ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৬ অক্টোবর ২০২১,   কার্তিক ১০ ১৪২৮

ব্রেকিং:
দৈনিক প্রতিদিনের চিত্র পত্রিকার `প্রিন্ট এবং অনলাইন ভার্সন`-এ প্রতিনিধি নিয়োগ পেতে আর্থিক লেনদেন না করার জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের অনুরোধ করা হল। নিয়োগ পেতে কেউ অসদুপায়ে আর্থিক লেন-দেন করে থাকলে তার জন্য কর্তৃপক্ষ (প্রকাশক ও সম্পাদক) দায়ী থাকবেনা।
সর্বশেষ:
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে ত্যাগীদের নাম পাঠানোর নির্দেশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ডিও লেটার জালিয়াতি, সতর্কতা জারি সাহেদকে জামিন দিতে হাইকোর্টের রুল আফগানিস্তান সীমান্তে আগ্রাসনের বিরুদ্ধে তালেবানের হুঁশিয়ারি সুদানের প্রধানমন্ত্রী আব্দাল্লাহ হামদক গৃহবন্দি বাংলাদেশে কেউ সংখ্যালঘু নয়: তথ্যমন্ত্রী

ফিরে এসেছে সোনালী আঁশের সোনালী দিন

মো: জিল্লুর রহমান

প্রকাশিত: ৭ অক্টোবর ২০২১  

মো: জিল্লুর রহমান, ছবি- প্রতিদিনের চিত্র।

মো: জিল্লুর রহমান, ছবি- প্রতিদিনের চিত্র।


পাট ছিল আমাদের প্রধান অর্থকরী ফসল। সোনালি আঁশ হিসেবে পরিচিতি পাটের ছিল সোনালি অতীত। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী অন্যতম পণ্য। অথচ কালের আবর্তে পাটের সেই অতীত হারিয়ে যেতে বসেছিল। কৃত্রিম তন্তুর আবিষ্কার ও ব্যবহার বাড়তে থাকায় পাট হারাতে থাকে গৌরব। পলিথিনসহ নানামুখী কৃত্রিম পণ্যের স্থায়িত্বের কারণেও পাটের তৈরি সামগ্রীর ব্যবহার কমে আসে। তবে সে অবস্থার পরিবর্তন হতে শুরু করেছে। আবার ফিরে আসছে পাটের সুদিন। সরকারি উদ্যোগে পাটের সোনালি অতীত ফেরানোর চেষ্টা চলছে। বাংলাদেশি বিজ্ঞানী কর্তৃক আবিষ্কৃত হয়েছে পাটের জিনোম। দেশের পক্ষে পাটের আন্তর্জাতিক পেটেন্টও পাওয়া গেছে। পাটতন্তু থেকে তৈরি পোশাক, পলিথিনের বিকল্প সোনালী ব্যাগ এবং কাঁচা পাটের মণ্ড থেকে তৈরি কাগজের ব্যবহারও বাড়ছে। সারা বিশ্বেই আজ পরিবেশবাদী, পরিবেশ সচেতন মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। পলিথিনের মতো কৃত্রিম পণ্য পরিবেশের যে ক্ষতি ডেকে আনছে সে বিষয়ে মানুষ এখন অনেক বেশি সচেতন। ফলে পাটের তৈরি পণ্যের আগ্রহ তৈরি হচ্ছে, সৃষ্টি হচ্ছে নতুন নতুন সম্ভাবনা।

 

একসময় ব্রিটিশরা এদেশ থেকে বিতাড়িত হলে এ অঞ্চলের পাটশিল্পের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় পাকিস্তানিদের হাতে। সেই ধারাবাহিকতায় পূর্ব পাকিস্তানের ২২ পরিবারের অন্যতম আদমজী পরিবার ১৯৫০ সালে নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে আদমজী জুট মিলের নির্মাণকাজ শুরু করেন এবং ১৯৫১ সালের ১২ ডিসেম্বর সেখানে উৎপাদন শুরু হয়। পরবর্তীকালে সারা বিশ্বে আদমজী একটি ব্র্যান্ডে পরিণত হয়। এর আগে পশ্চিম পাকিস্তানের ‘বাওয়া গ্রুপ’-এর উদ্যোগে ১৯৫১ সালের ‘দি বাওয়া জুট মিলস’ স্থাপিত হয়। নারায়ণগঞ্জের পাশাপাশি খুলনার খালিশপুর ও দৌলতপুর হয়ে উঠেছিল পাটশিল্পের অন্যতম কেন্দ্র।

