Berger Paint

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২২ অক্টোবর ২০২০,   কার্তিক ৭ ১৪২৭

ব্রেকিং:
করোনায় আক্রান্ত `সারেগামাপা`র ৪ বিচারক শারদীয় দুর্গাপূজা শুরু, আজ ষষ্ঠী নতুন বছরের শুরুতেই কমপক্ষে দুটি করোনার টিকা মিলবে: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা স্পেনে শনাক্ত করোনা রোগীর সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়ালো অস্কফোর্ডের ভ্যাকসিন ট্রায়াল: ব্রাজিলে স্বেচ্ছাসেবীর মৃত্যু
সর্বশেষ:
লাইফ সাপোর্টে ব্যারিস্টার রফিক-উল হক এইচএসসির ফরম পূরণের আংশিক টাকা ফেরত পাবেন শিক্ষার্থীরা সাবরিনার মামলায় দুই ওসিকে শোকজ যুক্তরাষ্ট্রে নাইটক্লাবে বন্দুক হামলায় নিহত ৩ আইপিএলের সাফল্যে অবাক হয়নি সৌরভ

বরিশালে নদীর পানি বিপৎসীমার উপরে, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

খোকন হাওলাদার, গৌরনদী (বরিশাল) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২০ আগস্ট ২০২০  

পঠিত: ১৫৩
ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

 

টানা বৃষ্টিপাতের ফলে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে বরিশাল নগরীর মানুষের জীবন চলাচল। আর জোয়ারের পানি ঢুকে পড়ায় নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে নগরীর নিম্নাঞ্চল। বৃষ্টির পানির সঙ্গে জোয়ারের পানি এক হয়ে চরম দুর্ভোগে রয়েছেন সেইসব এলাকার মানুষজন।

জেলার বিভিন্ন উপজেলাগুলোতেও জোয়ারের পানিতে একই অবস্থা। প্লাবিত হয়েছে গোটা দক্ষিণাঞ্চলের নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চল।

কীর্তনখোলার পানির প্রবাহ বিপৎসীমা অতিক্রম করার ফলে নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষজন আছে চরম আতঙ্কের মধ্যে। আর এমন অবস্থা আরও দুই তিনদিন বজায় থাকতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

৩-৪ দিনের টানা বৃষ্টি ও নদীতে জোয়ার আসার সঙ্গে সঙ্গে ডুবে যায় বরিশাল নগরীর অধিকাংশ নিম্নাঞ্চল। ফলে চরম ভোগান্তি ভোগ করছেন নগরবাসী।

জানা গেছে, সাগরদীর দরগাহবাড়ি, ধান গবেষণা রোড, দক্ষিণ আলেকান্দার ব্যাপ্টিস্ট মিশন রোড, মুনসুর কোয়ার্টার, শ্রীনাথ চ্যাটার্জি লেন, বগুড়া রোড, নবগ্রাম রোড, কেডিসি বস্তি এলাকা, পোর্ট রোড ও পলাশপুরের নিম্নাঞ্চল, ভাটারখালসহ বেশ কয়েকটি এলাকার রাস্তাঘাট বৃষ্টির পানিতে ভাসছে। শহরের বর্ধিতাংশ হিসেবে পরিচিত নগরীর কাশীপুর, টিয়াখালী, লাকুটিয়া, রুপাতলীরও বেশ কিছু অংশ নিমজ্জিত হয় জোয়ারের পানিতে। আকস্মিক এমন ঘটনায় ভোগান্তিতে পড়েন এসব এলাকার বাসিন্দা এবং পথচারীরা। তবে সন্ধ্যা নাগাদ ভাটা শুরুর সঙ্গে সঙ্গে নেমে যায় পানির স্তর।

বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানিয়েছে, খারাপ আবহাওয়া এবং উজানের ঢলে বরিশালের বেশ কয়েকটি নদীর পানির প্রবাহ বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে।

পাউবোর গেজ রিডার আবু রহমান জানান, দেশের পশ্চিমাঞ্চলে চলমান বন্যার পানি দক্ষিণাঞ্চলের নদ-নদী দিয়ে সাগরে নামছে। বর্তমানে কীর্তনখোলার পানি বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার অতিক্রম করে ২.৬৬ মিটারে বইছে। স্বাভাবিক অবস্থায় এই প্রবাহ থাকে ২.৫৫ মিটারে।

বরিশাল আবহাওয়া অধিদফতরের জ্যেষ্ঠ পর্যবেক্ষক হুমায়ুন কবির জানান, মৌসুমী বায়ু প্রবাহের কারণে এখন যে বৃষ্টিপাত হচ্ছে সেটা স্বাভাবিক পর্যায়ে রয়েছে। যদিও নদীবন্দরে ৩নং সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এমন আবহাওয়া আরও ২ থেকে ৩ দিন বিরাজ করতে পারে বলে জানিয়েছেন এই কর্মকর্তা।

এই বিভাগের আরো খবর