Berger Paint

ঢাকা, শনিবার   ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩,   মাঘ ২২ ১৪২৯

ব্রেকিং:
চট্টগ্রাম, গাজীপুর, কক্সবাজার, নারায়ানগঞ্জ, পাবনা, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ ব্যুরো / জেলা প্রতিনিধি`র জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদন পাঠানোর আহ্বান করা হচ্ছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা- স্নাতক, অভিজ্ঞদের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল যোগ্য। দৈনিক প্রতিদিনের চিত্র পত্রিকার `প্রিন্ট এবং অনলাইন পোর্টাল`-এ প্রতিনিধি নিয়োগ পেতে অথবা `যেকোন বিষয়ে` আর্থিক লেনদেন না করার জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের এবং প্রতিনিধিদের অনুরোধ করা হল।
সর্বশেষ:
সৌদি আরবে এক বছরে ১৪৭ জনের মৃত্যুদণ্ড আ.লীগ জনগণকে দেওয়া ওয়াদা পূরণ করে : প্রধানমন্ত্রী বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজের খরচ বাড়ল দেড় লাখ মিয়ানমারে জরুরি অবস্থা আরও ছয় মাস বাড়ল আমি বাংলাদেশে বাবার কাছে থাকতে চাই: লায়লা রিনা

চিকিৎসা বর্জ্যের স্বাস্থ্য ঝুঁকি ও পরিবেশ দূষণ

মো. জিল্লুর রহমান

প্রকাশিত: ৪ জানুয়ারি ২০২৩  

মো. জিল্লুর রহমান। ছবি- প্রতিদিনেরচিত্র বিডি

মো. জিল্লুর রহমান। ছবি- প্রতিদিনেরচিত্র বিডি


রিবেশ ও মানবস্বাস্থ্যের জন্য চিকিৎসা বর্জ্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে নগরায়নের ফলে অপরিকল্পিত হাসপাতাল ও ক্লিনিক গড়ে ওঠার কারণে চিকিৎসা বর্জ্যের দূষণ পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই অবস্থাকে কঠিন করে তুলছে চিকিৎসা বর্জ্যের দুর্বল ব্যবস্থাপনা এবং ক্ষেত্র বিশেষে চরম অব্যবস্থাপনা। ফলে চিকিৎসা সেবার সঙ্গে জড়িত ডাক্তার, নার্স, ওয়ার্ডবয়, ল্যাব টেকনিশিয়ান, পরিচ্ছন্নতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ দর্শনার্থী পর্যন্ত নানা ধরনের কঠিন ব্যধিতে আক্রান্ত হচ্ছে। আবার মাটি, পানি ও বাতাসেও এসব দূষণ ছড়িয়ে পড়ছে।

 

আসলে যেকোনো ধরনের বর্জ্য, যদি তা থেকে সংক্রমণের সম্ভাবনা বা ভয় থাকে, তবে তাকে চিকিৎসা বর্জ্য বলা হয় অর্থাৎ চিকিৎসা সেবার সঙ্গে সম্পর্কিত যেকোন ধরনের বর্জ্য যেগুলো ডাক্তারের অফিস, হাসপাতাল, ল্যাবরেটরীতে চিকিৎসা গবেষণা ক্ষেত্র, দন্ত চিকিৎসকের চেম্বার, ব্লাডব্যাংক, প্রবীণদের জন্য নার্সিং হোম এবং পশু হাসপাতাল থেকে উৎপন্ন হয় তার সবকিছুই চিকিৎসা বর্জ্যের অন্তর্ভুক্ত। বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থা চিকিৎসা বর্জ্যকে প্রধানত দুটি শ্রেণীতে ভাগ করেছে। প্রথমত সাধারণ চিকিৎসা সেবা সম্পর্কিত বর্জ্য যেগুলো সংক্রমণের সম্ভাবনাহীন বস্তু যেমন- প্রাণীর টিস্যু, অফিস পেপার, ঝাড়ুযোগ্য আবর্জনা, রান্নাঘরের আবর্জনা প্রভৃতি। দ্বিতীয়ত ঝুঁকিপূর্ণ বা বিপদজনক চিকিৎসা সংক্রান্ত বর্জ্য যেমন- নিডল, ছুরি-কাঁচি, ব্লেড এবং মানব টিস্যু, তরল ও সংক্রমণের সম্ভাবনাসহ যে কোন বস্তু।

