Berger Paint

ঢাকা, সোমবার   ২৮ নভেম্বর ২০২২,   অগ্রাহায়ণ ১৪ ১৪২৯

ব্রেকিং:
চট্টগ্রাম, গাজীপুর, কক্সবাজার, নারায়ানগঞ্জ, পাবনা, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ ব্যুরো / জেলা প্রতিনিধি`র জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদন পাঠানোর আহ্বান করা হচ্ছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা- স্নাতক, অভিজ্ঞদের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল যোগ্য। দৈনিক প্রতিদিনের চিত্র পত্রিকার `প্রিন্ট এবং অনলাইন পোর্টাল`-এ প্রতিনিধি নিয়োগ পেতে অথবা `যেকোন বিষয়ে` আর্থিক লেনদেন না করার জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের এবং প্রতিনিধিদের অনুরোধ করা হল।
সর্বশেষ:
প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ আবারও পেছালো যে কোনো মূল্যে শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে: প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে শিশু আয়াত হত্যা : আসামি আবীর ফের রিমান্ডে ৫০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করেনি এসএসসিতে পাসের হার ৮৭.৪৪ শতাংশ সাংহাইয়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, বিক্ষোভ

পাঁচবিবিতে এক স্ত্রীকে নিয়ে দুই স্বামীর কাড়াকাড়ি

ইদ্রিস আলী, পাঁচবিবি (জয়পুরহাট)

প্রকাশিত: ২১ নভেম্বর ২০২২  

সুমাইয়া আকতার (মাঝে) এর স্বামী দাবিদার হাসান আলী (বামে) ও মতিউর রহমান (ডানে)

সুমাইয়া আকতার (মাঝে) এর স্বামী দাবিদার হাসান আলী (বামে) ও মতিউর রহমান (ডানে)

 

য়পুরহাটের পাঁচবিবিতে এক স্ত্রীকে নিয়ে দুই স্বামীর কাড়াকাড়ির খবর পাওয়া গেছে। এই নিয়ে এলাকাবাসীর মাঝে হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে। রোববার (২০নভেম্বর) উপজেলার আয়মারসুলপুর ইউনিয়নের কড়িয়া রামনগর গ্রামে এমন ঘটনা ঘটে।

 

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, উপজেলার ধরঞ্জী ইউনিয়নের হাটখোলা গ্রামের গোলাম মোর্তুজার মেয়ে সুমাইয়া আকতার(২৯) এর সঙ্গে রামনগর গ্রামের নজির বক্সের ছেলে হাসান আলীর সাথে বিয়ে হয়। সেখানে ঘর সংসার চলাকালীন সুমাইয়া আকতার ক্ষেতলাল উপজেলার জলিয়াপাড়া গ্রামের মহাতাব সরকারের ছেলে মতিউর রহমানের সঙ্গে পরকিয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ে। চলতি বছরের ১১ জানুয়ারী দুজনে বিয়েও করেন। এরপর সুমাইয়ার পূর্বের স্বামী হাসান আলী দ্বিতীয় স্বামী মতিউর রহমানের নিকট থেকে ফুঁসলিয়ে পুণরায় নিজের নিকট নিয়ে আসে। এদিকে মতিউর রহমান স্ত্রীর খোঁজ করতে গত শনিবার রাতে রামনগর এলাকায় এসে স্ত্রীকে দেখে তাকে নিয়ে যেতে চাইলে  সুমাইয়ার বর্তমান স্বামী হাসান আলী তাকে আটকে রাখেন।

 

সুমাইয়ার ১ম ও বর্তমান স্বামী হাসান আলী বলেন, সুমাইয়া এখন আমার স্ত্রী। সে মতিউরকে তালাক দিয়ে আমাকে বিয়ে করেছেন। তবে তার কাছে তালাক নামার কাগজ দেখতে চাইলে তিনি তা দেখাতে পারেননি।

 

অপরদিকে সুমাইয়ার পূর্বের স্বামী মতিউর রহমানের দাবী, আমার স্ত্রী আমাকে তালাক দিলে আমি তালাকের কাগজ পেতাম। কিন্তু আমি কোন কাগজপত্র পাইনি। তাই সে এখনও আমার স্ত্রী।

 

দুজনের টানাটানিতে সুমাইয়া আকতার বলেন, হাসান আলী আমাকে জোরপূর্বক আমার দ্বিতীয় স্বামীর নিকট থেকে নিয়ে আসে এবং তালাক করিয়ে বিয়ে করে জোর করে আটকে রেখে মারধর ও নির্যাতন করে।

 

স্থানীয় সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্যা মোছাঃ তহমিনা বলেন, মেয়ের অভিভাবক না আসায় আমি ঘটনা শুনে চলে আসি। পরে কি হলো তার আর বলতে পারব না।

 

পাঁচবিবি থানার ওসি (তদন্ত) হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, এবিষয়ে কেউ কোন অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

এই বিভাগের আরো খবর