 

এদেশের কৃষক অনেক পরিশ্রম করে সে সময় পাট উৎপাদন করলেও তার ন্যায্যমূল্য পেত না। এ পাট থেকে যে বড় অঙ্কের অর্থ আসত, তা পশ্চিম পাকিস্তানিরা নিয়ে বিভিন্ন ইমারত থেকে শুরু করে রাস্তাঘাট, স্কুল-কলেজ নির্মাণ করত। আর বঞ্চিত হতো এদেশের কৃষক। এ কারণে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের ভেতর অসন্তোষ ক্রমাগত বৃদ্ধি পেতে থাকে। ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধুর ছয় দফার জনপ্রিয়তার পেছনে এ পাটশিল্পেরও ব্যাপক ভূমিকা ছিল। ছয় দফার পঞ্চম দফা ছিল ‘অঙ্গরাজ্যগুলো নিজেদের অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার মালিক হবে এবং এর নির্ধারিত অংশ তারা দেবে’, অর্থাৎ পূর্ব পাকিস্তানের পাট থেকে অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার ন্যায্য দাবি উত্থাপিত হয়েছে; যা বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত করে। এগুলো এখন শুধু কেবলই ইতিহাস।

 

বর্তমানে বাংলাদেশের যত জমিতে পাট চাষ হয়, তার এক তৃতীয়াংশ হয় বৃহত্তর ফরিদপুর জেলায়। তবে মন্দার কারণে কৃষকরা পাট চাষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল। কিন্তু গত বছর থেকে ভালো দাম পাওয়ার কারণে আবার পাটের চাষের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠেছেন কৃষকরা। বাংলাদেশে পাট দিয়ে পাট সূতা, দড়ি, বস্তা, প্যাকিং সরঞ্জাম, ব্যাগ বা থলে, হাতে বাছাই করা আঁশ, পাটজাত কাপড় বহুদিন ধরে তৈরি হয়। এছাড়া, দেশের বস্ত্র কারখানাগুলোয় এখন তুলার সঙ্গে পাট মিশিয়ে সুতা তৈরি করছে। সেগুলো দিয়ে তৈরি হচ্ছে কাপড়। এখন সেই সঙ্গে পাটের তৈরি বৈচিত্র্যময় পণ্যের রপ্তানিও বেড়েছে। পাটের তৈরি টব, খেলনা, জুট ডেনিম, জুয়েলারি, ম্যাটস, নারী-পুরুষের জুতা স্যান্ডেল, বাস্কেট, পাটের শাড়ি, পাঞ্জাবি ও পাটের তৈরি গৃহস্থালি নানা সরঞ্জামের বিদেশে চাহিদা তৈরি হয়েছে। প্রধানত আমেরিকা ও ইউরোপীয় দেশগুলোয় এই জাতীয় পণ্য রপ্তানি করা হয়। পাটের আঁশের পাশাপাশি পাটখড়িরও একটি বড় বাজার তৈরি করেছে। এসব পণ্য দিয়ে পার্টিকেল বোর্ড, কম্পোজিট, সেলুলয়েডে ব্যবহার হয়। দেশে উদ্ভাবিত পলিথিনের বিকল্প সোনালী ব্যাগও একটি সম্ভাবনাময় খাত।

 

সরকারের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্য মতে, বাংলাদেশে এবছর সাড়ে আট লক্ষ হেক্টর জমিতে পাটের চাষ হয়েছে। উৎপাদন হয়েছে প্রায় ৯০ লাখ বেল (১৮২ কেজিতে এক বেল)। প্রতি বিঘায় গড়ে নয় মণ পাট চাষ হয়েছে। বেশিরভাগ স্থানে প্রতি মণ পাট বিক্রি হয়েছে তিন হাজার টাকার ওপরে। বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইন্সটিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, ২০১০ সালে ৭.০৮ হেক্টর জমিতে পাটের চাষ হয়েছিল। সেই বছর মোট উৎপাদন হয়েছিল ১৫.২৬ লাখ মেট্রিক টন। সেই হিসাবে এবছর উৎপাদন হয়েছে প্রায় সাড়ে ১৬ লাখ মেট্রিক টন।