 

১৯৮৮ সালের “মেডিকেল ওয়াস্ট ট্রাকিং এ্যাক্ট” এর সংজ্ঞা অনুযায়ী চিকিৎসা গবেষণা, পরীক্ষণ, রোগ নির্ণয়, প্রতিষেধক প্রদান অথবা মানুষ ও প্রাণীর চিকিৎসা দিতে গিয়ে উদ্ভূত যেকোন বর্জ্যকে চিকিৎসা বর্জ্য বলে। যেমন- কালচার করা ডিশ, যেকোন কাঁচের পাত্র, গজ, ব্যান্ডেজ, তুলা, মাস্ক, গ্লাভস, বাতিল হওয়া ছুরি-কাঁচি, সূচ, স্যালাইন ব্যাগ, রক্তের ব্যাগ, সংগৃহীত লালা, কফের নমুনা, দেহরস, টিস্যু, টিউমার, মানব অঙ্গ প্রত্যঙ্গ প্রভৃতি। চিকিৎসা বর্জ্যকে ভিন্ন ভিন্ন অনেক নামে অভিহিত করা হলেও সবগুলোর মৌলিক বিষয়বস্তু এক অর্থাৎ চিকিৎসা সেবা দিতে গিয়ে উদ্ভূত এসব বস্তু, সংক্রমণের সম্ভাবনা বাড়িয়ে তোলে।

 

এসব চিকিৎসা বর্জ্য থেকে প্রতিনিয়ত বিষাক্ত দ্রব্য, ক্ষতিকর ধাতু ও রাসায়নিক পদার্থ মাটি, পানি ও বাতাসের সাথে প্রতিনিয়ত মিশে যাচ্ছে। পরিবেশ অধিদফতর থেকে এসব বর্জ্যের ব্যবস্থাপনার জন্য উপযুক্ত কোনো দিকনির্দেশনা না থাকায় সাধারণ বর্জ্যের মতোই তার ব্যবস্থাপনা করা হচ্ছে। চিকিৎসা বর্জ্যকে অবশ্যই জনস্বাস্থ্যসহ পরিবেশ বিপর্যয়ের একটি বড় কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। বাংলাদেশের সর্বত্র চিকিৎসা ব্যবস্থার পরিসর অনেকাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে, সেই সঙ্গে প্রতিনিয়তই বাড়ছে ডিসপোজেবল চিকিৎসা সামগ্রীর ব্যবহার। প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ চিকিৎসা বর্জ্য তৈরি হচ্ছে। এই বর্জ্যের বেশির ভাগই কমবেশি সংক্রামক জীবাণুর বাহক। তবে দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি, চিকিৎসা ক্ষেত্রে উৎপন্ন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মানদন্ড বিবেচনায় বাংলাদেশের অবস্থান একেবারে নাজুক। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতিটি হাসপাতালের নকশায় চিকিৎসা বর্জ্যের নিরাপদ নিষ্কাশন ব্যবস্থা নির্দিষ্ট করা থাকতে হবে। চিকিৎসায় উৎপন্ন বর্জ্য পদার্থ ব্যবস্থাপনায় পৃথিবীর বেশিরভাগ হাসপাতালে মেডিকেল ইনসিনেরেটর এবং অটোক্লেভ বা দহন যন্ত্র রয়েছে। এ ছাড়াও তরল জাতীয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় রয়েছে লিকুইড ট্রিটমেন্ট প্লান্টসহ আধুনিক যন্ত্রপাতি। কিন্তু আমাদের দেশের হাসপাতালগুলো এখনও বিশ্বমানের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা অর্জন করতে সক্ষম নয়। বাংলাদেশের চিকিৎসা বর্জ্যের ব্যবস্থাপনা সিটি করপোরেশনের মাধ্যমে পরিচালিত হয় এবং কোনো সুনির্দিষ্ট নীতিমালা না থাকায় যাচ্ছে তাই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করা হয়, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ঝুকিপূর্ণ।

 

