ঢাকা, মঙ্গলবার   ১৮ মে ২০২১,   জ্যৈষ্ঠ ৪ ১৪২৮

ব্রেকিং:
ইসরায়েলে ৩ হাজার রকেট ছুড়ল হামাস pmশেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ
সর্বশেষ:
ভারতে একদিনে আরও ৪ হাজারের বেশি মৃত্যু গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আরও ১০ শিশুসহ নিহত ৪২

পানছড়ির নদীর তীর সংরক্ষনের কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ

পানছড়ি (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২০ এপ্রিল ২০২১  

ছবি- প্রতিদিনের চিত্র।

ছবি- প্রতিদিনের চিত্র।

 

জেলার পানছড়ি উপজেলার শান্তিপুর অরণ্য কুটির সড়কে চেঙ্গী নদীর তীর সংরক্ষনের দ্বিতীয় ধাপ কাজ ১১ নভেম্বর ২০১৯ থেকে ০৮ ডিসেম্বর ২০২০ এর মধ্যে সমাপ্ত করার কথা থাকলেও, নানা অজুহাতে কাজ না করে এখন বর্ষার আগ মুহুর্তে  ঠিকাদারী সংস্থা এস অনন্ত বিকাশ ত্রিপুরা সরকারের উন্নয়ন ব্যাহত করে ব্যাপক অনিয়ম করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

 

অভিযোগের ভিত্তিতে সরজমিনে জানা যায়, পানছড়ি জিসির মাধ্যমে শান্তিপুর অরণ্য কুটির সড়কে নদী তীর সংরক্ষনের দ্বিতীয় ধাপ কাজে নিন্ম মানের পাথর-বালি দিয়ে ব্লক বানানো হচ্ছে । কাজ বাস্তবায়নকারী সংস্থা পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয় হলেও সার্বিক তদারকিতে এল জি ই ডি রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সর্বাত্মক  লক ডাউনের মাঝেই কাজ তদারকিতে এল জি ই ডি-র কোন কর্মকর্তা কর্মচারী থাকেন না। মাঝে মধ্যে উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার দু‘একজন স্টাফ নিয়ে ঘুরে চলে যায়। 

 

প্রকৌশল বিভাগের নাম  প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বলেন, কাজগুলো মুলত: যে ঠিকাদারের নামে সে দলীয় লোকজনের কাছে বিক্রি করে দেয়। সে সকলকে বুকিং করেই কাজ করে। নিউজ করে কি লাভ ? কেউ দেখবে না এসব।

 

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বিজয় চাকমা বলেন, পানছড়ি জিসির মাধ্যমে শান্তিপুর অরণ্য কুটির  সড়কে নদী তীর সংরক্ষনের  প্রথম ধাপ কাজেও নিন্মমানের পাথর-বালি দিয়ে ব্লক বানানো হয়েছে। অভিযোগ করেও কোন লাভ হয় নাই। সরকার উন্নয়ন বরাদ্দ দেয় উন্নয়নের জন্য, কিন্তু কাজের নামে হরিলুট করে দলীয় নেতা ও তার লেজুর বৃত্তিকরা পুজিপতি বিএনপির লোকজন। এসব বলতে গেলে উল্টো হুমকি দমকি পেতে হয়। 

 

নিন্মমানের পাথরের কাজ ও তদারকিতে  অফিসের লোকজন উপস্থিতি নিয়ে জানতে চাইলে উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) অরুন কুমার দাশ বলেন, সেখানে ওয়ার্ক এসিষ্টেন্ট সাহাব উদ্দিন ও পারভেজ থাকার কথা । এছাড়াও  তাদের কাজের পাথর এখনো পথে আছে। জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী আসার পর কাজ বন্ধ রেখেছিলেন স্বীকার করলেও পুনরায় কিভাবে কাজ শুরু হলো তার জবাব দেন নাই। বরং উপজেলা প্রকৌশলী বলেন, পাথর যাই হোক , এগুলো পানির তলে তলিয়ে যাবে,বৃষ্টি শুরু হলে কাজ করতে সমস্যা হবে। ঠিকাদারের লোকজন আসলে আমি কথা বলবো।

 

ঠিকাদারী সংস্থা এস অনন্ত বিকাশ ত্রিপুরার  লোকজন উপস্থিত না থাকায়  এবং  ফোনেও না পাওয়ায় তাদের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয় নাই।

এই বিভাগের আরো খবর