 

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৭.৪৯ লাখ হেক্টর জমিতে পাট আবাদ হয়। সেখান থেকে ৮৫.৭৬ লাখ টন পাট উৎপাদন হয়েছিল। ২০১৯-২০ অর্থবছরে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে ৬.৯৯ লাখ হেক্টর করা হয়। ধারণা করা হয়েছিল, সেখান থেকে ৮০ লাখ টন পাট পাওয়া যাবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ৬.৭৯ লাখ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়। অধিদপ্তর তথ্য মতে, সেখান থেকে ৮০ লাখ টন পাট উৎপাদিত হয়। ২০২০-২১ অর্থবছরে ৭.২৬ লাখ হেক্টর জমিতে ৮২.৮৩ লাখ টন পাট উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এর মধ্যে চাষ হয়েছে মাত্র ৬.৮২ লাখ হেক্টর জমিতে, যেখান থেকে ৭৭ লাখ টন পাট পাওয়া গেছে।

 

বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে বিশ্বের প্রায় ১৩৫টি দেশে ২৮২টি পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি হয়। গত বছরের তুলনায় ২০২০-২০২১ অর্থবছরে পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি বেড়েছে ৩১%। যদিও তা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ০.৪৭% কম। ইপিবির তথ্যানুযায়ী, বিগত ১২ বছরে ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে চারবার। প্রথমবার ২০১০-২০১১ অর্থবছরে ১১১.৪৯ কোটি ডলার রপ্তানি আয় হয়। দ্বিতীয়বার ২০১২-২০১৩ অর্থবছরে ১০৩.০৬ কোটি ডলার, তৃতীয়বার ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে ১০২.৫৫ কোটি ডলার ও সর্বশেষ ২০২০-২০২১ অর্থবছরে ১১৬.১৪ কোটি ডলার।

 

অন্যদিকে কাঁচা পাট রপ্তানি হয়েছে ১৩.৮১ কোটি ডলার, যা আগের বছরের চেয়ে ৬% বেশি। জুট ইয়ার্ন এবং টোয়াইন আগের বছরও রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে ৭৫ কোটি ডলার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রপ্তানি হয়েছে ৭৯.৯০ কোটি ডলার, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে প্রায় ৪২ শতাংশ বেশি আর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৬.৫৪ শতাংশ বেশি।

 

সরকারের পাট মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন-২০১০ এর কারণে দেশে পাটের বাজার বাড়াতে ধান, গমসহ ১৭টি পণ্যের মোড়কে পাটজাত পণ্যের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পণ্যে পাটজাত মোড়কের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করায় অভ্যন্তরীণ বাজারে একশ কোটি পাটের বস্তার চাহিদা তৈরি হয়েছে। তাছাড়া বিশ্ববাজারে পাটকে তুলে ধরতে ২৩৫ ধরনের পাটজাত পণ্য উদ্ভাবন করেছে জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টার।

 

ইদানিং মানুষ প্রাকৃতিক পণ্য ব্যবহারের দিকে ঝুঁকছে। আশার কথা জাতিসংঘে পাস হয়েছে পাটসহ প্রাকৃতিক তন্তু ব্যবহারে বাংলাদেশের একটি প্রস্তাব এবং এ ধরনের প্রস্তাব পাসের ঘটনা এই প্রথম। এই প্রস্তাব পাসের মাধ্যমে বিশ্ববাসীর জানার সুযোগ তৈরি হলো পরিবেশবান্ধব পণ্য পাট এবং তার ব্যবহার সম্পর্কে। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে এজেন্ডা-২৪-এর আওতায় ‘কৃষি উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি’ বিষয়ক আলোচনায় পাটসহ প্রাকৃতিক তন্তু ব্যবহারে বিশ্ব সম্প্রদায়কে আরও উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে একটি প্রস্তাব তুলে ধরা হয়েছিল। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে প্রাথমিকভাবে পাট এবং অন্য প্রাকৃতিক তন্তু যেমন অ্যাবাকা, কয়ার, কেনাফ, সিসাল, হেম্প ও রামির ব্যবহার এবং উন্নয়নের কথা বলা হয়েছিল প্রস্তাবটিতে। জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলো প্রস্তাবটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার পর পাটসহ কয়েকটি প্রাকৃতিক তন্তুকে বিশ্বের টেকসই উন্নয়নের কাজে ব্যবহারের বিষয়ে প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে পাস করে। ২০১৯ সালের ২১ নভেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘের প্রধান কার্যালয়ে বাংলাদেশের উত্থাপিত প্রস্তাবটিতে সমর্থন দিয়েছে বিশ্বের ৬৮টি দেশ।

