ঢাকা, বুধবার   ১০ আগস্ট ২০২২,   শ্রাবণ ২৬ ১৪২৯

ব্রেকিং:
চট্টগ্রাম, গাজীপুর, কক্সবাজার, নারায়ানগঞ্জ, পাবনা, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ ব্যুরো / জেলা প্রতিনিধি`র জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদন পাঠানোর আহ্বান করা হচ্ছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা- স্নাতক, অভিজ্ঞদের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল যোগ্য। দৈনিক প্রতিদিনের চিত্র পত্রিকার `প্রিন্ট এবং অনলাইন পোর্টাল`-এ প্রতিনিধি নিয়োগ পেতে অথবা `যেকোন বিষয়ে` আর্থিক লেনদেন না করার জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের এবং প্রতিনিধিদের অনুরোধ করা হল।
সর্বশেষ:
বিশ্বকাপের জন্য আকর্ষণীয় জার্সি উন্মোচন ব্রাজিলের চার বছর পর মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো শুরু আত্মঘাতী হামলায় পাকিস্তানের ৪ সেনা নিহত গাজায় অস্ত্রবিরতিতে জাতিসংঘের প্রশংসা আশুরার শোক মিছিলে নাইজেরিয়ার সেনাদের হামলা; বহু হতাহত ইসরাইলি দখলদারিত্ব শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমাদের সংগ্রাম চলবে: হামাস ট্রাম্পের বাড়িতে এফবিআইয়ের অভিযান

জ্বালানি সঙ্কট নিরসনে সরকারের সাশ্রয়ী সিদ্ধান্ত ও আমাদের করণীয়

মো. জিল্লুর রহমান

প্রকাশিত: ২৭ জুলাই ২০২২  

মো. জিল্লুর রহমান, ছবি- প্রতিদিনেরচিত্র বিডি।

মো. জিল্লুর রহমান, ছবি- প্রতিদিনেরচিত্র বিডি।

 

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের উর্দ্ধমুখিতার কারণে আমদানি নির্ভর জ্বালানি পণ্য আমদানি ও সরবরাহে হিমশিম খাচ্ছে সরকার। সরকার আশঙ্কা করছে, অনেক বেশি দামে জ্বালানি পণ্য আমদানি ও সরবরাহ অব্যাহত রাখলে বড় ধরনের অর্থনৈতিক সংকটে পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে সরকার বিদ্যুৎ ও তেলের খরচ কমানোর একগুচ্ছ কঠোর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের নিয়েছে। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে আপাতত দেশের ডিজেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন বন্ধ রাখা, রাত ৮টার পর দোকানপাট, শপিংমল বন্ধ রাখা এবং পাশাপাশি সপ্তাহে একদিন পেট্রোল পাম্প বন্ধ রাখা। এজন্য বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)কে ইতোমধ্যে অন্তত ২০ শতাংশ জ্বালানি তেল আমদানি কমিয়ে আনতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের কারণে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ আগস্ট ২০২১ শেষে রেকর্ড পরিমাণ ৪৮.০৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অতিক্রম করেছিল। এটা দিয়ে ছয় মাসের আমদানি ব্যয় মিটানো সম্ভব ছিল। কিন্তু সেই রেমিট্যান্স প্রবাহে ভাটা পড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ নিয়ে তৈরি হয়েছে শঙ্কা ও বিরাট চ্যালেঞ্জ। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায় দুই বছরের মধ্যে প্রথমবারের মত ৩৯ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলারের নীচে নেমে এসেছে। এই পরিমাণ নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। এমুহুর্তে এ রিজার্ভ দিয়ে তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। নিঃসন্দেহে অর্থনীতির জন্য এই পরিমাণ মজুদ একটা বিপদ সংকেত দেয়। এমন বাস্তবতায় সম্প্রতি বৈদেশিক বাণিজ্যে লেনদেন ভারসাম্যে বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। একদিকে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স উদ্বেগজনক হারে কমে গেছে, অন্যদিকে অতিমারির পর আমদানি ব্যয়ও মারাত্মকভাবে বেড়ে গেছে। তাছাড়া জ্বালানি তেল আমদানিতে এলসি পেতে সমস্যা হচ্ছে। তার ওপর ইউক্রেনের যুদ্ধ আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে। ফলে বহু দেশ জ্বালানি সংকটে হিমশিম খাচ্ছে। এ কারণে বাংলাদেশ সরকার চলতি মাসের শুরুতে স্পট মার্কেট থেকে গ্যাস আমদানিও বন্ধ করেছে। আর এখন জ্বালানির আমদানি খরচে রাশ টানতে ডিজেলের দিকে নজর দিয়েছে সরকার। ফলে জ্বালানি সাশ্রয়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাশ্রয়ী ব্যবহারে সরকার একগুচ্ছ কঠিন সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছে।

 

