ঢাকা, মঙ্গলবার   ১৮ মে ২০২১,   জ্যৈষ্ঠ ৪ ১৪২৮

ব্রেকিং:
ইসরায়েলে ৩ হাজার রকেট ছুড়ল হামাস pmশেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ
সর্বশেষ:
ভারতে একদিনে আরও ৪ হাজারের বেশি মৃত্যু গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আরও ১০ শিশুসহ নিহত ৪২

ঠাকুরগাঁওয়ে থেমে নেই কোচিং-প্রাইভেট, ঝূকিতে শিক্ষার্থীরা 

আঃ আলিম ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৩ মে ২০২১  

ছবি- প্রতিদিনের চিত্র।

ছবি- প্রতিদিনের চিত্র।


সরকারি নির্দেশ অমান্য করে ছোট একটি কক্ষে ২০ জন ছাত্র-ছাত্রীকে ক্লাস করাচ্ছিলেন সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক পরিমল। এভাবে কি ওই শিশু শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুকি থাকছে না? অভিভাবকদেরও এ বিষয়ে ভাবা প্রয়োজন বলে আমি মনে করি। 

 

ঠাকুরগাঁওয়ে সরকারি নির্দেশ অমান্য করে কোচিং-প্রাইভেট সেন্টারগুলো চালু রয়েছে। প্রতিদিন প্রত্যেক ব্যাচে ৩০-৪০ জন শিক্ষার্থী স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্বকে তোয়াক্কা না করে প্রাইভেট-কোচিং করা হচ্ছে। এতে গড়ে প্রত্যেক দিন ৫/৭টি ব্যাচ পড়ানো হচ্ছে। 

 

সোমবার সকালে পৌর শহরের টিকাপাড়া মহল্লায় সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক পরিমলের বাসায় গিয়ে দেখা যায় একটি ছোট কক্ষে ২০ জন শিক্ষার্থী কাস করছেন। এতে করে মারাত্মক ঝুকিতে রয়েছেন তারা। একই ভাবে শহরের আরও বেশ কয়েকটি কোচিং সেন্টারও চালু আছে বলে জানা যায়। 

 

এলাকাবাসী জানান, টিকা পাড়া মহল্লার শিক্ষক পরিমলের বাসায় প্রায় প্রতিদিন একটি ব্যাচেই ২০-৩০ জন শিক্ষার্থী কাস করছেন। এলাকাবাসী একাধিকবার ওই শিক্ষককে অনুরোধ করেও তিনি প্রাইভেট-কোচিং বন্ধ করেননি। এলাকাবাসীর মতে ছোট একটি কক্ষে গাদাগাদি করে এভাবে ২০ জন শিক্ষার্থীকে কাস করালে সেখানে স্বাস্থ্যবিধি  ও সামাজিক দূরত্ব উপেক্ষিত হয়। এছাড়াও ওই শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি এলাকার লোকজনও মারাত্মকভাবে করোনা ঝুকিতে রয়েছেন বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। ফলে অবিলম্বে কোচিং সেন্টারটি বন্ধ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন তারা। 

 

প্রাইভেট পড়তে আসা নবম শ্রেণীর এক ছাত্র জানায়, দীর্ঘদিন থেকে স্কুল বন্ধ থাকায় তারা ক্ষতির মুখে পরে। ৮ম শ্রেণীতে অটোপাশ দেওয়ায় মানুষজনও এ বিষয়ে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্ল করে। পড়াশুনায় পিছিয়ে পরাটা পুশিয়ে নিতে পরিমল নামে ওই শিক্ষককে শিক্ষার্থীরা অনুরোধ করে প্রাইভেট পড়ার জন্য রাজি করান বলে জানায় সে।  

 

কোচিং-প্রাইভেট সেন্টারটির পরিচালক পরিমল জানান, এভাবে কোচিং বা প্রাইভেট পড়ানোর নিয়ম নেই এটা সঠিক, তবে শিক্ষার্থীদের অনুরোধে পড়াতে হয়। অন্যান্য অনেক শিক্ষক এভাবে প্রাইভেট-কোচিং পড়াচ্ছেন বলে জানান তিনি। এর পর থেকে অনলাইনে পড়াবেন এবং এভাবে আর পড়াবেন না বলে জানান তিনি। 

 

এ ব্যাপারে সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পিযূষ কান্ত রায় বলেন, সরকারি নিষেধাজ্ঞায় কোচিং-প্রাইভেট পড়ানোর কোন নিয়ম নেই। তবে শিক্ষক পরিমলের প্রাইভেট-কোচিংয়ের বিষয়ে জানেন না তিনি। এ ব্যাপারে খোজ নিবেন বলে জানান তিনি।

এই বিভাগের আরো খবর