Berger Paint

ঢাকা, শনিবার   ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩,   মাঘ ২২ ১৪২৯

ব্রেকিং:
চট্টগ্রাম, গাজীপুর, কক্সবাজার, নারায়ানগঞ্জ, পাবনা, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ ব্যুরো / জেলা প্রতিনিধি`র জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদন পাঠানোর আহ্বান করা হচ্ছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা- স্নাতক, অভিজ্ঞদের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল যোগ্য। দৈনিক প্রতিদিনের চিত্র পত্রিকার `প্রিন্ট এবং অনলাইন পোর্টাল`-এ প্রতিনিধি নিয়োগ পেতে অথবা `যেকোন বিষয়ে` আর্থিক লেনদেন না করার জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের এবং প্রতিনিধিদের অনুরোধ করা হল।
সর্বশেষ:
সৌদি আরবে এক বছরে ১৪৭ জনের মৃত্যুদণ্ড আ.লীগ জনগণকে দেওয়া ওয়াদা পূরণ করে : প্রধানমন্ত্রী বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজের খরচ বাড়ল দেড় লাখ মিয়ানমারে জরুরি অবস্থা আরও ছয় মাস বাড়ল আমি বাংলাদেশে বাবার কাছে থাকতে চাই: লায়লা রিনা

ধূমপান ছাড়তে পারছেন না? দাঁতের ক্ষতি রুখবেন কীভাবে?

প্রতিদিনের চিত্র বিডি ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮ জানুয়ারি ২০২৩  

ছবি- সংগৃহীত।

ছবি- সংগৃহীত।

 

দাঁত থাকতে দাঁতের মর্ম বুঝতে পারি না আমরা। বয়স বাড়তেই দেখা দেয় দাঁতের ক্ষয়, মাড়ি থেকে রক্তপাত ও অন্যান্য সমস্যা। ৫০-এর দোরগোড়ায় পৌঁছলেই দাঁত তোলা বা রুট ক্যানাল হয়ে পড়ে অবশ্যম্ভাবী। অনেকের আবার তার আগেই দাঁতের সমস্যা শুরু হয়। আর তার উপর আপনি যদি ধূমপায়ী হন, তা হলে তো কথাই নেই। অথচ প্রথম থেকেই একটু একটু করে দাঁতের যত্ন নিলে পড়ি কি মরি করে চিকিৎসকের কাছে ছুটতে হয় না।
 

১) দাঁত মাজা: সকালে ঘুম থেকে উঠে দাঁত মাজার অভ্যাস সকলের নিয়মের মধ্যেই পড়ে। তবে তার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হল রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে আর এক বার দাঁত মাজার অভ্যাস। এর পাশাপাশি নিয়মিত ফ্লসও ব্যবহার করতে হবে।

 

২) টুথপেস্ট বাছাই: এই বিজ্ঞাপনের জমানায় আমাদের সামনে একাধিক টুথপেস্টের সম্ভার। তবে টুথপেস্ট বাছার সময়ে অবশ্যই মাথায় রাখুন তাতে যেন ফ্লুওরাইড থাকে। এই উপাদান দাঁতের হলদে ছাপ কমাতে সাহায্য করে।

 

৩) মাউথওয়াশ: চেষ্টা করুন দিনে এক থেকে দু’বার কোনও অ্যান্টিব্যাক্টিরিয়াল মাউথওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে। এতে মুখে দুর্গন্ধ হয় না আর দাঁতের উপর জমে থাকা জীবাণুর স্তরও সরে যায় সহজেই।

 

৪) চিকিৎসকের কাছে যাওয়া: প্রত্যেকেরই বছরে দু’বার দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত। ধূমপায়ীরা আরও বেশি বার গেলে ভাল। ধূমপায়ীদের দাঁতের সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা সব সময়েই বাকিদের তুলনায় বেশি। তাই বছরে অন্তত দু’বার স্কেলিং করানো জরুরি।

 

৫) কুলকুচি: খাওয়াদাওয়ার পর সব সময়ে চেষ্টা করবেন যাতে জল দিয়ে কুলকুচি করে নিতে পারেন। ধূমপানের ক্ষেত্রেও এমনটাই করা উচিত। না হলে নিকোটিনের স্তর জমে দাঁতের বারোটা বাজে।