Berger Paint

ঢাকা, সোমবার   ০১ জুন ২০২০,   জ্যৈষ্ঠ ১৮ ১৪২৭

ব্রেকিং:
লকডাউন শিথিলের পর লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। যা বিশ্বে আক্রান্তের সংখ্যায় সপ্তম। বিশ্বে করোনায় মৃত ৩ লাখ ৭০ হাজার ছাড়াল, আক্রান্ত ৬১ লাখের বেশি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. শাকিল উদ্দিন আহমেদ মৃত্যুবরণ করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
সর্বশেষ:
২৪ ঘণ্টায় আমেরিকা-ব্রাজিলে নতুন আরও ৫৯৮-৪৮০ জন করোনায় মারা গেছে চট্টগ্রামে আরও ১১৮ জনের করোনা শনাক্ত নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম সপরিবারে করোনায় আক্রান্ত কলকাতা থেকে ফিরলেন আটকে পড়া ৪২ বাংলাদেশি

দূষিত বাতাসের ‘ঝুঁকিতে’ ঢাকাবাসী

প্রতিদিনের চিত্র ডেস্ক

প্রকাশিত: ১ মে ২০২০  

পঠিত: ৭৪
ছবি সংগৃহীত

ছবি সংগৃহীত

এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সে (একিউআই) শুক্রবার সকালে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার বাতাসের মানের ফের অবনতি হয়েছে। দূষিত বাতাসের ‘ঝুঁকিতে’ রয়েছে ঢাকাবাসী।

করোনাভাইরাসের কারণে চলমান শাটডাউনের মধ্যেই ইনডেক্সে ৫ম খারাপ স্থানে উঠে এসেছে ঢাকা। সকাল ৯টা ১৮ মিনিটে ১৫৪ একিউআই স্কোর ছিল জনবহুল এ শহরের। যার অর্থ ঢাকার বাতাসের মান ‘অস্বাস্থ্যকর’।

একিউআই স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে নগরবাসীর প্রত্যেকের স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব পড়তে পারে, বিশেষ করে শিশু, বৃদ্ধ ও রোগীরা স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।

চীনের বেইজিং, পাকিস্তানের লাহোর এবং ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা যথাক্রমে ১৯৭, ১৯১ এবং ১৫৮ স্কোর নিয়ে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় খারাপ অবস্থানে রয়েছে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকারের নির্দেশে রাজধানীসহ সারাদেশে জনসাধারণ ও যানচলাচল সীমিত করা হয়েছে। তবুও বাতাসের মানের কোনো উন্নতি হচ্ছে না। অবশ্য বৃহস্পতিবার সকালে ৯১ একিউআই স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় ২০তম অবস্থানে ছিল এ শহর।

প্রতিদিনের বাতাসের মান নিয়ে তৈরি করা একিউআই সূচক একটি নির্দিষ্ট শহরের বাতাস কতটুকু নির্মল বা দূষিত সে সম্পর্কে মানুষকে তথ্য দেয় এবং তাদের জন্য কোন ধরনের স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি হতে পারে তা জানায়।

একিউআই স্কোর ৫১ থেকে ১০০ হলে বাতাসের মান ‘গ্রহণযোগ্য’ বলে ধরে নেয়া হয়।

জনবহুল ঢাকা দীর্ঘদিন ধরেই দূষিত বাতাস নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে। মূলত নির্মাণ কাজের নিয়ন্ত্রণহীন ধুলা, যানবাহনের ধোঁয়া, ইটভাটা প্রভৃতি কারণে রাজধানীতে দূষণের মাত্রা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। বর্ষা মৌসুমে দূষণ কিছুটা কমে।

বিশ্বব্যাংক ও পরিবেশ অধিদপ্তরের এক প্রতিবেদনে ঢাকার বায়ুদূষণের প্রধান কারণ হিসেবে এ শহরের চারপাশে অবস্থিত ইটভাটাকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

এই বিভাগের আরো খবর