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সরকারের ব্যয় সাশ্রয়ে কার্যকর কর্মপন্থা নিরূপণে সরকারের ব্যয় সংকোচন নীতি হিসেবে আটদফা সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সিদ্ধান্তগুলো হলো-সরকারি সব দপ্তরে বিদ্যুতের ২৫ শতাংশ ব্যবহার কমানো; জ্বালানি খাতের বাজেট বরাদ্দের ২০ শতাংশ কম ব্যবহার; অনিবার্য না হলে শারীরিক উপস্থিতিতে সভা পরিহার করা; অধিকাংশ সভা অনলাইনে আয়োজন করা; অত্যাবশ্যক না হলে বিদেশ ভ্রমণ যথাসম্ভব পরিহার করা; খাদ্যদ্রব্যসহ নিত্যপণ্যের মূল্য সহনীয় রাখতে বাজার মনিটরিং; মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে মজুতদারির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণসহ অন্যান্য পদক্ষেপ জোরদার করা। এছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী পরিবহণে ব্যক্তিগত যানবাহনের ব্যবহার যৌক্তিককরণের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে। আর অভ্যন্তরীণ সম্পদ সংগ্রহ বাড়াতে অর্থবছরের শুরু থেকেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে এবং লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। এছাড়া প্রতিটি মন্ত্রণালয় নিজস্ব ক্রয় পরিকল্পনা পুনঃ পর্যালোচনা করে রাজস্ব ব্যয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করবে।

 

সরকারের পক্ষ থেকে জ্বালানি সঙ্কট নিরসনে আমদানি নির্ভর ডিজেলভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো আপাতত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিদেশ থেকে আমদানি করা লিকুইড ন্যাচারাল গ্যাসের (এলএনজির) আমদানি স্পট মার্কেট থেকে আরও আগেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বিপিসিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে অন্তত ২০ শতাংশ জ্বালানি তেলের আমদানি কমাতে। গত এক মাস যাবৎ সরকারের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা দফায় দফায় বৈঠক করে বৈশ্বিক সংকট মোকাবেলায় করণীয় নিয়ে কাজ করছে। কারণ অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, বাজেটে নির্ধারিত ভর্তুকির চেয়ে বেশি ভর্তুকি অর্থ মন্ত্রণালয় দিতে পারবে না। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সারা পৃথিবীতে যে একটা ক্রাইসিস চলছে সেটা জ্বালানি বিভাগ এবং বিপিসির আমদানির পরিসংখ্যান দেখলে বুঝা যায় না। কারণ তারা লাগামহীন জ্বালানি তেল আমদানি করে যাচ্ছে। এই সংকটকালেও তাদের জ্বালানি পণ্য আমদানির পরিমাণ বেড়েছে।

 

বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, এখন কয়লা থেকে ৭ দশমিক ৮৯ শতাংশ, গ্যাসকে ৫০ দশমিক ৮৪ শতাংশ, ফার্নেস অয়েল থেকে ২৮ শতাংশ এবং ডিজেল থেকে ৬ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। এ অবস্থায় জ্বালানি সাশ্রয়ের উদ্যোগের মধ্যমে ডিজেল ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ রাখার ফলে দিনে এক থেকে দেড় হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি দেখা দেবে। ফলে এলাকা ভিত্তিক এক দেড় ঘন্টা লোড শেডিংয়ের মাধ্যমে সেই ঘাটতি মিটানোর চেষ্টা করবে সরকার। ইতোমধ্যে সরকারের বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলো তাদের ওয়েব সাইটে এলাকাভিত্তিক লোডশেডিংয়ে সিডিউল ঘোষণা করেছে। এছাড়া বিতরণ কোম্পানিগুলো সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিংয়ের সময় নির্ধারণ করে মাইকিং করা হয়েছে।

 

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, পেট্রোল পাম্প সপ্তাহে একদিন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি,  তবে এরকম বিষয় নিয়ে ভাবা হচ্ছে। অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখতে সরকার শিল্প কারখানা ও বানিজ্যিকখাতে বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত রাখতে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। সরকার বলছে, সারাদেশে যে ডিজেল ব্যবহার করা হয় তার মধ্যে মাত্র ১০ শতাংশ যায় বিদ্যুৎ উৎপাদনে এবং বাকি ৯০ শতাংশ পরিবহণ কৃষিকাজের সেচসহ অন্যান্য খাতে ব্যবহার করা হয়। বিদ্যুতের ১০ শতাংশ এবং অন্যন্য খাতকে আরো ১০ শতাংশ, মোট এই ২০ শতাংশ ডিজেল সাশ্রয় করতে পারলে যে পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা সাশ্রয় হবে সেটা অনেক বড় বিষয়। এদিকে বিপিসির তথ্য মতে, চলতি অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৩০ লাখ ৬৩ হাজার টন বিভিন্ন ধরনের পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করা হয়েছে। এসময় অপরিশোধিত তেল এসেছে আরও ৮ লাখ ৭০ হাজার টন। তবে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য মতে, গত ২০২১-২২ অর্থবছরের ১১ মাসে পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানিতে পরিশোধ করা হয়েছে ৭ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন ডলার, আগের অর্থবছরের একই সময়ে যা ছিল ৩ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন; শতকরা হারে বেড়েছে ১০৬ দশমিক ৬৫ শতাংশ। এসময়ে এলসি খোলার পরিমাণও বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন ডলারের, আগের অর্থবছরের একই সমসয়ে যা ছিল ৩ দমশিক ৯৬ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ এ বছর এলসি খোলার পরিমাণ বেড়েছে ১১১ শতাংশ।

