Berger Paint

ঢাকা, রোববার   ০৭ জুন ২০২০,   জ্যৈষ্ঠ ২৪ ১৪২৭

ব্রেকিং:
দেশের ৫০ জেলা পুরোপুরি লকডাউন, ১৩ জেলা আংশিক
সর্বশেষ:
করোনায় বিপর্যস্ত স্পেনকে ছাড়িয়ে পঞ্চমে ভারত চট্টগ্রামে আরও ১৫৬ জনের করোনা শনাক্ত বাজেট অধিবেশনের আগেই সব এমপির করোনা টেস্ট রুবানা হক শ্রমিক ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দেননি: বিজিএমইএ বান্দরবানে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিংসহ নয়জনের কোভিড-১৯ রোগ শনাক্ত হয়েছে।

পরিবারই আমার অনুপ্রেরণা- প্রিয়াঙ্কা পিয়া

লিটু হাসান

প্রকাশিত: ২৮ ডিসেম্বর ২০১৯  

পঠিত: ৭৬৫
সংগীত শিল্পী- প্রিয়াঙ্কা পিয়া

সংগীত শিল্পী- প্রিয়াঙ্কা পিয়া

আমরা যারা নব্বই দশকে জন্মেছি তারা জানি বাংলা গানে কিভাবে বসন্ত এসেছিল। সত্তর দশকেই গৌতম চট্টোপাধ্যায় ও তার বন্ধুদের হাতে বাংলা গানে এসেছিল নতুন মোড়, কিন্তু সে সময় স্বীকৃতি পায়নি। নব্বই-এর দশকে এলেন এন্ড্রুকিশোর, সাবিনা ইয়াসমিন, আগুন, জেমস, আইয়ুব বাচ্চু, সুমন, নচিকেতা, গৌতম এবং অঞ্জনদের মতো শিল্পীরা। তাঁদের হাত ধরে বাংলা গান নতুন মোড় নেওয়া শুরু করলো। তাদেরই হাত ধরে আমাদের দেশে তরুণ প্রতিভাবান সংগীত শিল্পী একে একে নিজেদের জায়গা করে নিচ্ছেন মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে, তেমনি একজন সংগীত শিল্পীর সাথে আমাদের আজকের আয়োজনে থাকছেন চ্যানেল আই সেরা কন্ঠ থেকে উঠে আসা সংগীত শিল্পী প্রিয়াঙ্কা পিয়ার সাথে ... সাক্ষারকারে লিটু হাসান

আপনার শারীরিক অবস্থা এখন কেমন ?

পিয়াঃ ভালো।


গানের জগতে আসার জন্য আপনাকে কে সবচেয়ে বেশি উৎসাহিত করেছে?


পিয়াঃ আমার বড় অনুপ্রেরণা ছিল আমার পরিবার। সবসময় সাংস্কৃতিক আবহে বেড়ে ওঠাটাই আমার অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে। এমন একটি পরিবেশে বেড়ে উঠেছি বলেই হয়তো শিল্পী না হয়ে কিংবা সাংস্কৃতিক অঙ্গনে না এসে কোনো উপায় ছিল না। বলতে পারেন বাবা আমাকে উৎসাহিত করেছে।

গানের জগতে আসার জন্য পরিবার থেকে কোন সাপোর্ট পেয়েছিলেন?

পিয়াঃ আমার মা ও বাবা নিয়ে আসলে নতুন করে বলার মতো কিছু নেই। তাদের নিয়েই গড়া আমার জগৎ বলতে পারেন সবাই আমাকে বেশ সাপোর্ট দিয়েছেন।
 
আপনার এ পর্যন্ত কয়টি মৌলিক গান পাবলিশ হয়েছে?


পিয়াঃ আমার এখন পর্যন্ত ৭টি  মৌলিক গান  পাবলিশ হয়েছে।  


আপনার জীবনে কতটা প্রেম এসেছে?

পিয়াঃ প্রেম একবারই এসেছিল নিরবে আমারই এ দুয়ার প্রান্তে সে তো হায় মৃদু পায় এসেছিল পারি নি তো জানতে।। সে যে এসেছিল বাতাস তো বলে নি হায় সেই রাতে দীপ মোর জ্বলে নি। হা হা হা আমি এখন আমার হবু বরের প্রেমের মধ্যে ডুবে আছি।

দিনাজপুর  সম্পর্কে আপনার অনুভূতি কেমন?


পিয়াঃ দিনাজপুর আমার  প্রানের শহর, আমার বেঁচে থাকার শহর।  


সংগীত জীবনে বিচিত্র অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন। তার দু’একটা সম্পর্কে বলেন-

পিয়াঃ বিচিত্র অভিজ্ঞতা বলতে গেলে বলতে হয় প্রত্যেকটি অভিজ্ঞতা একটি অপরটি থেকে আলাদা। কতটুকু আলাদা তা এর গভীরে প্রবেশ না করলে বোঝা যাবে না।


প্রিয় লেখকের তালিকায় কারা রয়েছেন বলবেন?

পিয়াঃ আমি একসময় প্রচুর বই পড়তাম। নজরুল আমার প্রিয় লেখক। এছাড়াও  শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যয়ের লেখাও পড়তাম। তবে এখন আর বই পড়া হয় না। পড়ব কীভাবে বই পড়ার সংস্কৃতিই তো দেশ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে।

অবসর সময় কাটে কীভাবে?

পিয়াঃ আমি সবসময় গান নিয়ে থাকি। তাই আমার কোনো অবসর নেই।


আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?

পিয়াঃ প্রত্যেকের জীবনে প্রায়শই এমনটা হয় যে, তারা হয়তো কোন গান শুনেছেন, আর সারাদিন সেটা তাদের কানে বাজছে। সারাদিন নিজের অজান্তেই আপনি সেই গানটা গুনগুন করে গাইতেই থাকেন। সেটা আর মগজ থেকে বেরোতে চায় না।
এমন ঘটনা পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের ক্ষেত্রেই হয়। কোন একটি গান হয়তো শোনার সাথে সাথেই সেটা স্মৃতিতে গেঁথে যায়।
এই গানের ধুন বা সুর এতোটাই আকর্ষণীয় যে কখন ওই গানটা মুখ ফুটে বেরিয়ে আসে সেটা আপনি খেয়ালও করেন না। আমি সেই ধরনের শিল্পী হতে চাই, সারাজীবন গানটাই গেয়ে যেতে চাই।

বর্তমান ব্যস্ততা কি নিয়ে কিছু বলুন ?

পিয়াঃ টেলিভিশন শো, নতুন কিছু গানের প্ল্যানিং আছে তা নিয়ে ভাবছি। আমি শিল্পকলার একজন নিয়মিত শিল্পী । শিল্পকলার বেশ কিছু কাজ করছি সামনেও  করার প্রস্তুতি চলছে ।