Berger Paint

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২২ অক্টোবর ২০২০,   কার্তিক ৭ ১৪২৭

ব্রেকিং:
করোনায় আক্রান্ত `সারেগামাপা`র ৪ বিচারক শারদীয় দুর্গাপূজা শুরু, আজ ষষ্ঠী নতুন বছরের শুরুতেই কমপক্ষে দুটি করোনার টিকা মিলবে: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা স্পেনে শনাক্ত করোনা রোগীর সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়ালো অস্কফোর্ডের ভ্যাকসিন ট্রায়াল: ব্রাজিলে স্বেচ্ছাসেবীর মৃত্যু
সর্বশেষ:
বলিউডের সহকর্মীর প্রেমে আপত্তি নেই : কিয়ারা লাইফ সাপোর্টে ব্যারিস্টার রফিক-উল হক এইচএসসির ফরম পূরণের আংশিক টাকা ফেরত পাবেন শিক্ষার্থীরা সাবরিনার মামলায় দুই ওসিকে শোকজ যুক্তরাষ্ট্রে নাইটক্লাবে বন্দুক হামলায় নিহত ৩ আইপিএলের সাফল্যে অবাক হয়নি সৌরভ

ধর্ষণ প্রতিরোধে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা বন্ধ করতে হবে

মো: জিল্লুর রহমান

প্রকাশিত: ১১ অক্টোবর ২০২০  

পঠিত: ৩৯৯
মো: জিল্লুর রহমান। ছবি- প্রতিদিনের চিত্র

মো: জিল্লুর রহমান। ছবি- প্রতিদিনের চিত্র


বাংলাদেশে ধর্ষণ বাড়ছে, বাড়ছে ধর্ষণের পর হত্যা৷ একই সঙ্গে বাড়ছে নিষ্ঠুরতা৷ আর এই ধর্ষণের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওয়তায় তেমন আনা যাচ্ছে না বলাই চলে৷ এর অনেক কারণ আছে, রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা ও দাপট তার একটি, তাই এটি অপ্রতিরোধ্য ও অনিয়ন্ত্রিত।

নিঃসন্দেহে ধর্ষণ একটি জঘণ্য ঘৃণ্য অপরাধ। কারও ইচ্ছার বিরুদ্ধে কিছু নরপশুর হায়েনার মতো হিংস্র ও সহিংস আচরণ। প্রচলিত আইনে এর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। অথচ আমাদের দেশে এই ঘৃণ্য অপরাধটাই সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর বিরুদ্ধে জোড়ালো কোন প্রতিবাদ নেই, প্রতিরোধ নেই, নেই আইন কার্যকর করার কোনও বিশেষ ব্যবস্থা। ক্ষমতার প্রভাব ও পৃষ্ঠপোষকতা, বিচারহীনতার সংস্কৃতি, পারিবারিক মূল্যবোধের অভাব এবং বিচার প্রক্রিয়া নারী সংবেদনশীল করতে না পারাসহ সামাজিক রাজনৈতিক উদাসীনতার সুযোগে ধর্ষকরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

গত ২৫ সেপ্টেম্বর সিলেটের এমসি কলেজে স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে দলবেঁধে ধর্ষণ করা হয়েছে৷ এ ঘটনায় কিছু ছাত্র নামধারী অসভ্য জানোয়ারদের কুকর্মের জন্য সারা জাতি লজ্জিত ও স্তম্ভিত। ভুক্তভোগী নারীকে সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা নেই। এ ধরণের জঘন্য ও অমানবিক অপরাধের যন্ত্রণা ভুক্তভোগী ছাড়া অন্য কারও পক্ষে উপলব্দি করা সত্যিই কঠিন। এই ঘটনায় যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে, তারা সবাই রাজনৈতিক দলের পৃষ্ঠপোষক ও  রাজনীতির সঙ্গে কোন না কোনভাবে সম্পৃক্ত। এর আগে খাগড়াছড়িতে ডাকাতি করতে ঘরে ঢুকে প্রতিবন্ধী এক কিশোরীকে ধর্ষণ করা হয়েছে। দেখা যাচ্ছে, নারীরা স্বামীর সঙ্গে থাকলেও নিরাপদ নয়, এমনকি ঘরে থাকলেও নয়। এছাড়া, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নে এক গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে শ্লীলতাহানি ও নির্যাতন করেছে দুর্বৃত্তরা। তারা ঐ ঘটনার ভিডিও করেছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়েও দিয়েছে। নারী আজ রাজনৈতিক দুর্বৃত্ত, এমনকি পুলিশের অসহযোগিতার কারণেও নিরাপত্তাহীন!

উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে, করোনাকালীন সময়েও নারী নির্যাতন ও ধর্ষণও যেন বাংলাদেশে মহামারী হয়ে দেখা দিয়েছে। এমন কোনও দিন নেই যেদিন সংবাদপত্রে ৪-৫টি ধর্ষণের ঘটনার খবর প্রকাশিত হচ্ছে না। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের তথ্য মতে, গত অগাস্ট মাসেই ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ২৪৯ জন নারী ও শিশু। এরমধ্যে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৩২ জন। বেশিরভাগ ধর্ষণের ঘটনার খবরই কিন্তু সংবাদপত্রে আসে না। সামাজিক মর্যাদাহানিসহ অনেক সময় রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার কারণে ঘটনাগুলো ধামাচাপা দেয়া হয়। আর সংবাদপত্রে যেসব ঘটনা প্রকাশিত হয়, তারও অনেক সীমাবদ্ধতা থাকে। হয়তো বড়জোর মামলা হয়। কিন্তু এসব মামলার নিষ্পত্তি হয় খুবই কম। আর বিচার, সাজা? এমন রেকর্ড খুবই কম!

যৌন হয়রানি ও ধর্ষণের মতো ঘটনাগুলোকে উপেক্ষা করার কোনও সুযোগ নেই। ধর্ষণের ফলে শুধু একটি নারীই ধর্ষিত হয় না, ধর্ষিত হয় নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সমগ্র সমাজ। কারণ, ধর্ষণ মানবতার অপমান। পুরো সভ্যতার জন্যই মানহানিকর। খুনের ক্ষমা আছে, ধর্ষণের নেই৷‌ অপরাধ স্বীকার করলে খুনিকে ক্ষমা করা যেতে পারে, সাজা লঘু করা হয়। তার সংশোধনের সুযোগও গ্রাহ্য৷‌ কিন্তু ধর্ষণকারীর বেলায় সেটা বিবেচনা করা হয় না৷‌ কঠোরতম শাস্তিই তার প্রাপ্য হয়।

যার প্রবল ক্ষমতা আছে সে এক ধরনের বিচারহীনতার সুবিধা ভোগ করে৷ সেই সুবিধা তাকে নানা অপকর্মে প্ররোচিত করে৷ এর মধ্যে ধর্ষণ একটি৷ এর জন্য বর্তমান অবক্ষয়গ্রস্ত দলীয় রাজনীতি সবচেয়ে বেশি দায়ী। ক্ষমতার সুবিধা নিতে দলে দুর্বৃত্ত অপরাধীরা নেতৃত্বের আসন পর্যন্ত বাগিয়ে নেয়। যখনই কারো অপরাধের খবর ফাঁস হয়ে হয়ে যায়, তখন বলা হয়, সে আসলে আমাদের দলের কেউ নয় অথবা অনুপ্রবেশকারী। এটা রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব ছাড়া আর কিছুই নয়।

ক্ষমতায় থাকা একটা দলের কেউ যখন খুন ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ করে, তারপরও দল লজ্জিত হয় না। কোনো অনুতাপও দেখা যায় না। দলে যেন এ ধরনের দুর্বৃত্তরা স্থান না পায়, সে ব্যাপারে সতর্কতা ও কঠোর অঙ্গীকারও দেখা যায় না। আসলে আমাদের রাজনৈতিক ব্যবস্থাটাই পচে গেছে। যে রাজনীতি মানুষকে স্বপ্ন দেখাবে, সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাবে, মানুষের পাশে থাকবে— তাদের মধ্যে কেউ কেউ এখন দুর্বৃত্ত হয়ে উঠছে, খুন-ধর্ষণ-চাঁদাবাজির মতো অপরাধ করছে। আসলে পুরো রাজনীতিই বর্তমানে দুর্বৃত্তকবলিত হয়ে পড়েছে। অপরাধীদের প্ল্যাটফরম হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন। যেকারণে মাদক ব্যবসা, অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসা, চাঁদাবাজি, অর্থপাচার, খুন, রাহাজানির অভিযোগে তারা গ্রেফতার হন, ধর্ষণের ঘটনায় আসামি হন। আজ আদর্শিক চর্চা নেই বলেই রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত দুর্বৃত্তরা একের পর এক ধর্ষণ ঘটাচ্ছে। তারাই আবার বিচারহীনতার সংস্কৃতির প্রভাবে রাজনৈতিকভাবে পার পেয়ে যাচ্ছে।

