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেবেন প্রধানমন্ত্রী

কৃষকের ১ মণ ধানের দামে ১ কেজি গোশতও মিলছে না

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৮ মে ২০১৯   আপডেট: ১৮ মে ২০১৯

পঠিত: ১৩০

এ বছরের বোরো মৌসুমে উৎপাদিত ধান নিয়ে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার কৃষকরা পড়েছেন চরম বিপাকে। ধানের ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় তারা চরম ভাবে হতাশ। ১ মণ ধান বিক্রি করে পাওয়া যাচ্ছে না ১ কেজি গরুর গোশতও।

উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ বারের বোরো মৌসুমে কোটালীপাড়া উপজেলায় ১ লাখ ৬২ হাজার মেট্রিকটন ধান উৎপাদন হয়েছে। এ উপজেলার লোক সংখ্যা অনুযায়ী চাহিদা ৬১ হাজার ৫শত ৯৪ মেট্রিকটন। অপরদিকে এ উপজেলায় সরকারি ভাবে ধান ক্রয় করা হবে মাত্র ৮শত ২৪ মেট্রিকটন। চাহিদার তুলনায় ধান উৎপাদন বেশি হওয়ায় কৃষকেরা ধানের মূল্য কম পাচ্ছে।

একজন কৃষক বলেন, আমি এ বছর ২৬ বিঘা ধানের চাষ করেছি। প্রায় ১২শত মণ ধান হয়েছে। আমার পরিবারের প্রতিবছর ১০০ মণ ধানের প্রয়োজন। বিধান আমি ধান বিক্রি করতে গেলে এখন বাজার চলমান রয়েছে ৫০০ টাকা প্রতি মণ। এই দরে যদি আমি ধান বিক্রয় করি তাহলে প্রতি মণে আমি ১৫০ থেকে ২০০ টাকা ক্ষতি সাধিত হব। কারণ আমার প্রতিমণ ধান চাষ করতে খরচ হয়েছে প্রায় ৭০০ টাকা।

কুরপালা গ্রামের চয়ন হাওলাদার বলেন, গত শুক্রবার ঘাঘর বাজারে গিয়ে ৫শত টাকা করে মোটা ধান বিক্রি করেছি। বাড়িতে মেহমান থাকায় গরুর গোশত কিনতে হয়েছে ৫শত ৫০ টাকা করে। এখানে এখন ১মণ ধান বিক্রি করলে ১ কেজি গরুর গোশত কেনা যায় না। শুনেছি সরকার ১হাজার ৪০টাকা করে ধান ক্রয় করবে। এই দামে ধান বিক্রি করতে পারলে আমরা লাভবান হবো।

উদীচী কোটালীপাড়া শাখার সাধারণ সম্পাদক রতন সেন কংকন বলেন, ব্যক্তি জীবনে আমিও একজন কৃষক। আমি মনে করি আগামীতে কৃষকরা যদি রপ্তানিমুখী ধান চাষ করে তাহলে তারা অনেকটাই ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পাবে। এ জন্য সরকারকে রপ্তানিমুখী ধান চাষে উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

অপরদিকে বঙ্গবন্ধু দারিদ্র্য বিমোচন ও পল্লী উন্নয়ন একাডেমির পরিচালক কৃষিবিদ মাহামুদুলন্নবী বলেন, কৃষিক্ষেত্রে যান্ত্রিকীকরণ ও কৃষিতে ভর্তুকি বাড়াতে হবে। কৃষিতে যান্ত্রিকীকরণ ও ভর্তুকি বাড়িয়ে দিলে কৃষকদের ধান চাষসহ অন্যান্য চাষে খরচ কম হবে।