ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২৬ মে ২০২২,   জ্যৈষ্ঠ ১২ ১৪২৯

ব্রেকিং:
চট্টগ্রাম, গাজীপুর, কক্সবাজার, নারায়ানগঞ্জ, পাবনা, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ ব্যুরো / জেলা প্রতিনিধি`র জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদন পাঠানোর আহ্বান করা হচ্ছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা- স্নাতক, অভিজ্ঞদের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল যোগ্য। দৈনিক প্রতিদিনের চিত্র পত্রিকার `প্রিন্ট এবং অনলাইন পোর্টাল`-এ প্রতিনিধি নিয়োগ পেতে অথবা `যেকোন বিষয়ে` আর্থিক লেনদেন না করার জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের এবং প্রতিনিধিদের অনুরোধ করা হল।
সর্বশেষ:
ডাক্তারদের ফাঁকিবাজি রুখতে হাজিরা খাতায় দিনে তিনবার সই করার নির্দেশ! ১০০০ জনবল নিয়োগ দেবে ওয়ালটন ঢাকায় আসছে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি সরকারকে ৬ দিনের আল্টিমেটাম ইমরান খানের ফাইনালের পথে বেঙ্গালুরু, লখনৌর বিদায় সেনেগালে হাসপাতালে আগুন; ১১ নবজাতকের মৃত্যু বিশ্বব্যাপী মাঙ্কিপক্স আক্রান্ত ২০০ ছাড়িয়েছে ঢাবিতে ফের ছাত্রলীগ-ছাত্রদল সংঘর্ষ

ক্যাসিনোকাণ্ড: এনু-রুপনসহ ১১ জনের ৭ বছরের কারাদণ্ড

প্রতিদিনের চিত্র বিডি ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৫ এপ্রিল ২০২২  

ছবি- সংগৃহীত।

ছবি- সংগৃহীত।

 

রাজধানীর ওয়ারী থানায় অর্থপাচারের অভিযোগে করা মামলায় ক্যাসিনো সহোদর এনামুল হক এনু ও রুপন ভূঁইয়াসহ ১১ আসামিকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া তাদেরকে চার কোটি টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। প্রত্যেক আসামিকে এই টাকা ভাগ করে দিতে হবে।

 

সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকার পাঁচ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ইকবাল হোসেনের আদালতে এ রায় ঘোষণা করা হয়। পাঁচ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের পিপি শওকত আলম এই রায় ঘোষণায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

 

তবে রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন আসামীপক্ষের আইনজীবী এহসানুল হক সমাধি। তিনি বলেছেন, ‘এই মামলায় যেসব তথ্য প্রমাণ হাজির করা হয়েছে- তাতে আসামিদের খালাস হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আদালত তাদের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন। এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে।’

 

এর আগে গত ৬ এপ্রিল বিচারক মোহাম্মদ ইকবাল হোসেনের আদালতে এ মামলার রায় ঘোষণার জন্য নির্ধারিত ছিল। কিন্তু বিচারক ছুটিতে থাকায় রায়ের জন্য পরবর্তী দিন ঠিক করেন।

 

গত ১৬ মার্চ উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে এ দিন ধার্য করেছিলেন আদালত। জানা যায়, ২০১৯ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানে ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের ক্যাসিনো খেলা পরিচালনাকারী এনুর কর্মচারী আবুল কালাম আজাদের ওয়ারীর লালমোহন সাহা স্ট্রিটের বাড়ি ঘেরাও করে র‌্যাব। কালামের স্ত্রী ও মেয়ের দেখানো চতুর্থ তলার বাড়ির দ্বিতীয় তলা থেকে দুই কোটি টাকা উদ্ধার করে র‌্যাব। এ ঘটনায় র‌্যাব-৩ এর পুলিশ পরিদর্শক জিয়াউল হাসান ওই বছর ২৫ নভেম্বর ওয়ারী থানায় অর্থপাচার আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলা তদন্ত করে ২০২০ সালের ২১ জুলাই ১১ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করে সিআইডি পুলিশ। পরে গত বছরের ৫ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করেন আদালত।

 

মামলার অপর আসামিরা হলেন- মেরাজুল হক ভূঁইয়া শিপলু, রশিদুল হক ভূঁইয়া, সহিদুল হক ভূঁইয়া, জয় গোপাল সরকার, পাভেল রহমান, তুহিন মুন্সি, আবুল কালাম আজাদ, নবীর হোসেন শিকদার ও সাইফুল ইসলাম। এদের মধ্যে শিপলু, রশিদুল, সহিদুল ও পাভেল মামলার শুরু থেকে পলাতক রয়েছেন। তুহিন জামিনে আছেন। অন্য ৬ আসামি কারাগারে আছেন। মামলাটির বিচার চলাকালে ২০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত। অর্থপাচার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বিভিন্ন থানায় তাদের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা হয়।

এই বিভাগের আরো খবর