ঢাকা, বুধবার   ২৮ জুলাই ২০২১,   শ্রাবণ ১৩ ১৪২৮

ব্রেকিং:
৪২তম বিসিএসে আরও ২ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি ভিকারুননিসা স্কুলের প্রিন্সিপালের ফোনালাপের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন টেকনাফে পাহাড় ধসে প্রাণ গেল ৫ ভাই-বোনের
সর্বশেষ:
বিশ্বে একদিনে সংক্রমণ বেড়েছে দেড় লাখ, মৃত্যু ছাড়াল ৯ হাজার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়: এসএসসি–এইচএসসি ফলে স্নাতকে ভর্তি, আবেদন শুরু

বিলুপ্তির পথে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ খেলাধূলা

আশিকুর রহমান সরকার

প্রকাশিত: ১৫ মার্চ ২০২০  

ছবি-প্রতিদিনের চিত্র

ছবি-প্রতিদিনের চিত্র

ওপেন টু বাইস্কোপ, ইচিং বিচিং চিচিং চা, প্রজাপ্রতি উড়ে যা, কানা মাছি বো বো, গোল্লা ছুট, মোরগ যুদ্ধ, কুঁতকুঁত ইত্যাদি যুগ যুগ ধরে গ্রাম বাংলার জনপ্রিয় খেলা ছিল। বর্তমানে ৯০ ভাগ শিশুরাই জানে না এসব খেলা সম্পর্কে। দুই পায়ের উপরে চার স্তরে পাখির মতো দুই ডানা (হাত) খুব সাবধানে লাফ দিয়ে একপাশ থেকে অপরপাশে পাড়ি দিতে হবে। হাতের সঙ্গে পা বাদলেই শেষ। হেরে যাবে উড়ন্ত পাখি এমন চিত্র এখন চোখে পড়া দায়। প্রত্যন্ত গ্রাম অঞ্চলেও খুঁজে পাওয়া মুশকিল।

গ্রামীণ এই ঐতিহ্যকে যেনো লালন করছে পীরগঞ্জ উপজেলার চতরা,চকভেকা সহ বদনা পাড়া গ্রামের কিশর-কিশোরিরা। আধুনিকতার স্পর্শ আর সভ্যতার ক্রমবিকাশে আজ হারিয়ে যেতে বসেছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী এসব খেলা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আর টিভি সিরিয়ালের দিকে ঝুঁকে পড়ায় শিশুরা এ সব খেলা থেকে বঞ্চিত হয়ে পরছে দিন কে দিন। একইসঙ্গে এসব খেলাও বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। এক সময় বিদ্যালয় ছুটি দেওয়ার পর ছোট ছোট শিশুরা এসব খেলায় মেতে উঠতো। কিন্তু আজকাল মধ্যবয়সী থেকে শুরু করে প্রবীণরাও এসব খেলাধুলা না দেখতে পেয়ে ভুলতে বসেছে এ সব খেলা।

গোল্লাছুট, বৌছি, কানামাছি, সাতচারা, হাডুডু, নৌকাবাইচ, কুঁতকুঁত, দাড়িয়া বান্ধা এসব খেলার নাম শুনেনি এমন মানুষ কমই আছে। এসব বাংলার ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ খেলা। এখন এসব খেলা গল্প হয়ে গেছে। ইচিং বিচিং, দাড়িয়াবান্দাসহ গ্রামীণ খেলাধুলা ছিল প্রতিভা বিকাশের অন্যতম মাধ্যম। এটা আমাদের আদি ক্রীড়া সংস্কৃতি, ঐতিহ্য। বর্তমানে গ্রামীণ খেলা বিলুপ্ত হতে হতে এসব খেলার অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়াই কঠিন। এসব খেলাখুলা শিশুর মানসিক বিকাশ ঘটায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আর টিভির সিরিয়ালের দিকে শিশুরা ঝুঁকে পড়ায় ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে বসেছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী এসব খেলা।