আর আমাদের অনেক তথাকথিত নেতারাই আজ পরম যত্নে এই দুর্বৃত্ত উৎপাদনের কারখানটাকে হৃষ্টপুষ্ট করে রেখেছেন। নৈতিক অবক্ষয়ের জন্য যেখানে হাজার হাজার নেতাকর্মীকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করার কথা, সেখানে তারা এই কাজটি না করে তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেন, তাদের অপরাধ মুছে দেওয়ার ব্যবস্থাও করেন। প্রখ্যাত ইয়াবা ব্যবসায়ী হন সেলিব্রিটি নেতা, চাদাঁবাজ মাফিয়া গডফাদাররা পর্যন্ত বড় কোনো অপরাধ না ঘটালে দলের সদস্যপদও হারান না। এমনকি ধরা পড়লেও আইন-আদালত-প্রশাসন তাদের পক্ষেই ভূমিকা পালন করে। এই দুর্বৃত্তরাই রাজনৈতিক দলের হাত ধরে সাদা পাঞ্জাবি পরে একদিন জনপ্রতিনিধি হয়ে যান। সব বড় রাজনৈতিক অপরাধীর প্রতিষ্ঠার পেছনে আছে এমন অনেক লুকানো অপরাধের গল্প, নষ্ট রাজনীতির পাপ!

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে, এই ঘৃণ্য অপরাধের বিরুদ্ধে, অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে, সামাজিক অনাচারের বিরুদ্ধে যাদের রুখে দাঁড়ানোর কথা, প্রতিবাদ করার কথা, সেই রাজনৈতিক নেতাকর্মীরাই এই ধর্ষণের পিছনে তাল মেলাচ্ছেন। নিজেরাই ধর্ষক হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছেন, কখনও আড়ালে আবডালে আবার কখনও প্রকাশ্যে!

লক্ষ্য করলে দেখা যায়, রাজনৈতিক দলের ছাত্র সংগঠনের কর্মীদের দ্বারা বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজ ক্যাম্পাসে ধর্ষণ বা দলগত ধর্ষণের ঘটনা গত তিন দশক ধরেই ঘটছে। যখন যে সরকার ক্ষমতায় থাকে তখন সেই দলের ছাত্রনেতাদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ওঠে। তারা এতটাই বেপরোয়া ও ক্ষমতাধর থাকে যে, তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে—এমনটি তারা মনে করে না। তাইতো তারা স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণের দুঃসাহস দেখায়।

১৯৯৮ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্ষণের ঘটনায় দেশের সবগুলো বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস উত্তাল হয়ে ওঠে। তৎকালীন এক ছাত্রনেতা ধর্ষণের সেঞ্চুরির স্বঘোষিত ঘোষণায় সারা দেশে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। সেসময় প্রায় ছয় মাস বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস বন্ধ থাকে। আন্দোলনের একপর্যায়ে ঐ তথাকথিত ছাত্র নেতা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। এরপর আর তাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়নি।

এরপর ২০০০ সালে থার্টি ফার্স্ট নাইটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বাঁধন নামে এক ছাত্রীকে লাঞ্ছিত করা হয়। তখনও রাজনৈতিক ছাত্রনেতাদের বিরুদ্ধে তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ ওঠে। এরপর থেকেই থার্টি ফার্স্ট নাইটে ছাত্রীদের হলের বাইরে আসা বন্ধ করা হয়। এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেও কোনো তরুণীকে থার্টি ফার্স্টের কর্সূচিতে অংশগ্রহণ বন্ধ করে দেওয়া হয়। একইভাবে, ২০১৭ সালে মিরপুর সরকারি বাংলা কলেজের তৎকালীন এক ছাত্র নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তোলেন ঐ দলেরই এক নেত্রী।

