ঢাকা, শনিবার   ১৬ অক্টোবর ২০২১,   কার্তিক ১ ১৪২৮

ব্রেকিং:
ইভ্যালি পরিচালনা কমিটিতে দুই সচিবসহ তিনজনের নাম প্রস্তাব পূজা অনুষ্ঠানে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় প্রশাসন: র‌্যাব মহাপরিচালক দৈনিক প্রতিদিনের চিত্র পত্রিকার `প্রিন্ট এবং অনলাইন ভার্সন`-এ প্রতিনিধি নিয়োগ পেতে আর্থিক লেনদেন না করার জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের অনুরোধ করা হল। নিয়োগ পেতে কেউ অসদুপায়ে আর্থিক লেন-দেন করে থাকলে তার জন্য কর্তৃপক্ষ (প্রকাশক ও সম্পাদক) দায়ী থাকবেনা।
সর্বশেষ:
বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নিয়োগ ‌`লো-কার্বন`-ই হবে আগামীতে সবুজ-বান্ধব ফাইভজি নেটওয়ার্ক

মোবাইলে বেশী টাকা রিজার্চ করে রাখুন

প্রতিদিনের চিত্র ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৩ মার্চ ২০২০  

ছবি-প্রতিদিনের চিত্র

ছবি-প্রতিদিনের চিত্র

চীন ফেরত চিকিৎসক ডা. কবীর উদ্দীন। যিনি ভারতে কোয়ারেন্টিন শেষে বাংলাদেশের এসেছেন। করোনা ভাইরাসের প্রভাবে লকডাউন হলে করণীয় সম্বন্ধে লিখেছেন ফেসবুকে। তিনি লেখেন,

-জ্বর আসলেই এন্টিবায়োটিক চালু করে দিবেন না এসময়। ভাইরাল ফিভার হলে এন্টিবায়োটিক চালু করলে হিতে বিপরীত হবে। জ্বরের সাথে গায়ে ব্যথা হলে বুঝবেন আপনি সিজনাল ফ্লুতে আক্রান্ত, সেক্ষেত্রে ২/৩ বেলা প্যারাসিটামল খেলেই হবে। * কিন্তু এসব উপসর্গের সাথে শুকনো কাশি, শ্বাসকষ্ট হলে অবশ্যই সতর্ক হতে হবে এবং নিকটবর্তী হাসপাতাল কিংবা সম্ভব হলে IEDCR যোগাযোগ করতে হবে।***

ব্যকটেরিয়া ঘটিত জ্বর যেমন টাইফয়েড হলে জ্বর শুরুতেই অনেক বেশী হবে, সেইসাথে পেট ব্যথা হতে পারে। টাইফয়েডে অবশ্য হাসপাতালে ভর্তি হলে ভাল হয়।

অল্প জ্বরে নিকটবর্তী হাসপাতালে CBC করিয়ে নিশ্চিত হয়ে নিবেন আপনার জ্বরটি ভাইরাল না ব্যাকটেরিয়া জনিত, এরপর এন্টিবায়োটিক চালু করবেন।
তবে হাল্কা জ্বরের সাথে গা ব্যথা হলে প্যারাসিটামল ৩ দিন খেয়ে বাসায় অবস্থান করলে সবচেয়ে ভাল।   

-করোনা মহামারী খুব বেড়ে গেলে মুরগীর মাংস কিনবেন না, কারণ মনে রাখবেন করোনা ভাইরাসটি কিন্তু পাখী জাতীয় প্রানী যেমন হাঁস, মুরগী, কোয়েল ইত্যাদি প্রানীকেও আক্রমণ করে। হাঁস, মুরগী, কোয়েল এর মাংস ও ডিম- দুটোই এড়িয়ে চলা ভাল। এসব খাওয়ার ইচ্ছে বেশী থাকলে এখনই কিনুন ও খান বেশী করে। মহামারী শুরু হলে হাঁস, মুরগী, কোয়েলের মাংস খাওয়া পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে। তখন খাসী ও গরু মাংস খাওয়া যেতে পারে।
- লকডাউনের শাকসবজী ও গরম স্যুপ বেশী করে খাওয়া ভাল। ঠান্ডা যে কিছু খাওয়া বন্ধ রাখতে হবে।

- টক জাতীয় ফল খান বেশী করে।

- বাইরের মানুষ আনাগোনা এখনই কমিয়ে দিন। মেনমানদারী করা বাঙালীদের ঐতিহ্য, তবে এই ঐতিহ্য এখন বিসর্জন দেওয়া অবশ্যক। ভাড়াটিয়াদের বলেন, বাইরের মেহমান না আনতে। আর আপনি নিজেই ভাড়াটিয়ে হলে বাড়িওলাকে অনুরোধ করবেন, বাইরের মানুষ যতদূর সম্ভব কম যেন ঢোকানো হয়ে এপার্টমেন্টে।

- নিতান্তই দরকার না হলে বাজারে যাবেন না কারণ বাজার থেকে করোনা বেশী ছড়াবে। আর গেলে ভীড়ের সময় যাবেন না, ভীড় কম থাকলেই বাজারে প্রবেশ করবেন।

- কাগুজে টাকা ধরার পর অবশ্যই হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করবেন।

- কিছু ওষুধ আগাম কিনে রাখেন, যেমন খাবার স্যালাইন, গ্যাসের ওষুধ (anti ulcerant), পেট ব্যথার ওষুধ, ঘুম ও মাথা ব্যথা এবং অবশ্যই প্যারাসিটামল

- বাসার কল, গ্যাসের চুলা কিংবা অন্যান্য জিনিস নষ্ট থাকলে এখনই সারিয়ে নিন। লকডাউনে সারাতে ঝামেলা হবে।
- মোবাইলে বেশী টাকা রিজার্চ করে রাখুন