ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২৬ মে ২০২২,   জ্যৈষ্ঠ ১২ ১৪২৯

ব্রেকিং:
চট্টগ্রাম, গাজীপুর, কক্সবাজার, নারায়ানগঞ্জ, পাবনা, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ ব্যুরো / জেলা প্রতিনিধি`র জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদন পাঠানোর আহ্বান করা হচ্ছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা- স্নাতক, অভিজ্ঞদের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল যোগ্য। দৈনিক প্রতিদিনের চিত্র পত্রিকার `প্রিন্ট এবং অনলাইন পোর্টাল`-এ প্রতিনিধি নিয়োগ পেতে অথবা `যেকোন বিষয়ে` আর্থিক লেনদেন না করার জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের এবং প্রতিনিধিদের অনুরোধ করা হল।
সর্বশেষ:
ডাক্তারদের ফাঁকিবাজি রুখতে হাজিরা খাতায় দিনে তিনবার সই করার নির্দেশ! ১০০০ জনবল নিয়োগ দেবে ওয়ালটন ঢাকায় আসছে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি সরকারকে ৬ দিনের আল্টিমেটাম ইমরান খানের ফাইনালের পথে বেঙ্গালুরু, লখনৌর বিদায় সেনেগালে হাসপাতালে আগুন; ১১ নবজাতকের মৃত্যু বিশ্বব্যাপী মাঙ্কিপক্স আক্রান্ত ২০০ ছাড়িয়েছে ঢাবিতে ফের ছাত্রলীগ-ছাত্রদল সংঘর্ষ

ঢাকার সাংবাদিকরাই বেশি করোনায় আক্রান্ত

প্রতিদিনের চিত্র বিডি ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১ মে ২০২২  

ছবি- সংগৃহীত।

ছবি- সংগৃহীত।

 
রোনা মহামারিকালে বাংলাদেশে কর্মরত সাংবাদিকরা উচ্চহারে এ ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন। এর মধ্যে সবেচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন রাজধানীর ঢাকার সাংবাদিকরা।

 

দুর্যোগ ও মহামারি পরিস্থিতির সময় মাঠপর্যায়ের প্রতিবেদনের জন্য কোনো প্রকার প্রশিক্ষণ ছিল না অধিকাংশ সাংবাদিকের। সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজের (সিজিএস) এক জরিপে এমন তথ্যই উঠে এসেছে। গতকাল মঙ্গলবার ১০০ জন সাংবাদিকের ওপর করা এ জরিপের ফল প্রকাশ করা হয়।

 

জরিপের ফলাফলে দেখা যায়, অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৩৪ শতাংশ করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছিলেন। আক্রান্তদের মধ্যে ৪১ শতাংশ ঢাকা বিভাগের যা সর্বোচ্চ।

 

করোনার সময় সাংবাদিকদের আর্থিক অবস্থার ওপর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। উত্তরদাতাদের অধিকাংশই তাদের মহামারির আগের বেতন কাঠামো বজায় রাখতে পারেননি। এর মধ্যে ৪০ শতাংশ মহামারিকালে নিয়মিতভাবে সম্পূর্ণ বেতন পেয়েছেন। ৩৬ শতাংশ তাদের মূল বেতনের অর্ধেক বেতন পেয়েছেন। বাকি ২৪ শতাংশ সাংবাদিক মাসিক বেতন পুরোটাই পেয়েছেন, কিন্তু অনিয়মিতভাবে। এ ছাড়া ৪ শতাংশ সাংবাদিক মহামারির কারণে তাদের চাকরি হারিয়েছেন।
 
 

এক-তৃতীয়াংশেরও কম ২৭ শতাংশ বাড়ি থেকে কাজ করেছেন। তাদের মধ্যে ৪৭ শতাংশ সাংবাদিক বাড়ি থেকে কাজ করার সময় সহকর্মীদের সঙ্গে সঠিকভাবে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারেননি। তাদের মধ্যে মাত্র ২৯ শতাংশ সাংবাদিককে অফিস থেকে প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও মোট উত্তরদাতাদের ৪০ শতাংশ সাংবাদিককে বাসা থেকে ও অফিসে সশরীরে-এই দুই ভাবেই কাজ করতে হয়েছে। আর অবশিষ্ট ৩৩ শতাংশ সাংবাদিক অফিসে সশরীরে কাজ করেছেন। মহামারিকালে সাংবাদিকদের সম্মুখসারির যোদ্ধা উপাধি দিলেও সামাজিকভাবে নানা হেনস্তার শিকার হতে হয়েছে তাদের।

 

করোনাতে মহামারির দুর্যোগ সময়টাতে সাংবাদিকদের অনেক প্রতিবেশী ও এলাকাবাসী পেশার জন্য তাদের এড়িয়ে চলেছে। সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্নও করে রেখেছিল। করোনাকালে ৫৭ শতাংশ সাংবাদিক অফিস থেকে পিপিই বা অন্যান্য সুরক্ষা সামগ্রী যেমন মাস্ক, স্যানিটাইজার ইত্যাদি পেয়েছেন। এর বাইরে যারা কাজ করেছেন তাদের তুলনায় ঢাকায় কর্মরত সাংবাদিকরা বেশি নিরাপত্তা সামগ্রী পেয়েছেন।

এই বিভাগের আরো খবর