ঢাকা, রোববার   ২৪ অক্টোবর ২০২১,   কার্তিক ৮ ১৪২৮

ব্রেকিং:
দৈনিক প্রতিদিনের চিত্র পত্রিকার `প্রিন্ট এবং অনলাইন ভার্সন`-এ প্রতিনিধি নিয়োগ পেতে আর্থিক লেনদেন না করার জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের অনুরোধ করা হল। নিয়োগ পেতে কেউ অসদুপায়ে আর্থিক লেন-দেন করে থাকলে তার জন্য কর্তৃপক্ষ (প্রকাশক ও সম্পাদক) দায়ী থাকবেনা।
সর্বশেষ:
খুব শিগগিরই ইলেকট্রনিক্স শিল্প গার্মেন্টসকে ওভারটেক করবে: সালমান এফ রহমান সরকারের শক্ত অবস্থানের জন্য ভারত প্রশংসা করেছেঃ পররাষ্ট্রমন্ত্রী করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে জানুয়ারি থেকে ক্লাসের সংখ্যা বাড়বে কবি শামসুর রাহমানের ৯৩তম জন্মদিন আজ আবারো শুরু হচ্ছে এইচএসসি’র ফরম পূরণ রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যার ‘কিলিং স্কোয়াড’-এর এক সদস্য গ্রেফতার

বিজয়নগরে ওয়ার্কার্স পার্টির ধর্ষণবিরোধী মানববন্ধন-বিক্ষোভ

এইচ.এম. সিরাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশিত: ১২ অক্টোবর ২০২০  

ছবি- প্রতিদিনের চিত্র

ছবি- প্রতিদিনের চিত্র

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলা ওয়ার্কার্স পাটির উদ্যোগে ধর্ষণের বিচারে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল করার দাবীতে ঢাকা-সিলেট মহাসরকের পাশে চান্দুরা ডাকবাংলোর চত্বরে বিক্ষোভ ও মানব মানববন্ধন কর্মসূচি করা হয়েছে।


সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে দশটায় উপজেলা ওয়ার্কার্স পাটির সভাপতি রায় মোহন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জেলা ওয়ার্কার্স পাটির নেতা জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কমরেড নজরুল ইসলাম, উপজেলা ওয়ার্কার্স পাটির সাধারণ সম্পাদক দীপক চৌধুরী বাপ্পি, উপজেলা যুব মৈত্রীর আহ্বায়ক সঞ্জয় রায় পোদ্দার, জাতীয় কৃষক সমিতির নেতা আব্দুল আজিজ ও ইয়াকুব আলি, চান্দুরা ইউনিয়ন ওয়ার্কার্স পাটির সভাপতি দুলাল মিয়া, সাধারণ সম্পাদক অপূর্ব দেব, রেজাউল আমিন, সন্তোস মোহন রিষি, জেলা ছাত্র মৈত্রীর নেতা সানিউর রহমান, শ্রমিক নেতা আবুল হোসেন প্রমুখ।


মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ধর্ষণের মতো অপরাধীকে বাঁচাতে রাজনৈতিক পৃষ্টপোষকতা বন্ধ করতে হবে। এ ব্যাপারে পরস্পরের বিরুদ্ধে ‘ব্লেইম গেম’ ও ধর্ষণবিরোধী প্রতিবাদকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার যে অপকৌশল আমরা লক্ষ্য করেছি তাও বন্ধ করতে হবে।সম্প্রতি ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী স্বত:স্ফুর্ত প্রতিবাদকে স্বাগত জানিয়ে বক্তারা বলেন, এটা স্বস্তির যে দেশের মানুষের প্রতিবাদ-প্রতিরোধের পরিপ্রেক্ষিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উদ্যোগী হয়ে ব্যবস্থা নিয়েছে এবং সরকারও ধর্ষণ আইনের পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ নিয়েছে। তবে কেবল আইন করে নয়, আইনের প্রয়োগ বিশেষ করে ধর্ষণের ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আইনের পরিবর্তন এবং বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি আইনের উদ্দেশ্য পূরণ করতে পারে। আইনের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা ও প্রতিরোধই ধর্ষণের মতো ঘৃণ্য ও অপরাধ বন্ধ করতে পারে।  নারীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গী পরিবর্তনের জন্য সবাইকে বিশেষ করে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে তরুণ সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে। ধর্ষণ জাতীয় সকল অপরাধ রাজনীতির দুর্বৃত্তায়নের অবিচ্ছেদ্য অংশ। অ্যাসিড নিক্ষেপজনিত সময়ে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে তদ্বিষয়ক আইনের পরিবর্তন ওই অপরাধ কমাতে সাহায্য করেছে ঠিকই, তবে সে ক্ষেত্রেও মূল ভূমিকা রেখেছে সামাজিক প্রতিরোধ। ধর্ষণের ক্ষেত্রে এই সামাজিক প্রতিরোধের ব্যাপারে মানুষকে সচেতন করতে পরিবার থেকে শুরু করে শিক্ষা ব্যবস্থা, পাঠ্যসূচি, চলাফেরা ও কার্য্যক্ষেত্রে নারীকে সম্মান করা ও তার অধিকার সমুন্নত রাখার বিষয়টি সকল রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় কাজের মধ্যে সামনে আনতে হবে।

এই বিভাগের আরো খবর