 

জাতিসংঘে প্রস্তাব পাসের মাধ্যমে আমাদের জন্য যে দিগন্তের উন্মোচন হয়েছে তা যথাযথভাবে কাজে লাগাতে উদ্যোগী হতে হবে। পাটশিল্পকে এখন পৃথিবীর কাছে তুলে ধরা অনেক সহজ। বস্ত্রশিল্পের উন্নয়নে আমরা যদি পাটতন্তুর ব্যবহার বাড়াতে পারি, তাহলে আরও মসৃণ হবে আমাদের অগ্রযাত্রা। একই সঙ্গে পাটের দুুর্দিনে যেসব চাষি পাট চাষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল, তাদের ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিতে হবে। দেশের বাজারে নিশ্চিত করতে হবে পাটের ন্যায্যমূল্য। পাটকে কেন্দ্র করে শিল্প-কারখানা স্থাপনে উদ্যোগী হতে হবে। এক্ষেত্রে শিল্পঋণও সহজ করতে হবে। পাটের বহুমুখী ব্যবহার নিশ্চিত করতে শুধু ঘর সাজানোর সামগ্রী তৈরি আর ব্যাগের মধ্যেই পাটের ব্যবহার সীমিত রাখার সুযোগ নেই। উন্নত বিশ্বে উড়োজাহাজের বডি, বিএমডব্লিউ বা ভক্সওয়াগন, নিশান ও টয়োটার মতো দামি ব্র্যান্ডের গাড়ির বডি ও অন্যান্য উপকরণ তৈরির কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে পাট। প্রতিনিয়ত পাটের চাহিদা বাড়ছে, পাটজাত পণ্যের প্রতি আগ্রহ তৈরি হচ্ছে। এছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্লাস্টিক নিষিদ্ধ হওয়ায় বড় বাজার তৈরি হচ্ছে পাটজাত পণ্যের। এই আগ্রহ এবং সুযোগকে কাজে লাগানোর সময় এখন আমাদের। যথাযথ নজরদারি এবং পরিচর্যাই পারে আমাদের এই এগিয়ে যাওয়াকে আরও সুগম করতে।

 

পৃথিবীর সামনে আজ সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ জলবায়ু পরিবর্তন। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সবাই কৃত্রিম উপাদানের পরিবর্তে ঝুঁকছে প্রাকৃতিক উপাদানের দিকে। সবুজায়নের দিকে আগ্রহ তৈরি হচ্ছে মানুষের। সেই সবুজ পৃথিবী নির্মাণে আমাদের পাট, পাটের তৈরি সোনালী ব্যাগ এবং পাটজাত পণ্য খুলে দিতে পারে নতুন দিগন্ত। জাতিসংঘে প্রস্তাবটি পাসের মধ্য দিয়ে আমাদের সামনে একটি নতুন যুগে প্রবেশের সুযোগ তৈরি হলো। এখন আমাদের ঐতিহ্যবাহী পাটের উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং শিল্পায়নের দিকে নজর দিতে হবে। ফিরিয়ে আনা সোনালী আঁশের সোনালী দিন ভবিষ্যতেও ধরে রাখার কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

 

লেখক: ব্যাংকার ও মুক্তমনা কলামিস্ট,
সতিশ সরকার রোড, গেন্ডারিয়া, ঢাকা।

এই বিভাগের আরো খবর