আমাদের দেশের অধিকাংশ হাসপাতালের বর্জ্য যত্রতত্র ফেলার কারণে হাসপাতাল এলাকার বাতাসে সর্বত্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। অনেক হাসপাতালের আশেপাশে ও তৎসংলগ্ন আবাসিক এলাকায় টনে টনে চিকিৎসা বর্জ্য ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে। ফলে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা বহিঃর্বিভাগ ও অভ্যন্তরীণ বিভাগের রোগীসহ ওই এলাকার বাসিন্দারা চিকিৎসা বর্জ্যের দুর্গন্ধ ও মারাত্মক পরিবেশ দূষণের শিকার হয়ে নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব বর্জ্য এতটাই ক্ষতিকারক যে একজন সুস্থ মানুষকে অসুস্থ্য করতে মাত্র পাঁচ মিনিটই যথেষ্ঠ। তবে হাসাপাতালের এসব চিকিৎসা বর্জ্য কোথায় ফেলা হবে বা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের করণীয় কী তার সঠিক সমাধান অনেক হাসাপাতালেরই নেই। বিশেষ করে প্রত্যন্ত এলাকার হাসাপাতাল গুলোর চিকিৎসা বর্জ্যের ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত নাজুক ও শোচনীয়। অনেকে হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের পর রোগীর শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করা অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সাধারণত মাটিতে পুঁতে ফেলা হয় কিন্তু গজ ব্যান্ডিজসহ সাধারণ বর্জ্যগুলো হাসপাতালের ডাস্টবিনে ফেলা হয়। এসব বর্জ্য জমে মাঝে মাঝে ছড়িয়ে পড়ে দূর্গন্ধ, যা মানবদেহ ও পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। বর্ষামৌসুমে এসব বর্জ্য পানিতে মিশে খাল বিল, পুকুর ডোবা, নদীতে মিশে পানিকে দূষিত করে তোলে। অন্যদিকে শুষ্ক মৌসুমে এসব বর্জ্য অপরিকল্পিতভাবে আগুনে পোড়ার সময় আশেপাশের বাতাসে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। আবার এমন অনেক বর্জ্য আছে যা সাধারণত আগুনে পুড়ে না এবং  মাটির সাথে দীর্ঘদিন মিশে থাকার কারণে মাটির ক্ষয় সৃষ্টি করে।

 

সম্প্রতি ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) চিকিৎসা বর্জ্যের জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়ে ‘চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক একটি গবেষণা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় হাসপাতালের বর্জ্য জীবাণুমুক্ত না করেই একটি চক্র বাইরে বিক্রি করে দিচ্ছে যা আবার নানা হাত ঘুরে স্থান করে নিচ্ছে বিভিন্ন ওষুধের দোকান, হাসপাতাল ও ক্লিনিকে। উক্ত গবেষণা প্রতিবেদন বলা হয়- হাসপাতালের দুই ধরনের চিকিৎসা বর্জ্য অবৈধভাবে বাইরে বিক্রি করা হয়, পুনঃব্যবহারযোগ্য বর্জ্য ও পুনঃচক্রায়নযোগ্য বর্জ্য। হাসপাতালের কর্মীদের একটি সিন্ডিকেট চক্র পুনঃব্যবহারযোগ্য বর্জ্য যেমন, ব্যবহৃত কাচের বোতল, সিরিঞ্জ, স্যালাইন ব্যাগ ও রাবার/প্লাস্টিক নল নষ্ট না করে পুনঃব্যবহারযোগ্য বর্জ্য সংগ্রহকারীর কাছে বিক্রি করে দেয়। পরবর্তীতে এই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পুনঃব্যবহারযোগ্য বর্জ্য সঠিক প্রক্রিয়ায় জীবাণুমুক্ত না করেই পরিষ্কার ও প্যাকেটজাত করে ওষুধের দোকান, বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে বিক্রি করে দেয়। এসব উপকরণ সঠিকভাবে জীবানুমুক্ত করা হয় না। ফলে এসব উপকরণ পুনঃব্যবহারে এইচআইভিসহ মারাত্মক সংক্রামক রোগের ঝুঁকি রয়েছে। একইভাবে ওই সিন্ডিকেট চক্র পুনঃচক্রায়নযোগ্য চিকিৎসা বর্জ্য (ব্যবহৃত সিরিঞ্জ, ব্লেড, ছুরি, কাঁচি, রক্তের ব্যাগ ও নল, ধাতব উপকরণ ইত্যাদি) নষ্ট/ধ্বংস না করে সংক্রামিত অবস্থাতেই ভাঙ্গারির দোকানে এবং রিসাইক্লিং কারখানাগুলোতে বিক্রি করে দেয়। সংক্রমিত অবস্থায় এসব বর্জ্য পরিবহণ করার ফলে এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মী ও রিসাইক্লিং কারখানার কর্মীদের বিভিন্ন সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হওয়া এবং পরিবেশ দূষণের ঝুঁকি বাড়ে। টিআইবি একটি জেলার বিভিন্ন হাসপাতালের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রতিদিন প্রায় ৩ হাজার ৫০০ কেজি প্লাস্টিক চিকিৎসা বর্জ্য অবৈধভাবে বিক্রির অভিযোগ পেয়েছে।

