Berger Paint

ঢাকা, সোমবার   ২৮ নভেম্বর ২০২২,   অগ্রাহায়ণ ১৪ ১৪২৯

ব্রেকিং:
চট্টগ্রাম, গাজীপুর, কক্সবাজার, নারায়ানগঞ্জ, পাবনা, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ ব্যুরো / জেলা প্রতিনিধি`র জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদন পাঠানোর আহ্বান করা হচ্ছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা- স্নাতক, অভিজ্ঞদের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল যোগ্য। দৈনিক প্রতিদিনের চিত্র পত্রিকার `প্রিন্ট এবং অনলাইন পোর্টাল`-এ প্রতিনিধি নিয়োগ পেতে অথবা `যেকোন বিষয়ে` আর্থিক লেনদেন না করার জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের এবং প্রতিনিধিদের অনুরোধ করা হল।
সর্বশেষ:
প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ আবারও পেছালো যে কোনো মূল্যে শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে: প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে শিশু আয়াত হত্যা : আসামি আবীর ফের রিমান্ডে ৫০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করেনি এসএসসিতে পাসের হার ৮৭.৪৪ শতাংশ সাংহাইয়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, বিক্ষোভ

ব্রাজিলের ২০ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে এবার: রদ্রিগো

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৪ নভেম্বর ২০২২  

 

ষ্ঠ বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের মিশনে শুরুতেই সার্বিয়ার মুখোমুখি হচ্ছেন নেইমাররা। লুসাইল স্টেডিয়ামে আজ স্থানীয় সময় রাত ১০টায় মাঠে নামছেন তিতের শিষ্যরা। বিভিন্ন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান নানা রকমের ডাটা ব্যবহার করে দাবি করেছে, এবারের বিশ্বকাপের ট্রফিটা ব্রাজিলের ঘরেই যাচ্ছে! কম্পিউটার নাকি তা-ই বলছে। ফুটবল বিশেষজ্ঞরাও এক নম্বরে রাখছেন নেইমার-ভিনিসাস-রদ্রিগোদের ব্রাজিলকে। এই দল এমন ভারসাম্যপূর্ণ এক দল, যারা সমন্ত্রণের পরিস্থিতিই সামাল দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। এর কারণও আছে। দীর্ঘ সময় ধরে ব্রাজিলের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিতে। ২০১৬ সাল থেকে। টানা দুটি বিশ্বকাপে বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবল দলের কোচ হিসেবে উপস্থিত থাকা সত্যি বিশেষ কিছু।

 

২০০৬ বিশ্বকাপে ফেভারিট হিসেবে খেলতে নেমে কোয়ার্টার-ফাইনালে জিনেদিন জিদানের ফ্রান্সের কাছে হেরেছিল তারকাখচিত ব্রাজিল দল। ২০১০ সালেও শেষ আট থেকে তাদের বিদায় করে দেয় নেদারল্যান্ডস। ঘরের মাটিতে ২০১৪ বিশ্বকাপে সেমি-ফাইনালে তাদের রীতিমতো বিধ্বস্ত করে জার্মানি জেতে ৭-১ গোলে। সবশেষ ২০১৮ আসরে আবারও শেষ আটেই নেইমারদের পথচলা থামিয়ে দেয় বেলজিয়াম।
সম্প্রতি ‘প্লেয়ারস ট্রিবিউন’এ বিশ্বকাপ নিয়ে গত চার আসরের কষ্টের কথা শোনা রদ্রিগো। বিশ্বকাপে নিজেদের একের পর এক ব্যর্থতার গল্পের এবার শেষ দেখতে চান ২১ বছর বয়সী এই ফুটবলার।

 

“২০ বছর ধরে আমরা এই কষ্ট পাচ্ছি। ২০০৬ সালে হারের পর আমি কেঁদেছিলাম। ২০১০ বিশ্বকাপের সময় আমি ওসাসকোতে ছিলাম, দেখতাম মানুষ রাস্তায় সবুজ ও হলুদ রঙ করছে। (বিশ্বকাপের সময়) কেউ কাজ করত না। স্কুল? প্রশ্নই ওঠে না। এমন নয় যে আমি নিজেই স্কুলে যেতাম না। স্কুল বন্ধ থাকত। এমনকি শিক্ষকরাও থাকত না।”

 

“২০১৪ সালে মিনাস গেরাইসে আমি বাবার সঙ্গে (সেমি-ফাইনাল) দেখেছিলাম। ওই ম্যাচের বিষয়ে কথা বলতে চাই না। এমনকি ফলাফলও না। আর ২০১৮ সালে বেলজিয়ামের কাছে হার, অমন অনুভূতি আর কখনও পেতে চাই না। ওই ম্যাচের পর আমি আমার বাবাকে একটি বার্তা পাঠিয়েছিলাম। 'এখন আমাদের অনুশীলন করতে হবে হবে, কারণ পরেরটিতে (কাতার বিশ্বকাপে) আমি সেখানে থাকব।'”

 

২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপের সময় ব্রাজিলের সিনিয়র দলে অভিষেকই হয়নি রদ্রিগোর। কিন্তু ওই সময়েই পরের বিশ্বকাপে নিজেকে দেখতে পাচ্ছিলেন তিনি।

 

রদ্রিগো বলেন, “আমি জানি, ব্রাজিল দলে কারও জায়গাই নিশ্চিত নয়, তাই না? কারোরই নয়। (২০১৮ সালে) আমার এমনকি আমার সিনিয়র দলে অভিষেকও হয়নি। কিন্তু ওই চাওয়ার জন্য আপনি কি আমাকে দোষ দিতে পারবেন? তখন আমি ছিলাম ছোট্ট এক বাচ্চা, যার গায়ে ছিল সেলেসাওদের নকল জার্সি আর মনে একটা স্বপ্ন।”

 

"কথার যে শক্তি আছে, আমিই তার জীবন্ত প্রমাণ। এই যে বিশ্বকাপ চলছে এবং আমি এখানে আছি। আমি দেখতে পাচ্ছি যে ব্রাজিলের হয়ে ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দিচ্ছি আমি। শুধু আশা করি যে, আমার এই স্বপ্ন যেন চিরকাল বর্তমান হয়ে থাকে। এই স্বপ্ন যেন আমার কাছে কখনও একঘেয়ে না হয়ে যায়। আমি কখন জেগে উঠতে চাই না।”

এই বিভাগের আরো খবর