ঢাকা, শনিবার   ০৪ ডিসেম্বর ২০২১,   অগ্রাহায়ণ ২০ ১৪২৮

ব্রেকিং:
দৈনিক প্রতিদিনের চিত্র পত্রিকার `প্রিন্ট এবং অনলাইন পোর্টাল`-এ প্রতিনিধি নিয়োগ পেতে অথবা `যেকোন কারণে` আর্থিক লেনদেন না করার জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের এবং প্রতিনিধিদের অনুরোধ করা হল।
সর্বশেষ:
ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় `জাওয়াদ` শুরু হচ্ছে বঙ্গভ্যাক্সের প্রথম ট্রায়াল বাংলাদেশকে বিনামূল্যে করোনার আরও টিকা দেবে যুক্তরাষ্ট্র রোনালদোর রেকর্ডের ম্যাচে জয় পেল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড

জুম পাহাড়ের জীবন ধারা

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি 

প্রকাশিত: ১৪ নভেম্বর ২০২১  

ছবি- সংগৃহীত।

ছবি- সংগৃহীত।

পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অধিকাংশই জুম চাষের ওপর নির্ভরশীল। পাহাড়ে জুমের ফসল ফলিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন তারা।

 

পাহাড়ে চাষাবাদ করার সময় মাটি থেকে প্রায় আড়াই-তিন ফুট উঁচুতে বাঁশ ও কাঠ দিয়ে মাচাং ঘর বানান জুমিয়ারা। এখানেই কাজের ফাঁকে খাওয়া-দাওয়া পর্বটি সেরে একটু জিরিয়ে নেন তারা। চাষাবাদ করতে ভোরে ঘর থেকে বের হন জুমিয়ারা। চলে আসেন উঁচ-নিচু সবুজে ঘেরা পাহাড়ে।

 

 বিক্রির জন্য মারফা, কচু, বেগুন, ভুট্টা, আদা, হলুদ, বাঁশ, তিত করলাসহ নানা রকম শাকসবজি নিয়ে দূর-দূরান্ত থেকে হাট-বাজারে আসেন। পুরুষের চেয়ে পাহাড়ি নারীরা বেশি পরিশ্রমী। সংসার সামাল দেওয়া, জুম চাষ করা এবং জুম থেকে ঝুঁড়িতে করে কৃষিপণ্য মাথায় নিয়ে হাট-বাজারে ছুটে যান তারা।

 

পাহাড়ের স্থানীয় খাবারের তালিকায় যে নামটি প্রথমে আসে সেটি হলো কচি বাঁশ। হরেক পদের খাবারে বাড়তি মাত্রা যোগ করে এটি। মাংস কিংবা সবজি- বাঁশ থাকবেই। এছাড়া বাঁশ সিদ্ধ কিংবা বাঁশ দিয়ে রান্না করা ডাল ভোজনরসিকের ষোলআনা পূর্ণ করে।