ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ১২ ডিসেম্বর ২০১৯,   অগ্রাহায়ণ ২৭ ১৪২৬

ব্রেকিং:
খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি- দুই পক্ষের ৩০ জন করে আইনজীবী থাকার অনুমতি দিয়েছে আপিল বিভাগ
সর্বশেষ:
আদালতকে ভয় দেখাচ্ছে বিএনপি- কাদের আজ ব্রিটেনের আগাম জাতীয় নির্বাচন সুন্দরবন পরিদর্শনে জাতিসংঘের প্রতিনিধি দল আজ দিল্লী যাচ্ছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন আজ খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি আজ আইসিজেতে শুনানির শেষ দিন ফকিরাপুল থেকে ২ জনের মরদেহ উদ্ধার না ফেরার দেশে চলে গেলেন মেরি ফ্রেড্রিকসন মওলানা ভাসানীর জন্মদিন আজ আজ ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস

খেলার ফাঁকে বৈঠকে বসবেন হাসিনা-মমতা

প্রতিদিনের চিত্র ডেস্ক

প্রকাশিত: ২২ নভেম্বর ২০১৯  

পঠিত: ৯৪
ছবি - সংগৃহীত

ছবি - সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী কলকাতা সফর মূলত ইডেনে ভারত-বাংলাদেশ দিন-রাতের ক্রিকেট ম্যাচ উপলক্ষে। সেই ফাঁকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তিনি একান্তে বৈঠকও করবেন। গোলাপি বলে ম্যাচের তুলনায়, এই বৈঠকের আকর্ষণও কোনও অংশে কম নয়। দিল্লির পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ে সূত্রে খবর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আমন্ত্রণেই শেখ হাসিনার এই সফর। দিল্লির পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় সূত্র জানায় , প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আমন্ত্রণেই শেখ হাসিনার এই সফর। তবে মোদী নিজে থাকতে পারছেন না। ঠিক ছিল, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ইডেনে উপস্থিত থাকবেন। শেষ মুহূর্তে তিনিও আসতে পারছেন না বলে খবর।

 তিস্তার জলবণ্টন চুক্তি ছাড়াও পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক যে সব বিষয় এখনও অমীমাংসিত, তা নিয়েই মমতা বন্দ্যেপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলবেন হাসিনা। বৃহস্পতিবার বহরমপুরে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ‘বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তিন বার আমার দেখা হবে। দুপুরে ইডেনে, সন্ধ্যায় তাজ বেঙ্গল হোটেলে, পরে আবার ইডেনে— সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে।’

তবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিস্তা চুক্তির বিষয়টি সম্ভবত হাসিনা উত্থাপন করবেন না। ওই সূত্র জানাচ্ছে, তিস্তা নিয়ে মোদী সরকারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছে ঢাকা। এ বিষয়ে সহমত তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে বলে কয়েক মাস আগে হাসিনার দিল্লি সফরের সময়ে মোদী সরকারের তরফে আশ্বস্ত করা হয়েছে।

রাজ্যের স্বার্থে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে তিস্তা চুক্তির বিরোধী, হাসিনা সে সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। মমতা স্পষ্ট জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করে কোনও চুক্তি তিনি চান না। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে হাসিনার মধুর সম্পর্কের উল্লেখ করে বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে, সেই আন্তরিকতাকে আরও বাড়িয়ে তোলাই হাসিনার উদ্দেশ্য। তাই সৌজন্যের আবহ রেখেই দুই নেত্রী কথা বলবেন।

তবে, কলকাতায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত বাড়িগুলি এবং কলকাতায় স্বাধীন বাংলা সরকারের সদর দফতর বলে চিহ্নিত বাড়ির সংরক্ষণের প্রস্তাব হাসিনা দিতে পারেন। আগামী বছর শেখ মুজিবের জন্মশতবর্ষ। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী চান, বঙ্গবন্ধুর স্মারক ভবনগুলির সঙ্গে ওই বাড়িটিও সংরক্ষণ করে প্রদর্শনশালা করা হোক। এই সময়

এই বিভাগের আরো খবর