Berger Paint

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০,   আশ্বিন ১৪ ১৪২৭

ব্রেকিং:
১৫ বছরের মধ্যে ১০ বছরই আয়কর দেননি ট্রাম্প! চির নিদ্রায় শায়িত অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম অস্ত্র মামলায় সাহেদ করিমের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ২৪ বলে ৮২, ৯ বলে ৭ ছক্কা, নতুন রেকর্ড আইপিএলে এমসি কলেজে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে গণধর্ষণ: ছাত্রলীগ নেতা রাজনও গ্রেফতার এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ : রনি ও রবিউল গ্রেফতার ৭৪-এ পা রাখলেন শেখ হাসিনা
সর্বশেষ:
সৌদিতে শিডিউল ফ্লাইটের অনুমতি পেয়েছে বিমান ড. কামাল ও আসিফ নজরুল ঢাবি এলাকায় অবা‌ঞ্ছিত : সন‌জিত সাহেদের বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলার রায় আজ কাশ্মীর সীমান্তে পাক-ভারত উত্তেজনা, এক সেনা নিহত

ফের উত্তপ্ত রাখাইন, মিয়ানমারের নয়া কৌশল

প্রতিদিনের চিত্র ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০  

পঠিত: ৩০০
ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

 

ফের উত্তপ্ত রাখাইন। গোটা রাজ্যজুড়ে নতুন করে সেনা সমাবেশ ঘটিয়েছে মিয়ানমার। সীমান্ত এলাকাতেও তাদের সন্দেহজনক গতিবিধি বাড়ছে। ৩ বছর আগে যেসব বৌদ্ধ যুবকদের সহায়তায় গণহত্যা, গণধর্ষণসহ বর্বর নির্যাতনের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের সমূলে উচ্ছেদ চেষ্টা চালিয়েছিল আজ সেই বৌদ্ধদের (মগ) টার্গেটে অপারেশন চালাচ্ছে মিয়ানমার আর্মি।

 

রাখাইন পুরোপুরি খালি করতে নতুন কৌশল এগুচ্ছে মিয়ানমার। এসব কৗশল গ্রহণে মিয়ানমারের সেনাদের অসৎ উদ্দেশ্য থাকতে পারে বলে মনে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

 

বর্মি বাহিনীরা আবার ক্লিয়ারেন্স অপারেশন শুরু করেছে। বৌদ্ধ-মগদের অধিকার আদায়ে উন্নত বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দিয়ে তৈরী করা সশস্ত্র গেরিলা ফোর্স আরাকান আর্মি দমনের নামে পরিচালিত হচ্ছে ওই অপারেশনে বাছ-বিচার ছাড়াই আক্রমণ, কয়েক মাসে প্রায় ৪০টি গ্রাম পুড়ে ছাই করে দেওয়া হয়েছে। এবং ব্যপক পরিমান হত্যাকান্ড ঘটানো হয়েছে। যার কারনে ১০ হাজারের অধিক নারী-পুরুষে এই ক’মাসে বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

 

অনলাইন আল-জাজিরা বলছে, সম্প্রতি নিয়োগকৃত সেনাবাহিনীকে নিয়ে রাখাইনে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে যে, প্রাণঘাতী করোনার চেয়েও সেখানকার জনসাধারণ বেশি ভীত হয়ে আছে। সেখানে যখন তখন আকিস্মকভাবে গুলি চলে। গুলির শব্দে স্থানীয়দের রাতের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। টার্গেটকৃত প্রতিটি গ্রামে আগুন জ্বালিয়ে দেয়া হচ্ছে।

 

এখন অভিন্ন কায়দায় মিয়ানমারের সেনাবাহিনী রাতে গ্রামবাসীর ওপর বেপরোয়া গুলি চালাচ্ছে। রাখাইন সংকট নতুন মাত্রা পেতে পারে। সীমান্তের অন্তত তিনটি পয়েন্টে সৈন্যদের উপস্থিতির বিষয়ে উদ্বেগ এবং প্রতিবাদ জানাতে ঢাকায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত অং কিউ মোয়েকে তলব করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

 

জানা গেছে, শুক্রবার ভোরে কা নিউন ছুয়াং, মিন গা লার গি ও গার খু ইয়া -সীমান্তের এই তিন পয়েন্টে ট্রলার থেকে সৈন্যরা নেমেছে। এই পয়েন্টগুলোর মধ্যে অন্তত একটির দূরত্ব আন্তর্জাতিক সীমান্তের ২০০ মিটারের মধ্যে। সেদিন এক হাজারের বেশি সৈন্য সীমান্ত অঞ্চল দিয়ে রাখাইনে প্রবেশ করেছে বলে ঢাকা ধারণা পেয়েছে। বিভিন্ন সূত্র বলছে, রাখাইনে সেনা সমাবেশের একাধিক কারণ থাকতে পারে। সেনা উপস্থিতি বাড়িয়ে নিজেদের অবস্থানের জানান দিতে পারে মিয়ানমার। তাছাড়া তিন-চার বছর ধরে, বিশেষ করে যারা ২০১৭ সালের আগস্টে রোহিঙ্গা গণহত্যার অপারেশনে যুক্ত ছিল, তাদের সীমান্ত থেকে সরিয়ে অন্যত্র নেয়ার জন্যও এটি হতে পারে।

 

 

এই বিভাগের আরো খবর