ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৬ অক্টোবর ২০২১,   কার্তিক ১০ ১৪২৮

ব্রেকিং:
দৈনিক প্রতিদিনের চিত্র পত্রিকার `প্রিন্ট এবং অনলাইন ভার্সন`-এ প্রতিনিধি নিয়োগ পেতে আর্থিক লেনদেন না করার জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের অনুরোধ করা হল। নিয়োগ পেতে কেউ অসদুপায়ে আর্থিক লেন-দেন করে থাকলে তার জন্য কর্তৃপক্ষ (প্রকাশক ও সম্পাদক) দায়ী থাকবেনা।
সর্বশেষ:
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে ত্যাগীদের নাম পাঠানোর নির্দেশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ডিও লেটার জালিয়াতি, সতর্কতা জারি সাহেদকে জামিন দিতে হাইকোর্টের রুল আফগানিস্তান সীমান্তে আগ্রাসনের বিরুদ্ধে তালেবানের হুঁশিয়ারি সুদানের প্রধানমন্ত্রী আব্দাল্লাহ হামদক গৃহবন্দি বাংলাদেশে কেউ সংখ্যালঘু নয়: তথ্যমন্ত্রী

খাগড়াছড়িতে ৫৫মণ্ডপে অনুষ্ঠিত হবে শারদীয় উৎসব

দহেন বিকাশ ত্রিপুরা, খাগড়াছড়ি

প্রকাশিত: ৯ অক্টোবর ২০২১  

ছবি- প্রতিদিনের চিত্র।

ছবি- প্রতিদিনের চিত্র।


খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার নয়টি উপজেলায় এবার ৫৫টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপিত হবে। জেলার মণ্ডপগুলোতে এখন চলছে পূজার প্রস্তুতি। পূজাকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলায় নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

 

জেলা সদরের কয়েকটি মণ্ডপে গিয়ে দেখা যায়, সনাতন ধর্মাবলম্বী হিন্দু ও ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজাকে ঘিরে চলছে নানা কর্ম পরিকল্পনা। অধিকাংশ মণ্ডপে মৃশিল্পীদের হাতের নিপুণ ছোঁয়ায় দেবীদুর্গার বিমূর্ত অবয়ব ফুটে ওঠেছে। এরই মধ্যে রঙতুলির কাজ শুরু হয়েছে।

 

এবার বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ খাগড়াছড়ি জেলা শাখার তালিকা অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি পূজা হবে খাগড়াছড়ি সদর উপজেলায়। একটি ঘটপূজাসহ মোট পূজা হবে ২০টি। পানছড়ি উপজেলায় মোট পূজা হবে ১০টি। দীঘিনালা উপজেলায় পূজা মণ্ডপ হবে ৭টি। এছাড়াও মাটিরাঙ্গায় ৬টি, গুইমারায় ৪টি, মানিকছড়িতে ৩টি, মহালছড়িতে ২টি, রামগড়ে ২টি, ও লক্ষীছড়িতে ১টি পূজাসহ মোট ৫৫টির মধ্যে ৫৪টি প্রতিমা পূজা, ৩টি স্থায়ী প্রতিমা পূজা, ১টি ঘট পূজা হবে বলে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক, সাংবাদিক তরুণ কুমার ভট্টাচার্য্য।

 

 

পাঁচ মাইল দূর্গা বাড়ী মন্দিরের কমিটির সদস্য ডেনি বিকাশ ত্রিপুরা বলেন, আমরা দীর্ঘ ২৭বছর ধরে পূজা উদযাপন করে আসছি। কিন্তু গত বছর করোনা মহামারী কারণে পূজায় আনুষ্ঠানিকতা মাত্র করতে হয়েছিল। এবছর করোনা পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসায় পুরো জাঁকজমকপূর্ণ করতে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তবে প্রশাসনের সহযোগিতা আশা করেন তিনি।

 

স্থানীয় কার্বারী ননে রঞ্জন ত্রিপুরা বলেন, প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও আমরা মায়ের পূজা করতে প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমরা যেন করোনা থেকে মুক্ত হয়।

 

খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবদুল আজিজ জানান, শারদীয় দুর্গোৎসবের সময় সব পূজামণ্ডপে পুলিশ প্রশাসন থাকবে। পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতিটি মণ্ডপে স্বাস্থ্য বিধি মেনে পুলিশ ও আনসারসহ পুলিশের বিশেষ টিম নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।

এই বিভাগের আরো খবর