ঢাকা, রোববার   ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১,   আশ্বিন ১০ ১৪২৮

ব্রেকিং:
আজ থেকে বিমানবন্দরে করোনা টেস্ট রোহিঙ্গাদের ফেরানোর পরিবেশ তৈরি করতে হবে মিয়ানমারকে দৈনিক প্রতিদিনের চিত্র পত্রিকার `প্রিন্ট এবং অনলাইন ভার্সন`-এ প্রতিনিধি নিয়োগ পেতে আর্থিক লেনদেন না করার জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের অনুরোধ করা হল। নিয়োগ পেতে কেউ অসদুপায়ে আর্থিক লেন-দেন করে থাকলে তার জন্য কর্তৃপক্ষ (প্রকাশক ও সম্পাদক) দায়ী থাকবেনা।
সর্বশেষ:
জাতিসংঘের সামনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সমাবেশ নিষিদ্ধ ৮ খেলোয়াড় নিয়ে দল ঘোষণা ব্রাজিলের মমেক ও রামেকে আরও ১১ জনের মৃত্যু বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত ২৩ কোটি ছাড়াল

বিদ্যালয়ের ক্লাসরুম ব্যবসায়ীর গোডাউন

জেলা প্রতিনিধি। প্রতিদিনের চিত্র

প্রকাশিত: ৮ আগস্ট ২০২১  

ছবি: প্রতিদিনের চিত্র।

ছবি: প্রতিদিনের চিত্র।

কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর  উপজেলার থেতরাই ইউনিয়নের সাতদরগাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তিনটি ক্লাসরুমে শিক্ষার্থীদের বসার বেঞ্চগুলো এক পাশে সরিয়ে রেখে সেখানে ধান গুদামজাত করা হয়েছে।


করোনা মহামারির কারণে প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে দীর্ঘ সময় ধরে। এ সুযোগ নিয়ে বিদ্যালয়ের কয়েকটি ক্লাসরুম এখন স্থানীয় ধান ব্যবসায়ীর দখলে রয়েছে। শুধু তাই নয় রীতিমত ক্লাসরুম এখন গোডাউন থেকে কেনাবেচা করছেন অভিযুক্ত ব্যবসায়ী। তাছাড়া ওইসব ক্লাসরুমে ব্যবসায়ীরা প্রতিদিন দাড়িপাল্লা কিংবা ধান পরিমাপক মিটার দিয়ে ধান পরিমাপও করছেন।


স্থানীয়রা জানান, করোনাকালীন সময়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার সুযোগে ওই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নজরুল ইসলামের ভাগিনা ধান ব্যাবসায়ী কামরুজ্জামান নিজের ব্যবসার ধান সেখানে রেখেছেন।


বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান এ ঘটনা জানেন না বলে দাবি করলেও তা সরানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানান। তিনি বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। 

 

তিনি আরো বলেন, শারীরিক অসুস্থ্যতার জন্য আমি বেশ কিছুদিন যাবত বিদ্যালয়ে যেতে পারিনি। তবে ধানগুলো অস্থায়ীভাবে শুকানোর জন্য বৃষ্টি এলে স্কুল ঘরে রাখার ব্যাপারে শুনেছেন বলে জানান তিনি।

 

এ বিষয়ে ধান ব্যবসায়ী কামরুজ্জামানের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা তাকে পাওয়া যায়নি।

 

এ ব্যাপারে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো: শহীদুল ইসলাম জানান, করোনাকালীন সময় বিদ্যালয় বন্ধ থাকলেও সরকারি নির্দেশানুযায়ী বিদ্যালয় খোলার জন্য সার্বক্ষণিক প্রস্তুতি রাখতে সকল প্রধানদের বলা হয়েছে। এরপরও বিদ্যালয়ের ক্লাসরুমে ধান মজুদ রাখতে দেয়া সম্পূর্ণ দায়িত্বে অবহেলার শামিল। সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষককে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে কারণ দর্শানোর জন্য বলা হয়েছে।


প্রতিদিনের চিত্র/চিশতি/এমএইচকে

 

এই বিভাগের আরো খবর