ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২৬ মে ২০২২,   জ্যৈষ্ঠ ১২ ১৪২৯

ব্রেকিং:
চট্টগ্রাম, গাজীপুর, কক্সবাজার, নারায়ানগঞ্জ, পাবনা, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ ব্যুরো / জেলা প্রতিনিধি`র জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদন পাঠানোর আহ্বান করা হচ্ছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা- স্নাতক, অভিজ্ঞদের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল যোগ্য। দৈনিক প্রতিদিনের চিত্র পত্রিকার `প্রিন্ট এবং অনলাইন পোর্টাল`-এ প্রতিনিধি নিয়োগ পেতে অথবা `যেকোন বিষয়ে` আর্থিক লেনদেন না করার জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের এবং প্রতিনিধিদের অনুরোধ করা হল।
সর্বশেষ:
রাজধানীতে বাসা থেকে দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে কলেজছাত্রের আত্মহত্যা বাইডেন যেতেই একসঙ্গে ৩ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল উত্তর কোরিয়া টেক্সাসে স্কুলে গুলি: বাইডেনের ক্ষোভ, পতাকা অর্ধনমিত রাখার ঘোষণা গুলি করে খুন করা হয়েছে অভিনেত্রী পল্লবীকে! জার্মানিতেও ছড়িয়ে পড়ছে মাঙ্কিপক্স মেক্সিকোতে বন্দুকধারীদের হামলায় নিহত ১১

জমি সংক্রান্ত বিরোধে আপোষ মিমাংসার জন্য ডেকে মারপিট

মশিউর রহমান টুটুল, জামালপুর

প্রকাশিত: ৮ অক্টোবর ২০২০  

ছবি- প্রতিদিনের চিত্র

ছবি- প্রতিদিনের চিত্র

 

জামালপুরে মেলান্দহের জমি সংক্রান্ত বিরোধে আপোষ মিমাংসার জন্য সাবেক সেনাবাহিনীর সিভিল কর্মচারী মমতাজ আলী আকন্দকে (৬০) বাসায় ডেকে নিয়ে মারপিট অতপর জোরপূর্বক ফাঁকা স্ট্যামে স্বাক্ষর নেয় ময়ফুল সহ তাঁর সহযোগী দূর্বৃত্তরা। ঘটনাটি ঘটেছে জামালপুরের মেলান্দহের পূর্ব শ্যামপুর গ্রামে। দূর্বৃত্তরা বাদী জিয়াউল হকের বাবা অবসরপ্রাপ্ত সেনাবাহিনীর সিভিল কর্মচারী মমতাজ আলী আকন্দকে শক্ত লাঠি দিয়ে মেরে গুরুতর জখম করে।

 

গতকাল বুধবার ৭অক্টোবর সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় তথ্যমতে জানাযায়, পূর্বসূত্র থেকে ময়ফুল ও তাঁর সঙ্গীরা বিভিন্ন অপকর্মের লিপ্ত অর্থের বিনিময়ে সকল কু-কর্মে জড়িয়ে পড়ে। ময়ফুল স্থানীয় এলাকায় থানার দালাল বলে, বেশ পরিচিত,থানার দালালি কারণে সাধারণ মানুষ ভয়ে মুখ খুলতে পারেনা।

 

আহত অবসরপ্রাপ্ত সেনাবাহিনীর সিভিল কর্মচারী  মমতাজ আলী আকন্দ জানান,যারা আমাকে গুরুতর আহত করেছে তাঁরা আমার নিকটতম আত্মীয়, আমার স্বত্বাধিকার ক্রয়কৃত সম্পত্তি জোরপূর্বক ভাবে ভোগদখলে যেতে চাইলে ময়ফুল। আমি বাধাঁ দিলে আসামী ময়ফুল ডিগ্রি চর তদন্ত ফাঁড়িতে একটি অভিযোগ করে দলিলপত্র লইয়া ৫ অক্টোবর থানায় হাজির হইতে বলে। বাদী জিয়াউল হকের পিতা অবসরপ্রাপ্ত সেনাবাহিনী সিভিল কর্মচারী মমতাজ আলী আকন্দ সময় মত হাজির হইলে, ১নং আসামী ময়ফুল বলেন,আমারা আত্মীয় থানায় যাওয়ার ধরকার নাই,জমির কাগজপত্র নিয়ে আমার বাড়ীতে আসেন। কাগজপত্র দেখিয়া বাড়িতে বসিয়া শান্তিপূর্ণ ভাবে নিষ্পত্তি করিবো। বাদীর পিতা-মমতাজ আলী আকন্দ অতি সহজ সরল বিশ্বাস করিয়া তাঁর ২নং সাক্ষী মৃত-আব্দুল হকের ছেলে মতিউর রহমান, ৩নং সাক্ষী মোঃ হাবুলের ছেলে আব্দুর রশিদ সহ ১নং আসামীর ময়ফুলের হাফ বিল্ডিং ঘরের দক্ষিণ পাশে রুমে প্রবেশ করিলে ১/৩ নং সাক্ষীদের বসতে দিলে নানান ধরনের আলাপচারিতা হতে থাকলে ২নং আসামী মৃত-নওসেদের ছেলে বিদ্যুৎ (৩২),মতির ছেলে মোজা(৩৫),মো: জিরা ছেলে রসুল(৫০), মোহাম্মদ আলীর ছেলে আনছার আলী(৪৫), উক্ত ঘরে প্রবেশ করে ১নং আসামী বিছানার নিচে থেকে ১শত টাকার ৩টি ফাঁকা স্ট্যাম্প কলম দিয়া সাক্ষর করিতে বলেন,১নং আসামী, বাদীর পিতা মমতাজ আলী আকন্দ অলিখিত স্ট্যাম্পে সাক্ষরতা দিতে অস্বীকার করলে, ঘরে আগে থেকেই সাজানো লাঠিশোটা দিয়া এলোপাথাড়ি আক্রমণ করতে থাকে। ২/৩ নং সাক্ষী বাঁধা দিলে একইভাবে আঘাত করে ঘরের কোণে বসাইয়া বলে নড়াচড়া করিলে খ্যুন করিয়া নদীতে ফেলেদেব। প্রাণের ভয়ে চুপচাপ ছিলেন ২/৩ নং সাক্ষী। ১নং সাক্ষীর মাথার উপর ধারালো ছুরি দিয়ে কোপাতে গেলে জীবন লাশের ভয়ে অলিখিত ৩টি স্ট্যাম্পে সাক্ষর করেন। অতপর ঘর থেকে গলা ধাক্কা দিয়ে বাহির করে দেয়। ২/৩নং সাক্ষী ধরাধরি করে ১নং সাক্ষীকে রাস্তায় নিয়ে অটোরিকশা যোগে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনার ১নং সাক্ষীর ছেলে জিয়াউল হক (৪০) খবর পেয়ে দূত ঢাকা থেকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে আসে ,বিস্তারিত জেনে ভুক্তভোগী বিজ্ঞ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন  সি আর মোঃ নং (১)২০২০মোঃদঃবিঃ৩৪২/৩২৩/৩২৫/৩০৭/৩৮৬/৫০৬(‌‌π)ধারা ।

 

বাদী জিয়াউল হক বলেন, আমরা মামলা দায়ের করেছি। জোরপূর্বকভাবে অলিখিত সাক্ষরকৃত স্ট্যাম্প উদ্ধার সহ আদালতের কাছে সুষ্ঠ তদন্ত করে,অপরাধীদের শাস্তি দাবি জানাচ্ছি।

 

 

এই বিভাগের আরো খবর