Berger Paint

ঢাকা, রোববার   ২৯ মার্চ ২০২০,   চৈত্র ১৫ ১৪২৬

ব্রেকিং:
দেশে নতুন করে কেউ করোনায় আক্রান্ত হননি: আইইডিসিআর
Corona Virus Hotline
সর্বশেষ:
আজ সাধারণ ছুটির চতুর্থ দিন চলছে টিভিতে `আমার ঘরে আমার ক্লাস` শুরু হয়েছে সকাল ৯টায় করোনা ভাইরাসে ইতালিতে মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়াল বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা ৩০ হাজার ছাড়িয়েছে আজ থেকে ইউরোপে ঘড়ির কাঁটা ১ ঘণ্টা এগিয়ে যাচ্ছে

গাছের ডাক্তার কুকুর,সফল গভেষণা!

categorydesk

প্রকাশিত: ৫ জুলাই ২০১৮   আপডেট: ৫ জুলাই ২০১৮

পঠিত: ৯৬

গাছের রোগ শনাক্ত করবে প্রবল ঘ্রাণশক্তিসম্পন্ন প্রাণী কুকুর। এরই মধ্যে পর্যবেক্ষণভিত্তিক ওই গবেষণার ফল এরই মধ্যে নিবন্ধ আকারে হর্টটেকনোলজি জার্নালের সর্বশেষ সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে। নিবন্ধের শিরোনাম ‘অ্যান ইভ্যালুয়েশন অব সেন্ট-ডিসক্রিমিনেটিং ক্যানাইনস ফর র‌্যাপিড রেসপন্স টু এগ্রিকালচারাল ডিজিজ’।

জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ফ্লোরিডা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির গবেষকরা সম্প্রতি অ্যাভোকাডো গাছের লরেল উইল্ট রোগ (গুল্ম-জাতীয় বৃক্ষের এক ধরনের ভাইরাসজনিত কা- পচা রোগ) শনাক্তে কুকুরের সহায়তা নিয়েছেন। জুলিয়ান মেন্ডেল, কেনেথ জি ফারটন ও ডিয়েটা মিলস নামের তিন গবেষকের উদ্ভাবিত এ পদ্ধতি উদ্যানতত্ত্ববিদদের প্রায়ই মুখোমুখি এক গভীর সমস্যা সমাধানের পথ দেখাবে বলে আশাবাদী সংশ্লিষ্টরা।

বলা হয়েছে, লরেল উইল্ট ডিজিজের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত ৩০ কোটিরও বেশি লরেল-জাতীয় গাছ মরে গেছে। এসব প্রজাতির মধ্যে সম্ভবত অ্যাভোকাডোই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ফ্লোরিডায় সিট্রাস-জাতীয় ফলের পর অর্থনৈতিকভাবে সবচেয়ে বেশ গুরুত্বপূর্ণ হলো অ্যাভোকাডো। গত মৌসুমে দক্ষিণ ফ্লোরিডার লরেল চাষীদের মাথায় বাজ ভেঙ্গে পড়েছে। মার্কিন অঙ্গরাজ্য ক্যালিফোর্নিয়া প্রতিবেশী দেশ মেক্সিকোর কৃষকদের মধ্যেও বেশ আতঙ্ক দেখা দেয়

কারণ লরেল উইল্ট ডিজিজ একবার ভালোমতো ধরতে পারলে সংশ্লিষ্ট গাছটির আর বেঁচে থাকার কোনো আশাই থাকে না। মূলত রেডবে অ্যাম্ব্রোসিয়া বিটল নামে এক ধরনের পোকা রোগের ভাইরাসের বাহক। পোকাটির উদ্ভব মূলত এশিয়ায়। বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত কাঠের প্যাকিং সামগ্রীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে আগমন ঘটে পোকাটির। রোগ একবার দেখা দিলে তা নিয়ন্ত্রণ করা অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়লে চেষ্টা করা যায়। তাই প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়া ঠেকানোর জন্যও রোগটি প্রাথমিক অবস্থায়ই শনাক্তকরণ অনেক বেশি জরুরি

এই চিন্তা করেই তিন গবেষক কাজ শুরু করেন। এজন্য তিনটি কুকুরকে বিশেষভাবে প্রশিক্ষণ দেন গবেষকরা। এরপর শুধু গন্ধের মাধ্যমে তাদের লরেল উইল্ট ডিজিজ শনাক্তের ক্ষমতাও পর্যবেক্ষণ করা হয়। দেখা গেছে, কুকুর বিভিন্ন ধরনের আগাছা গাছে অবস্থানকারী নানা প্রজাতির পতঙ্গ সরীসৃপ শনাক্ত করতে পারে। এমনকি যেকোনো স্থানের বাতাসে ভেসে বেড়ানো যেকোনো ঘ্রাণকণার - পিপিটিও (পার্টস পার ট্রিলিয়ন) শনাক্ত করতে পারে কুকুর। তাদের শক্তিই কাজে লাগিয়ে মার্কিন অ্যাভোকাডোচাষীদের ফলন সুরক্ষার পথ দেখিয়ে দিলেন গবেষকরা