ঢাকা, শুক্রবার   ২৩ এপ্রিল ২০২১,   বৈশাখ ১০ ১৪২৮

ব্রেকিং:
মহারাষ্ট্রে হাসপাতালে আগুন, ১৩ করোনা রোগীর মৃত্যু নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি ভবনে গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, নারী ও শিশুসহ ১১ জন দগ্ধ
সর্বশেষ:
মেসির জোড়া গোলে বার্সার বড় জয় বিক্ষোভে উত্তাল রাশিয়া, একরাতে আটক ১৭০০ বিশ্বজুড়ে করোনায় প্রাণ গেল আরও ১৩ হাজারের বেশি মানুষের

ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

প্রতিদিনের চিত্র ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২ অক্টোবর ২০২০  

ছবি- সংগৃহীত।

ছবি- সংগৃহীত।

ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি 'মৃত্যুদণ্ড' এ বিধান রেখে 'নারী ও শিশু' নির্যাতন দমন আইন সংশোধন করার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। আজকে মন্ত্রিসভার বৈঠকে সংশোধনী এনে এর অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

 
সংশোধিত আইনটি শীঘ্রই অধ্যাদেশ আকারে জারি করার কথা জানালেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তবে, আগের আইনটিতে ধর্ষণকারীদের সবোর্চ্চ শাস্তির বিধান ছিল 'যাবজ্জীবন' কারাদণ্ড। সে বিধানকে সংশোধনী এনে এবার ‘মৃত্যুদণ্ড’ করা হলো।

 

বিশেষজ্ঞদের অভিমত, 'মৃত্যুদণ্ড' বিধান কার্যকর কোনো সমস্যার সমাধান নয়। এ ব্যাধির একমাত্র সমাধান হতে পারে দ্রুত বিচার নিষ্পত্তির মাধ্যমে শাস্তিগুলোকে জনগণের কাছে দৃশ্যমান করা। জনসাধরণের মধ্যে ধর্মীয়, মানবিক মূল্যবোধ ও নৈতিক শিক্ষা বিস্তার এবং একই সংঙ্গে আর্থসামাজিক ও সাংস্কৃতিক কাঠামোগুলো পরিবর্তন আনতে হবে।  শুধু আইন করে নয়, আইনকে কঠিন এবং যথাযথ প্রয়োগ করে অপরাধীদের মাঝে একধরণের ভয়-ভীতি তৈরি করে নিরুৎসাহিত করতে হবে।

 

দেশের বেশ কটি  অঞ্চলে পর পর ধর্ষণের ঘটনার পর ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি ’মৃত্যুদণ্ড’ করার দাবিতে দেশব্যাপী আন্দোলন শুরু করেছে শিক্ষার্থীসহ সাধারণ জনগণ। ঠিক আন্দোলনকে যুক্তিযুক্ত মনে করে সরকারও ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি ’মৃত্যুদণ্ড’ করার পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

 

এ আইনের ৯(১) ধারাতে উল্লেখ রয়েছে, কোনো পুরুষ যেকোন নারী বা শিশুকে যদি ধর্ষণ করে, তাহলে অভিযুক্ত ব্যাক্তি যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডীত হবেন এবং এর অতিরিক্তি অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন।

এই বিভাগের আরো খবর