Berger Paint

ঢাকা, রোববার   ০১ নভেম্বর ২০২০,   কার্তিক ১৭ ১৪২৭

ব্রেকিং:
তুরস্ক-গ্রিসে ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৪, আহত ৭ শতাধিক বিশাল এলাকা আজারবাইজানের নিয়ন্ত্রণে ২৪ ঘন্টায় সবোর্চ্চ করোনা তান্ডবের রেকর্ড ১ হাজার ছক্কায় বিশ্ব রেকর্ড গড়লেন ক্রিস গেইল
সর্বশেষ:
কাল থেকে খুলছে দেশের সব পর্যটন কেন্দ্রসহ সুন্দরবন পুলিশ কথা না শুনলে আমার দরজা উন্মুক্ত : ডিএমপি কমিশনার ২৪ ঘন্টায় ভারতে মৃত্যু ৫৫১, আক্রান্ত ৮১ লাখ ছাড়িয়েছে সারাবিশ্বে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছে ৩ কোটি ৩২ লাখ হত্যার হুমকি দিয়ে ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, যুবক গ্রেফতার

ডিসিসি নির্বাচন; সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত ইসির দায়িত্ব

অয়ন আহমেদ

প্রকাশিত: ১১ জানুয়ারি ২০২০  

পঠিত: ৬৩৪

 

প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দের পর রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনে নির্বাচনের প্রচার শুরু হয়ে গেছে। নির্ধারিত সময় পর্যন্ত চলবে ভোটের জনসংযোগ ও প্রচারনা। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ছিল ৯ জানুয়ারি, প্রতীক বরাদ্দ হয়েছে ১০ জানুয়ারি। ২৭ দিন প্রচার-প্রচারনার শেষে ভোট হবে ৩০ জানুয়ারি। প্রার্থীরা বাড়ি বাড়ি গিয়েও ভোট প্রার্থনা করছেন। ভোটের ফল যার যার নিজেদের পক্ষে নেয়ার চেষ্টা করবেন প্রার্থীরা।

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর মেয়র, সাধারণ ও সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর -এই তিনটি পদে মোট এক হাজার ৩৯ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। যাচাই-বাছাই ও মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের পর ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র, সাধারণ ও সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে লড়াইয়ে ৭৫৮ জনের থাকা চূড়ান্ত হয়েছে। মেয়র পদে লড়াইয়ে এখন উত্তরে রয়েছেন ছয়জন, দক্ষিণে রয়েছেন সাতজন। উত্তরে সাধারণ কাউন্সিলর ২৫১ জন ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৭৭ জন লড়াইয়ে রয়েছেন। দক্ষিণে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩৩৫ জন এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৮২ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। প্রতীক বরাদ্দের পরই প্রচারে নেমেছেন দুই সিটির মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা। ফলে সরগরম হয়ে উঠেছে রাজধানী। তবে অভিযোগ রয়েছে বিধি লঙ্ঘন করে আগে থেকেই বিভিন্ন প্রার্থী প্রচার চালিয়েছেন বলে।

দেশের সংবিধান অনুযায়ী, যেকোনো নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। নির্বাচনের আগে নির্বাচন কমিশনকে বেশ কিছু দায়িত্ব পালন করতে হয়। একটি নির্বাচনকে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য করে তোলার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের স্বার্থে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। নির্বাচন কমিশনের ওপর প্রভাব বিস্তার বা শক্তি প্রয়োগ সরকার বা অন্য কারোর নেই। নির্বাচন কমিশন এ সুযোগটি কাজে লাগাতে পারে। তবে সব কিছুর আগে প্রয়োজন কমিশনের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সমন্বয়। সিদ্ধান্ত গ্রহণে দৃঢ়তার পরিচয় দিতে হবে।

বাংলাদেশে নির্বাচন হয় উৎসবমুখর পরিবেশে। কিন্তু উৎসবের আমেজের মধ্যেই দুঃখজনক ঘটনার অনেক উদাহরণ আছে। আর এসব দিকে নির্বাচন কমিশনকে কঠোর দৃষ্টি দিতে হবে। কোনো প্রার্থী বিধি ভঙ্গ করলে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। প্রার্থীদেরও মনে রাখতে হবে নির্বাচনে জয়-পরাজয় আছে। নির্বাচনের পরিবেশ উৎসবমুখর রাখার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের পাশাপাশি প্রার্থী ও তাঁদের সমর্থকদেরও। যেহেতু ঢাকার দুই সিটির নির্বাচন বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ সেহেতু এই নির্বাচনকে সেভাবেই বিবেচনা করে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালিত করা নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব।