Berger Paint

ঢাকা, শনিবার   ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০,   আশ্বিন ১১ ১৪২৭

ব্রেকিং:
ইউক্রেনে সামরিক বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ২২ সাভারের নীলার হত্যাকারী মিজানুর গ্রেফতার সাভারে গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ ২ জনের মৃত্যু টিকা না পেলে করোনায় বিশ্বে মারা যাবে ২০ লাখ : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এমসি কলেজে স্বামীকে বেঁধে তরুণীকে গণধর্ষণ: ৬ ছাত্রলীগ নেতাকে আসামি করে মামলা
সর্বশেষ:
লিবিয়া উপকূলে নৌকা ডুবে ১৬ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা এবার ওসি প্রদীপের ৭ ইন্ধনদাতার বিরুদ্ধে মামলা ৩ বিভাগে আজ থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে ১১ দিনে ভারত গেল ৫০৩ মেট্রিক টন ইলিশ

পিলখানা ট্র্যাজেডির ১১ বছর আজ

প্রতিদিনের চিত্র ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

পঠিত: ১৩৩৪
ছবি - সংগৃহীত

ছবি - সংগৃহীত

 

আবারও ফিরে এসেছে শোকাবহ সেই ২৫ ফেব্রুয়ারি, দেশের ইতিহাসের কলঙ্কময় এক অধ্যায়। আজ বিডিআর বিদ্রোহ ও হত্যাযজ্ঞের ১১ বছর পূর্ণ হলো। ২০০৯ সালে তৎকালীন বিডিআর সদস্যদের বিদ্রোহে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে হত্যা করা হয় আজকের এই দিনে ।

২০০৯ সালের আজকের এই দিনে পিলখানায় বিডিআর সদর দফতরে (বর্তমান বিজিবি) ঘটে মর্মান্তিক ও নৃশংস এক ঘটনা। পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় সরকারিভাবে এ দিনটিকে ‘পিলখানা হত্যা দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়।

২০০৯ সালের ওইদিন সকাল ৯টা ২৭ মিনিটে বিডিআর দরবার হলে চলমান বার্ষিক (দরবার) নির্ধারিত সভায় একদল বিদ্রোহী বিডিআর সৈনিক তাদের মহাপরিচালকের বুকে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে মহাপরিচালকসহ সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের হত্যা ও তাদের পরিবারকে জিম্মি করে।

পিলখানার চারটি মূল ফটকই নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আশপাশের এলাকায় গুলি ছুড়তে থাকে। জন্ম নেয় ইতিহাসের এক বীভৎস ঘটনার। টানা ৩৬ ঘণ্টা পর এ বিদ্রোহের অবসান ঘটলেও ততক্ষণে বিদ্রোহী সৈনিকরা কেড়ে নেন ৫৭ জন দক্ষ সেনা কর্মকর্তার জীবন। পিলখানা পরিণত হয় এক রক্তাক্ত প্রান্তরে। ঘটনার পর পিলখানায় আবিষ্কৃত হয় গণকবর। যেখান থেকে উদ্ধার করা হয় সেনা কর্মকর্তাদের লাশ।

এ ঘটনায় হতবাক হয়ে যায় সারাদেশের মানুষ। মাত্র ৩৬ ঘণ্টার এ হত্যাযজ্ঞে ৫৭ জন মেধাবী সেনা কর্মকর্তা, একজন সৈনিক, দুইজন সেনা কর্মকর্তার স্ত্রী, নয় জন বিডিআর সদস্য ও পাঁচ জন বেসামরিক ব্যক্তি নিহত হন।

এদিকে বহুল আলোচিত ও প্রত্যাশিত পিলখানা হত্যা মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় (ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের ওপর) চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। ওই দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ মামলার ২৯ হাজার ৫৯ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়।

বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক আসামির ফাঁসির আদেশ আসে এ মামলার রায়ে।

বিশ্বে আলোচিত মামলাগুলোর মধ্যে আসামির দিক থেকে এবং রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির সংখ্যা বিবেচনায় সবচেয়ে বড় মামলা এটি। বিচারিক আদালতে রায়ের পর ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের করা আপিলের ওপর শুনানি নিয়ে রায়ও ঘোষণা হয়। দীর্ঘদিন দেশি-বিদেশি মামলার রায় পর্যালোচনার পর হাইকোর্টের রায় লেখা শেষ হয়।

এই বিভাগের আরো খবর