 

দেশে চলমান বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় সরকার এরই মধ্যে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। যার মধ্যে অন্যতম হলো- রাত ৮টার পর দোকানপাট, শপিংমল বন্ধ রাখা, সপ্তাহে একদিন পেট্রোল পাম্প বন্ধ রাখা ইত্যাদি। সরকার বলছে, অবশ্য এ সময়ের মধ্যে সব ধরনের সাশ্রয়ী নীতিকৌশল অবলম্বন করে বিদ্যুতের চাহিদা ১২ হাজার মেগাওয়াটের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা গেলে বিদ্যুতের সংকট অতটা প্রকট হবে না। এজন্য এখন সবারই উচিত বিদ্যুৎ অপচয় রোধ করা। আমরা নিজেরা নিজেদের অজান্তে প্রতিদিন অনেক বেশি বিদ্যুৎ অপচয় করে ফেলি। একই সঙ্গে দিনকে দিন বাড়তে থাকা প্রযুক্তির ব্যবহার তো আছেই। তাই বলে কি বিদ্যুৎ ব্যবহার করবো না? অবশ্যই করবো। তবে বিদ্যুৎ ব্যবহারের সময় তা অপচয় হচ্ছে কি না সে বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক বিদ্যুৎ অপচয় রোধে সচেতন নাগরিক হিসেবে আমাদের কী করণীয়- টিউব লাইটে ভালো মানের ইলেকট্রনিক্স ব্যালেষ্ট ব্যবহার করলে বিদ্যুৎ বিল কম আসবে; ফ্যানের ইলেকট্রনিক্স রেগুলেটর হলে বিদ্যুৎ বিলের খরচ বেঁচে যাবে; বিভিন্ন পয়েন্টে অযথা চার্জার লাগিয়ে রাখলেও কিছু বিদ্যুৎ খরচ হয়; প্রয়োজন ব্যাতীত ওভেন, ফ্যান, পিসি ইত্যাদি বন্ধ করে রাখুন; বিদ্যুৎ সংযোগ খারাপ থাকলে বিদ্যুৎ খরচ বেশি হয়, প্রয়োজনে সেটি মেরামত করুন; এনার্জি সেভার বাল্ব ব্যবহার শুরু করুন; ওয়াশিং মেশিনে অনেক বিদ্যুৎ খরচ হয়, তাই এটা ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন; ড্রায়ারে বা ফ্যান ছেড়ে কাপড় শুকানোর বদলে বারান্দা বা ছাদে মেলে দিন; রেফ্রিজারেটরের কয়েল পরিষ্কার রাখুন; কাপড় ইস্ত্রি কম করুন; এসি ছেড়ে ঘুমাবেন না, কারণ ফ্যানের চেয়ে এসিতে বিদ্যুৎ অপচয় হয় বেশি; গরমের সময় অফিসে কোট টাই ব্লেজারের পরিবর্তে হালকা পোশাক ব্যবহার করুন, এতে এসির পরিবর্তে ফ্যান ব্যবহারে বিদ্যুতের অপচয় বন্ধ হবে; পানি গরম করতে গিজার বা হিটার ব্যবহার কমিয়ে দিন; ঘর থেকে বের হওয়ার সময় লাইট ফ্যানের সুইচ বন্ধ করে দেওয়া অভ্যাস করুন; রাইস কুকার, মাইক্রোওয়েভ, কারি কুকার ইত্যাদি একেবারেই বাধ্য না হলে ব্যবহার করবেন না; ডিম লাইট ও ইলেক্ট্রনিং বেলাষ্ট ডিম লাইট ব্যবহার করুন; লাইট না জ্বালিয়ে ঘরের জানালা-দরজা খুলে রাখুন দিনের বেলায়; বিভিন্ন উৎসব কিংবা অনুষ্ঠানে আলোকসজ্জা কমানোর ব্যবস্থা করুন; বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অযথা বৈদ্যুতিক বাতি জ্বালিয়ে রাখা বন্ধ করতে হবে।

 

তাছাড়া, যাদের বড় ধরনের বিদ্যুৎ বিল বকেয়া রয়েছে কিংবা অবৈধ সংযোগ রযেছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, নোটিশ দেওয়ার পরও যেসব গ্রাহক বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করবে না, তাদের বিদ্যুৎ–সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিতে হবে। সরকারি-বেসরকারি যেই হোক না কেন, বিদ্যুৎ বিল যে বা যেই প্রতিষ্ঠান বকেয়া রাখবে, তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানির বাজারে অস্থিরতা বাংলাদেশে যে সঙ্কট তৈরি হয়েছে, এই সঙ্কট মোকাবিলা করতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকার যেসব পদক্ষেপ ও সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা সচেতন নাগরিক হিসেবে আমাদের অবশ্য পালনীয়।

 

লেখক: ব্যাংকার ও কলাম লেখক,
সতিশ সরকার রোড, গেন্ডারিয়া, ঢাকা।

এই বিভাগের আরো খবর