ঢাকা, মঙ্গলবার   ১৯ নভেম্বর ২০১৯,   অগ্রাহায়ণ ৫ ১৪২৬

ব্রেকিং:
৫ বছরের জন্য নিষিদ্ধ শাহাদাত কাল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ট্রাক-কাভার্ডভ্যান শ্রমিকদের কর্মবিরতি
সর্বশেষ:
শেষ টেস্ট খেলতে কলকাতার পথে টাইগাররা, মূল চ্যালেঞ্জ বোলারদের মনে করেন পেসার আল-আমিন হোসেন পেঁয়াজের পর চালের দাম বাড়ানোর ষড়যন্ত্র চলছে : নাসিম পদ্মা সেতুতে বসেছে ১৬তম স্প্যান আজ কার্গো বিমানে পেঁয়াজের প্রথম চালান আসছে বিটিআরসির কলসেন্টারে ৭ হাজার ৯০৮ অভিযোগ প্রধানমন্ত্রী আজ রাতে দেশে ফিরছেন তিনটি বিলে সম্মতি প্রদান করেছেন রাষ্ট্রপতি

তাহসান মিথিলাকে নিয়ে মাহবুব মোর্শেদের স্ট্যাটাস

প্রতিদিনের চিত্র ডেস্ক

প্রকাশিত: ৬ নভেম্বর ২০১৯  

পঠিত: ২১৭
ছবি - মাহবুব মোর্শেদ

ছবি - মাহবুব মোর্শেদ

বাংলাদেশে বিনোদন জগতের তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ইন্টারনেট-ভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্রায়ই সরগরম হয়ে উঠে।তারকাদের একান্ত ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি কিংবা ভিডিও ফেসবুক এবং ইউটিউবে ছড়িয়ে যায়।
এ নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন লেখক মাহবুব মোর্শেদ
 
তাহসান ও মিথিলার সুখী দাম্পত্যের খবর এক সময় পত্রিকায় নিয়মিত পড়তাম। আপনারাও নিশ্চয় পড়েছেন। দুজনের সুন্দর ছবি আর গল্প দিয়া খবরগুলো প্রচার করা হতো। কয়েকজনকে বলতেও শুনেছি, এরা আমাদের সময়ের আদর্শ জুটি। মেয়েরা তাহসানের ফ্যান, ছেলেরা মিথিলার। আপনারা ভুলে নিশ্চয়ই যাননি। এই আদর্শটা লোকে ঠিক মনে করে। এখন এনারা যে আদর্শ সুখী দম্পতি সেটা কে নির্মাণ করেছে? নিশ্চয় ওনারাই প্রথমে। পরে এটাকে বাড়িয়ে তুলেছে, নৈতিক সংবাদপত্রগুলো। এই ছবিটা ওনাদের বিচ্ছেদ পর্যন্ত টিকে ছিল। আর বিচ্ছেদটা ছিল বহু তরুণ তরুণীর জন্য চূড়ান্ত শক।
হুমায়ূন আহমেদ প্রসঙ্গে আমি বলেছিলাম, হুমায়ূনের পরিবার নিয়ে জন সাধারণের মধ্যে যে ঘাঁটাঘাটি, নোংরামি এটার শুরু কিন্তু তিনি নিজে করেছিলেন। পরিবার নিয়ে তিনি নিজে লিখতেন। বলতেন। পরিবারের সদস্যদের জনপ্রিয় করতে চাইতেন। এক্ষেত্রে অনেক সফলও হয়েছিলেন। হুমায়ূন আহমেদের পরিবার ও জীবনের স্বতপ্রণোদিত এত তথ্য জানার পর পাঠক যদি প্রশ্ন করে তিনি দ্বিতীয় বিবাহ করলেন কেন, এটাকে তখন আপনি আর ব্যক্তিগত বিষয় বা প্রাইভেসির মামলা বলতে পারেন না। আপনি যখন পাবলিক ফিগার, আপনি যখন নিজের ইমেজ নির্মাণ করেন তখন আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে পারতে হবে কোনটা আপনার প্রাইভেট আর কোনটা পাবলিক।
আপনারা যখন সুখী দম্পতি তখন আপনাদের ছবি ও খবর প্রচার যদি প্রাইভেসির লঙ্ঘন না হয় তাহলে আপনাদের অসুখী অবস্থায় তা হবে কেন?
আরও কথা আছে।
আপনাদের সুখের রহস্য কী ছিল?
পারস্পারিক শ্রদ্ধা, বোঝাপড়া?
এটা তো আপনারা বহুবার বলেছেন। এখন লোকে জানতে চাইবে আপনাদের অশান্তির কারণ কী? কী কারণে আপনার বিচ্ছেদ হলো? বিচ্ছেদের পর আপনারা কী করছেন?

ব্যক্তিগত ছবি প্রচার করা অবশ্যই খারাপ। কিন্তু আপনাকেও সচেতন হতে হবে। নিজের ফোনের যত্ন করতে হবে। সর্বোপরি নিজের ব্যক্তিগত জীবনের সীমাটা আপনাকে শুরুতেই ঠিক করে নিতে হবে।
এখন কী করণীয়?
পাবলিকের নোংরা হীন মানসিকতার নিন্দা জানাবো? জানালাম।
একটা পর্যায়ে গিয়ে আর নিন্দায় কাজ হয় না। যারা ছবিগুলো কোথাও থেকে পেয়ে দেখছে, শেয়ার করছে, তারা কিন্তু অপরাধী না।
অপরাধী হলো তারা যারা প্রথম ছবিগুলো ছড়িয়েছে। তাদের ধরেন। নীতি নৈতিকতার আলাপ করলে তো আপনারা দশ বছরেও সমাধান করতে পারবেন না। বরং কিছু আইনি দাবি তোলেন।

 

এই বিভাগের আরো খবর