 

গবেষণা প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়- বর্জ্য সংরক্ষণ পাত্রে বর্জ্যের ধরন অনুযায়ী কালার কোড থাকা এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহারের নির্দেশনা থাকলেও হাসপাতালগুলোতে তা পরিপালনের ঘাটতি রয়েছে। সার্বিকভাবে ২৯ শতাংশ হাসপতালের বর্জ্য সংরক্ষণের পাত্রে কালার কোড নেই এবং ৫১ শতাংশ পাত্রে সাংকেতিক চিহ্ন নেই। এছাড়া কোভিড-১৯ ও সাধারণ চিকিৎসা বর্জ্য একত্রে সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা হয়। চিকিৎসা বর্জ্য বিধিমালা-২০০৮ অনুযায়ী চিকিৎসা বর্জ্য পুনঃব্যবহার রোধে ব্যবহৃত রাবার/প্লাস্টিক নল ও বিভিন্ন ব্যাগ টুকরো করে কাটার নির্দেশনা থাকলেও তা পরিপালনে ঘাটতি রয়েছে। সার্বিকভাবে ২৮ শতাংশ হাসপাতালে ব্যবহৃত রাবার/প্লাস্টিকের ব্যাগ কাটা হয় না এবং ৩১ শতাংশ হাসপাতালে ব্যবহৃত রাবার/প্লাস্টিকের নল কাটা হয় না। গাইডলাইন অনুযায়ী পুনঃব্যবহার রোধ করার জন্য স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত সূঁচ ব্যবহারের পরপরই ধ্বংস বা গলিয়ে দিতে হয়। দেখা যায়, ৪৯ শতাংশ হাসপাতালে সূচ ধ্বংসকারী (নিডল ডেস্ট্রয়ার) যন্ত্রটি নেই।

 

তাছাড়া ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও বর্জ্যের অবৈধ ব্যবসার অভিযোগ রয়েছে। তারা বর্জ্য নষ্ট না করে কালোবাজারে বিক্রি করে দেয়। টিআইবি একটি সুপরিচিত ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কালোবাজারে প্লাস্টিক চিকিৎসা বর্জ্যের অবৈধ ব্যবসার অভিযোগ পেয়েছে। টিআইবি বলছে, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও সমন্বয়ের ঘাটতি ছাড়াও সক্ষমতা তৈরির ঘাটতি রয়েছে। বর্জ্য বিনষ্ট না করে অনিয়ম, দুর্নীতি, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে জীবাণুমুক্ত না করে বিক্রির ফলে ব্যাপক স্বাস্থ্য ঝুঁকির সৃষ্টি হয়েছে। অন্যদিকে বিগত দুই তিন বছরে করোনা মহামারীর কারণে সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়া, সংক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে সার্জিক্যাল মাস্কের ব্যবহার বৃদ্ধি ও ব্যবহার শেষে যত্রতত্র মাস্কের নিক্ষেপণ এবং ভ্যাকসিন প্রদান ও ব্যবহৃত নিডলের নিক্ষেপ জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি ও পরিবেশ দূষণকে ব্যাপকভাবে বাড়িয়ে তুলেছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর থেকে পরিত্রাণ পাবার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া জরুরী।

 

ব্যাংকার ও কলাম লেখক,
সতিশ সরকার রোড, গেন্ডারিয়া, ঢাকা।

এই বিভাগের আরো খবর