Berger Paint

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৪ নভেম্বর ২০২০,   অগ্রাহায়ণ ১০ ১৪২৭

ব্রেকিং:
আনুষ্ঠানিকভাবে সম্ভাব্য বাইডেন মন্ত্রিসভার ৬ সদস্যের নাম ঘোষণা ধর্ম প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন জামালপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. ফরিদুল হক খান ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘নিভার’, প্রভাব পড়তে পারে বাংলাদেশে
সর্বশেষ:
করোনায় মারা গেলেন আসামের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈ বাইডেনের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু করতে রাজি হলেন ট্রাম্প অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল রেজিস্ট্যান্স গ্রুপের কো-চেয়ারম্যান হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর যোগদান

ডিএনএ পরীক্ষা বাধ্যতামূলক রেখে ধর্ষণের সাজা মৃত্যুদণ্ডের বিল পাস

প্রতিদিনের চিত্র ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮ নভেম্বর ২০২০  

পঠিত: ৫৭৩
জাতীয় সংসদ অধিবেশনের প্রতীকী ছবি।

জাতীয় সংসদ অধিবেশনের প্রতীকী ছবি।

 

ধর্ষণের সর্বোচ্চ সাজা 'মৃত্যুদন্ড' এর সাথে 'ডিএনএ পরীক্ষা' বাধ্যতামূলক করে 'নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) বিল- ২০০০' এর প্রস্তাবনাটি পাস করা হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (১৭ নভেম্বর) জাতীয় সংসদে মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে কণ্ঠভোটে পাস করা হয়। বিলটিতে শব্দ পরিবর্তন করে ‘ধর্ষিতা’ এর পরিবর্তে ‘ধর্ষণের শিকার’ শব্দ রাখা হয়েছে বিলটিতে। মূল আইনের ৯ (২) ধারাসহ বিলের ‘ধর্ষিতা’ শব্দটি বাদ দিয়ে ‘ধর্ষণের শিকার’ শব্দটি বসছে।

 

গত ৮ নভেম্বর সংসদে বিলটি উত্থাপিত হয়। এরপর তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রতিবেদন পাঠাতে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটিতে প্রেরণ করা হয়েছিল। যা গত সোমবার প্রতিবেদনটি সংসদে উত্থাপন করেন সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মেহের আফরোজ চুমকি।

 

সম্প্রতি নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনায় দেশব্যাপী উত্তাপ ছড়িয়ে পড়লে সরকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেয়। কিন্তু সে সময় কোন সংসদ অধিবেশন না থাকায় সংশোধিত আইন কার্যকর করার জন্য ১৩ অক্টোবর ২০২০ রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০০০’ জারি করেন।

 

এরপরে অর্থাৎ ৮ নভেম্বর নিয়ম অনুযায়ী অধ্যাদেশটি সংসদে উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। আবার অধ্যাদেশটি বিল আকারে একই দিনে সংসদে তোলা হয়।

 

উল্লেখ্য, ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) উপধারায় বলা ছিল, যদি কোনো পুরুষ 'কোনো নারী বা শিশু'কে ধর্ষণ করেন, তাহলে তিনি যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডীত হবেন এবং এর অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবেন। এখন কোনো নারী 'ধর্ষণের শিকার' হলে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড রাখা হয়েছে।

এই বিভাগের আরো খবর