Berger Paint

ঢাকা, সোমবার   ২৮ নভেম্বর ২০২২,   অগ্রাহায়ণ ১৪ ১৪২৯

ব্রেকিং:
চট্টগ্রাম, গাজীপুর, কক্সবাজার, নারায়ানগঞ্জ, পাবনা, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ ব্যুরো / জেলা প্রতিনিধি`র জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদন পাঠানোর আহ্বান করা হচ্ছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা- স্নাতক, অভিজ্ঞদের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল যোগ্য। দৈনিক প্রতিদিনের চিত্র পত্রিকার `প্রিন্ট এবং অনলাইন পোর্টাল`-এ প্রতিনিধি নিয়োগ পেতে অথবা `যেকোন বিষয়ে` আর্থিক লেনদেন না করার জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের এবং প্রতিনিধিদের অনুরোধ করা হল।
সর্বশেষ:
প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ আবারও পেছালো যে কোনো মূল্যে শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে: প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে শিশু আয়াত হত্যা : আসামি আবীর ফের রিমান্ডে ৫০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করেনি এসএসসিতে পাসের হার ৮৭.৪৪ শতাংশ সাংহাইয়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, বিক্ষোভ

ঢাকায় ৩০ কোম্পানির বাসে ই-টিকেটিং সেবা শুরু

প্রতিদিনের চিত্র বিডি ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩ নভেম্বর ২০২২  

ছবি- সংগৃহীত।

ছবি- সংগৃহীত।

 

ঢাকার মিরপুর রুটে ৩০টি কোম্পানির বাস আজ থেকে ই-টিকিটিংয়ের আওতায় আসছে। গতকাল শনিবার রাজধানীর পরীবাগে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি ‘রাজধানী ঢাকার গণপরিবহনে ই-টিকিটিং পদ্ধতি চালু’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। সেখানে সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উল্যাহ এ কথা জানান।

 

২০২৩ সালের ৩১ জানুয়ারি থেকে ঢাকা শহরে চলাচলকারী ৬০ কোম্পানির বাস ও ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ঢাকা-শহরতলির ৯৭ কোম্পানির বাসেও এ সেবা চালু হবে বলেও তিনি জানান।

 

তিনি বলেন, ‘নতুন এ পদ্ধতিতে যাত্রীদের বাড়তি ভাড়া গুনতে হবে না। গন্তব্য অনুযায়ী ভাড়া পরিশোধ করতে হবে। এ পদ্ধতিতে রাস্তায় যানবাহনের মধ্যে অসম প্রতিযোগিতা ও চুক্তিভিত্তিক গাড়ি চালানো বন্ধ হবে।’

 

এনায়েত উল্যাহ আরও বলেন, ‘লক্কড়-ঝক্কড় গাড়ি বন্ধে মালিকদের ২১টি সার্কুলার দিয়েও কাজ হয়নি। বাড়তি ভাড়া আদায় বন্ধে ৯টি ভিজিল্যান্স টিম দিয়ে মাসের পর মাস ডিউটি করিয়েছি। অতিরিক্ত ভাড়ার বিষয়টি বিগত দিনে সমাধান করতে পারিনি। আমরা গেটলক, সিটিং সার্ভিসগুলো বন্ধ করতে পেরেছি। কিন্তু তারপরও অতিরিক্ত ভাড়ার অভিযোগ বারবার আসছিল।’

 

তিনি বলেন, ‘গত ২২ সেপ্টেম্বর থেকে ই-টিকিটিং পদ্ধতি চালু করা হয়। মিরপুরের আটটি বাস কোম্পানিতে পরীক্ষামূলকভাবে এটি চালু করা হয়েছিল। এতে দেখা গেল মালিকরা ইনকাম সঠিকভাবে পাচ্ছিল না। তাদের অনেকে বাস চালাতে আগ্রহী হলো না। পরে ই-টিকিটিং মেশিন বাসের ভেতরে দেওয়া হলো। এতে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। মালিকদেরও ইনকাম বেড়েছে।’

 

ই-টিকিটিং সার্ভিস পর্যবেক্ষণে মালিক সমিতির পক্ষ থেকে একটি মনিটরিং সেল গঠনের কথা জানিয়ে এনায়েত উল্যাহ বলেন, ‘দুজন কর্মকর্তা এটি সমন্বয় করবেন। এ জন্য আমরা একটি হটলাইন তৈরি করেছি যেখানে তিনটি নম্বর রয়েছে। নম্বরগুলো হচ্ছে—০১৬১৮৯৩৩৫৩১, ০১৬১৮৯৩৬১৮৫ ও ০১৮৭০১৪৬৪২২। সমিতির পক্ষ থেকে আটজনকে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে পুরো শহর ঘুরে দেখার জন্য। পাশাপাশি কয়েকটি কোম্পানির পক্ষ থেকেও স্পেশাল চেকার রাখা হবে।’

 

ই-টিকিটিং চালু করলে মালিকরা বাস চালাতে আগ্রহী না হলে মালিক সমিতির পক্ষ থেকে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা ই-টিকিটিংয়ের আওতায় আনা বাসের মালিকদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা রাজি হয়েছেন। তারপরও না মানলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাদের অবশ্যই এর আওতায় আনা হবে। ই-টিকিটিং সফল হলে বাসে পাঞ্চ কার্ডের ব্যবস্থা করব ভবিষ্যতে।’

 

সংবাদ সম্মেলনে সমিতির নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আজমল উদ্দিন সবুর, শফিকুল আলম সোহাগ, হাবিবুর রহমান, মাহবুব, সামদানি খন্দকার প্রমুখ।

 

এই বিভাগের আরো খবর