আমাদের থানা, পুলিশ, আইন, তদন্ত, বিচারপ্রক্রিয়া কোনো কিছুই নারীর প্রতি সংবেদনশীল নয়। বরং তা অনেকটাই ধর্ষকবান্ধব। প্রচলিত বিচার প্রক্রিয়ায় ভুক্তভোগী নারীকেই ধর্ষণ-প্রমাণের যাবতীয় দায় বহন করতে হয়। ভুক্তভোগীর প্রতি অশালীন মন্তব্য, সাক্ষ্য সংগ্রহে গাফিলতি, তদন্তে দেরি, প্রতিপক্ষের কাছ থেকে টাকা খেয়ে অথবা ভুক্তভোগীর কাছে টাকা না পেয়ে মনগড়া প্রতিবেদন দাখিল ইত্যাদি নানা অসংগতি রয়েছে। বিচার পাওয়ার গোটা প্রক্রিয়াটিই এমন জটিল রাজনৈতিক আবর্তে রাখা হয়েছে যাতে মেয়েটি ভয় পেয়ে, হতাশ হয়ে হাল ছেড়ে দেয়। এসব নিয়ে গত তিন দশক ধরে অনেক আলাপ-আলোচনা হয়েছে, অনেক সুপারিশ বিধি পদ্ধতি জারি করা হয়েছে। কিন্তু ধর্ষণ তাতে কমেনি। ধর্ষকের শাস্তিও নিশ্চিত করা যায়নি।

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের হিসাবে বিগত পাঁচ বছরে ৩ হাজার ৫৮৭ জন নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন, পুলিশ সদর দপ্তরের হিসাবে সেই একই সময়ে ধর্ষণসংক্রান্ত মামলা হয়েছে ১৯ হাজারের বেশি; গড়ে প্রতিদিন ১১টি মামলা হচ্ছে। কিন্তু সেই তুলনায় ধর্ষণ মামলায় আসামিদের হার অত্যন্ত কম। ঢাকা জেলার পাঁচটি নারী নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে প্রায় ১৫ বছরে (২০০২-১৬) আসা ধর্ষণসংক্রান্ত পাঁচ হাজারের মতো মামলার পরিস্থিতি অনুসন্ধান করে দেখা গেছে, নিষ্পত্তি হওয়া মামলাগুলোর মাত্র ৩ শতাংশের সাজা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ধর্ষণের এ ব্যাপকতার পেছনে অন্যতম একটি কারণ হচ্ছে, সামাজিক মূল্যবোধের অবনতি আর রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা ও দাপটের প্রভাবে অপরাধীর শাস্তি না হওয়া এ জন্য দায়ী। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নির্লিপ্ততাও এ জন্য দায়ী। নারী নির্যাতন প্রতিরোধে যথেষ্ট শক্তিশালী আইন থাকা সত্ত্বেও রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় নির্যাতনকারীরা বিভিন্ন উপায়ে পার পেয়ে যায়।

আমরা চাই অবিলম্বে ধর্ষণের মহামারী বন্ধ হোক। সরকারের প্রথম এবং প্রধান এজেন্ডা হোক দেশ রাজনৈতিক ভেলকিবাজি ও পৃষ্ঠপোষকতা বন্ধ করা। এ জন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে অবশ্যই কঠোর হতে হবে এবং রাজনৈতিক অঙ্গীকার ঘোষণা করতে হবে। রাজনৈতিকভাবে এমন কঠোর বার্তা দিতে হবে, যাতে ধর্ষকদের যেমন দলে ঠাঁই নেই, তেমনি অপরাধ প্রকাশ পেলেও কোন রক্ষা নেই। সে যে পর্যায়ের নেতা নেত্রীই হোক, তাকে কঠিন শাস্তি পেতেই হবে। তখন স্বামী, ভাই, বাবার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে কিংবা ঘরে ঢুকে নারীকে দলগতভাবে ধর্ষণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হবে।

 

লেখক: ব্যাংকার ও কলাম লেখক, সতিশ সরকার রোড, গেণ্ডারিয়া, ঢাকা।

 

এই বিভাগের আরো খবর