ঢাকা, শুক্রবার   ২৯ অক্টোবর ২০২১,   কার্তিক ১৩ ১৪২৮

ব্রেকিং:
সাবার জ্ঞাতার্থে বিশেষ অবগতি: শরীফুল ইসলাম, প্রতিদিনের চিত্র পত্রিকার`প্রিন্ট এবং অনলাইন পোর্টাল`-এ আর কাজ করছেন না। অতএব, তার সাথে পত্রিকা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে যোগাযোগ না করার জন্য অনুরোধ করা হল। দৈনিক প্রতিদিনের চিত্র পত্রিকার `প্রিন্ট এবং অনলাইন পোর্টাল`-এ প্রতিনিধি নিয়োগ পেতে অথবা `যেকোন কারণে` আর্থিক লেনদেন না করার জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের এবং প্রতিনিধিদের অনুরোধ করা হল।
সর্বশেষ:
অবশেষে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘দুর্নীতি’র তদন্ত করছে ‘দুদক’ ২য় ডোজের টিকা প্রয়োগ শুরু, পাবে ৮০ লাখ মানুষ মোহনবাগানের দায়িত্ব ছাড়লেন সৌরভ গাঙ্গুলি চাকরি হারালেন বার্সা কোচ কোম্যান রায়পুরায় দু’গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৪০ অ্যাপস ছাড়া চুক্তিভিত্তিক রাইড শেয়ারে কঠোর ব্যবস্থা: বিআরটিএ সাবার জ্ঞাতার্থে বিশেষ অবগতি: শরীফুল ইসলাম, প্রতিদিনের চিত্র পত্রিকার`প্রিন্ট এবং অনলাইন পোর্টাল`-এ আর কাজ করছেন না। অতএব, তার সাথে পত্রিকা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে যোগাযোগ না করার জন্য অনুরোধ করা হল।

পেঁয়াজের দাম কমেছে

প্রতিদিনের চিত্র ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৩ মার্চ ২০২০  

ছবি-প্রতিদিনের চিত্র

ছবি-প্রতিদিনের চিত্র

রাজধানীর খুচরা বাজারে হু হু করে বাড়তে থাকা পেঁয়াজের দাম এখন কমতে শুরু করেছে। প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৪০ টাকায় নেমে এসেছে। তবে আগের চড়া দামেই এখনও বিক্রি হচ্ছে চাল। নতুন করে বেড়েছে আমদানি করা আদা ও রসুনের দাম।

সোমবার রাজধানীর মতিঝিল, মুগদা, খিলগাঁও, রামপুরা, পলাশী, নিউ মার্কেটসহ বিভিন্ন বাজারে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে মান ভেদে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। তিনদিন আগেও যা ছিল ৭৫ থেকে ৮০ টাকায়।

এক খুচরা পেঁয়াজ ব্যবসায়ী জানান, গত পরশুও পেঁয়াজ ৮০ টাকায় বিক্রি করেছি।গতকাল পাইকারি বাজারে পেঁয়াজ কেনা পড়েছে ৩৬ টাকা। তাই আজ ৪০ থেকে ৪৫ টাকা বিক্রি করছি।

তিনি আরো জানান, গত সপ্তাহের শেষ দিকে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যায়। এর কারণ মানুষ আতঙ্কিত হয়ে বেশি বেশি কিনতে থকে। যার লাগবে এক কেজি, তিনি নিয়েছেন ১০ কেজি। বেশি অর্ডার করায় পাইকাররা দাম বাড়িয়ে দিয়েছিল। এখন র‌্যাবসহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থা অভিযান চালাচ্ছে। বাধ্য হয়ে দাম কমিয়েছে পাইকাররা। আর পাইকারি বাজারে দাম কমায় আমরা কম দামে বিক্রি করছি।

এদিকে পেঁয়াজের দাম কমলেও এখনও বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে চাল। এক সপ্তাহ আগে চাল কেজিতে চার থেকে ছয় টাকা বাড়িয়েছিল। খুচরা বাজারে ওই বাড়তি দামেই এখনো বিক্রি হচ্ছে চাল।

মুগদার এক মুদি ব্যবসায়ী জানান, চাল বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে। আজ মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৬ টাকা, আরেকটা ৬০ টাকা, নাজিরশাইল ৫৫ থেকে ৭০ টাকা। মাঝারি মানের বিআর-২৮ জাতের চাল ৪৫ টাকা, পাইজাম বিক্রি হচ্ছে ৪৮ থেকে ৫৫ টাকা।

এদিকে নতুন করে বাজারে দাম বেড়েছে আমদানি করা আদা ও রসুনের দাম। সোমবার খুচরা বাজারে আমদানি রসুন কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়। আর আদা বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকায়। তবে দেশি আদা-রসুনের দাম কম রয়েছে। দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে মান ভেদে ৬০ টাকা থেকে ১২০ টাকায়। আর আদা বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকায়।

আলু বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকা। ডাল বিক্রি আগের দামেই। মসুর ডাল ছোটদানা ১১০ থেকে ১২০ টাকা আর বড় দানা ৮০ থেকে ৯০ টাকা। মুগডাল ১২০ থেকে ১৪০ টাকা, মটর ডাল ৮০ থেকে ১০০ টাকা। অ্যাংকর বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা।

 

এই বিভাগের আরো খবর