Berger Paint

ঢাকা, রোববার   ২৯ নভেম্বর ২০২০,   অগ্রাহায়ণ ১৫ ১৪২৭

ব্রেকিং:
নাইজেরিয়ায় ৪৩ শ্রমিককে একসঙ্গে গলা কেটে হত্যা
সর্বশেষ:
মন্টেনিগ্রো-সার্বিয়ায় পাল্টাপাল্টি রাষ্ট্রদূত বহিষ্কার হঠাৎ বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী , ২৮ দিনে আক্রান্ত ৫০৭ বৃটেনে ভ্যাকসিন বিষয়ক মন্ত্রী হলেন নাদিম জাহাওয়ী

কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ মিল্কভিটা ম্যানেজারের বিরুদ্ধে!

অ আ আবীর আকাশ, লক্ষ্মীপুর

প্রকাশিত: ২৬ অক্টোবর ২০২০  

পঠিত: ২৮৫
ছবি- প্রতিদিনের চিত্র

ছবি- প্রতিদিনের চিত্র


কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার হায়দারগঞ্জ বাজারে অবস্থিত মিল্কভিটা কোম্পানির ম্যানেজারের বিরুদ্ধে। দুধ উৎপাদন, বিপনন, গো-খাদ্য, ঔষধ ও উপকরণ ক্রয়-বিক্রয়ে অনিয়মের মধ্যেই চলছে লক্ষ্মীপুরের রায়পুরের মিল্কভিটা দুগ্ধ শীতলীকরণ ও মহিষের কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র। এখানকার তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার ফরহাদুল আলম গত ৪ বছরে প্রতিষ্ঠানটির কোটি টাকার উপরে লোপাট করেছেন বলে খামারীদের অভিযোগ। মিল্কভিটার প্রধান কার্যালয়ের দুই সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি অভিযোগের তদন্ত করছে বলে জানা গেছে।

 

জানা যায়, ২০১৩ সনের জুলাই মাস থেকে ২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত প্রায় ১৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘‘মহিষের কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র’’ স্থাপন প্রকল্পের অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়। এ প্রকল্পে ``সরকার সাড়ে ১৩ কোটি'' টাকা ও ``মিল্কভিটা অনুদান দেয় ৫ কোটি ১১ লাখ'' টাকা। প্রতিদিন এখন প্রায় `দেড়শ লিটার দুধ' উৎপাদন হয়। প্রতিদিন প্রায় ৬শ’ কেজি দানাদার খাদ্য ও প্রায় ১২শ’ কেজি খড় লাগে।

 

লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, এ তত্বাবধায়ক এখানে যোগদানের পর থেকে গরুর খাবার কেনা বাবদ লক্ষ লক্ষ টাকার আর্থিক অনিয়ম করেছেন। ২০১৮ সালের ১৪ ডিসেম্বর দু’শ লিটার মহিষের দুধ বাইরে ব্যাক্তি পর্যায়ে বিক্রয়ের টাকা আত্নসাত করেন। ২০১৯ সালের ২৫ ডিসেম্বর কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান সরেজমিন আসলে তদন্তে ধরা পড়লে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ওই টাকা জমা দেয়া হয়। বিভিন্ন প্রকার ওষুধ ক্রয়ের নামে-বেনামে ভাউচার বানায়ে তার মাধ্যমে আত্নসাৎ করেন। দুগ্ধ কারখানার জেনারেটরের তেল কেনার জন্য ‘ভুয়া ভাউচারে’ প্রতি মাসে দুই হাজার টাকা করে আত্নসাত করে আসছেন তিনি। উল্লেখিত ৪টি খাতসহ বিভিন্ন খাতের দুর্নীতির অভিযোগ এনে তত্বাবধায়কের (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) অপসারণসহ কারখানার দুগ্ধ সংগ্রহ চালুকরণের দাবিতে ৫ খামার সভাপতি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয় ও দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেন।

 

তারা আরও জানান, খড়ের মুল্য ১১ টাকা করে সাড়ে ৪ হাজার কেজির পরিবর্তে ১৪ টাকা করে সাড়ে ৭ হাজার টাকা ভাউচারে লেখা, ভ্যাট দেন বিক্রেতা, কিন্তু তিনি ভাউচার দেন ক্রেতার। দেড় বছর পর খামারিদের অভিযোগের ভিত্তিতে ২০৪ লিটার দুধের দাম জমা দেয়া হয়। খুচরা ‘দুধ বিক্রি’ করেছেন ৫০ হাজার টাকার আর ‘গরুর খাবার খড়’ কিনে ভাউচার করেন ৬৫ হাজার টাকা।

 

রায়পুরের তত্ত্বাবধায়ক (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) ডাক্তার ফরহাদুল আলম বলেন, আমি ২০১৭ সালের ১২ ডিসেম্বর যোগদান করি। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হচেছ। খড় ক্রেতাদের ভাউচার না থাকায় আমরা ভাউচার বানিয়ে নিতে হয়।

 

আরো পড়ুন

করোনা ভাইরাসে দেশে আরো ১৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১,৪৩৬

 

বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় ইউনিয়ন লি: (মিল্কভিটা)’র এডিশনাল জিএম (এডমিন) তোফায়েল আহাম্মদ বলেন, অভিযোগগুলোর বিষয়ে তিনিসহ দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি সরেজমিন কাজ করছে। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের বিষয়ে কথা বলা যাবে না। সহসা চেয়ারম্যান বরাবর প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

এই বিভাগের আরো খবর