ঢাকা, রোববার   ২৪ অক্টোবর ২০২১,   কার্তিক ৮ ১৪২৮

ব্রেকিং:
দৈনিক প্রতিদিনের চিত্র পত্রিকার `প্রিন্ট এবং অনলাইন ভার্সন`-এ প্রতিনিধি নিয়োগ পেতে আর্থিক লেনদেন না করার জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের অনুরোধ করা হল। নিয়োগ পেতে কেউ অসদুপায়ে আর্থিক লেন-দেন করে থাকলে তার জন্য কর্তৃপক্ষ (প্রকাশক ও সম্পাদক) দায়ী থাকবেনা।
সর্বশেষ:
খুব শিগগিরই ইলেকট্রনিক্স শিল্প গার্মেন্টসকে ওভারটেক করবে: সালমান এফ রহমান সরকারের শক্ত অবস্থানের জন্য ভারত প্রশংসা করেছেঃ পররাষ্ট্রমন্ত্রী করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে জানুয়ারি থেকে ক্লাসের সংখ্যা বাড়বে কবি শামসুর রাহমানের ৯৩তম জন্মদিন আজ আবারো শুরু হচ্ছে এইচএসসি’র ফরম পূরণ রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যার ‘কিলিং স্কোয়াড’-এর এক সদস্য গ্রেফতার

মির্জাগঞ্জে বর্ষায় কদর বেড়েছে ছাতা কারিগরদের

আবদুর রহিম সজল, মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৪ আগস্ট ২০২০  

ছবি- প্রতিদিনের চিত্র

ছবি- প্রতিদিনের চিত্র

 

এখন বর্ষাকাল। বছরের অন্য সময়ের তুলনায় বর্ষার সময় ছাতার ব্যবহার অনেকটাই বেড়ে যায়। তাই এ সময়ে ছাতার কারিগরদের কর্মব্যস্ততাও বাড়ে।

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের ছাতার কারিগররাও এর ব্যতিক্রম নয়। বৃষ্টি হলেই বেড়ে যায় তাদের কদর, বেড়ে যায় ব্যস্ততা। তাই ক্রুটিযুক্ত ছাতা মেরামত করতে ভাসমান কারিগরদের কাছে ভিড় জমায় লোকজন।

বর্ষার কারণে মির্জাগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বসেছে ভ্রাম্যমাণ ছাতা কারিগর। ত্রুটিযুক্ত ছাতা মেরামত করতে ওই কারিগরদের কাছে ভিড় করছে বিভিন্ন এলাকার মানুষ। তাই বর্তমানে মৌসুমি ছাতার কারিগরদের কদর বেড়েছে। বর্তমানে করোনার প্রাদুর্ভাবের সময় অন্য ব্যবসায়ীরা অলস সময় পার করলেও ব্যস্ত সময় পার করছে ছাতা কারিগররা।

বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অন্য সময়ের তুলনায় ছাতা কারিগরদের ব্যস্ততা চোখে পড়ার মতো। তারা নাওয়া-খাওয়া ভুলে রাত দিন কাজ করে যাচ্ছেন। কারিগররা শহরের বিভিন্ন এলাকায় বাক্স নিয়ে রাস্তার পাশে, কেউ অন্যের বারান্দায় বসে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি নিয়ে দিনভর হরেকরকমের ভাঙা ছাতা মেরামত করছে। আর কাজ বুঝে প্রতিটি ছাতা মেরামতের টাকা নিচ্ছে তারা। বৃষ্টির প্রভাব বেড়ে যাওয়ার সাথে সাথে কাজের চাপও বেড়ে যায় তাদের। আর বৃষ্টির হাত থেকে স্বস্তি পেতে বর্ষার অকৃত্রিম বন্ধু ছাতাকে মেরামত করতে যেন ভুলছে না কেউ।

ছাতা কারিগর পশ্চিম সুবিদখালী গ্রামের মোঃ হাবিব হাওলাদার জানান, তার বাবা আঃ ওয়াহেদ ক্বারি আগে এ পেশায় ছিলেন। বাবার হাত ধরেই তিনি প্রায় ১৫ বছর ধরে এ পেশার সঙ্গে জড়িত। বছরের ছয় মাস তিনি এ পেশায় থাকেন আর বাকি মাসগুলো অন্য পেশায় জীবিকা নির্বাহ করেন। তিনি দৈনিক ১০ থেকে ১৫টি ছাতা মেরামত করে থাকেন। দৈনিক ৪শ' থেকে ৫শ' টাকা আয় করেন তিনি। এবার করোনার কারণে কাজ একটু কম বলে জানান হাবিব।

আরেক ছাতা কারিগর মোঃ হারুন বলেন, আমি এ পেশায় ২০-২৫ বছর ধরে আছি। বছরের এ সময়ে আয় বেশি হতো। কিন্তু এখন করোনার কারণে মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে না। তাই এবার রোজগার কিছুটা কম হচ্ছে। বছরে ছয় মাস আমি এ পেশায় থাকি, বাকি ছয় মাস অন্য কাজ-কর্ম করে সংসার চালাই।

কথা হয় ছাতা মেরামত করতে আসা মাওলানা মোঃ রুহুল আমীন এর সাথে। তিনি বলেন, তার একটি ছাতা বাড়িতে পড়ে ছিলো তাই মেরামত করতে এসেছেন। নতুন ছাতা কেনার চেয়ে অল্প টাকায় পুরোনোটাই মেরামত করা ভালো, এতে কিছুটা সাশ্রয় হবে।

এই বিভাগের আরো খবর