ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২৭ জানুয়ারি ২০২২,   মাঘ ১৪ ১৪২৮

ব্রেকিং:
দৈনিক প্রতিদিনের চিত্র পত্রিকার `প্রিন্ট এবং অনলাইন পোর্টাল`-এ প্রতিনিধি নিয়োগ পেতে অথবা `যেকোন কারণে` আর্থিক লেনদেন না করার জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের এবং প্রতিনিধিদের অনুরোধ করা হল।
সর্বশেষ:
বিসিএস’সহ ৭টি নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত পেঁয়াজ উৎপাদনে বিশ্বে তৃতীয় বাংলাদেশ নেইমারকে ছাড়াই ইকুয়েডরের বিপক্ষে মাঠে নামবে ব্রাজিল সৌদিতে বাংলাদেশিকে হত্যা করল পাকিস্তানিরা বিশ্বব্যাপী ওমিক্রনের তাণ্ডবে মৃত্যুর রেকর্ড নির্বাচন কমিশন গঠনে বিল পাস হচ্ছে আজ পদত্যাগ করবেন না ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন

রাঙ্গামাটিতে কচুরিপানার কারণে বিপাকে নৌযান

প্রতিদিনের চিত্র ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১  

ছবি- সংগৃহীত।

ছবি- সংগৃহীত।


৭২৫ বর্গকিলোমিটার আয়তনের সুবিশাল কাপ্তাই হ্রদে ঘিরে রেখেছে এই জেলাকে, যা এই জনপদের যোগাযোগের প্রধানতম মাধ্যমও। বর্ষা মৌসুমে হ্রদের জলে বিপুল পরিমাণের কচুরিপানার উপস্থিতির কারণে বিপাকে পড়তে হয় হ্রদে চলাচলকারী নৌযানগুলোকে।

 

এই নৌরুটে চলাচল করা সাধারণ মানুষ, জেল ও মাছ ব্যবসায়ীরা পড়েছেন চরম বিপাকে। সমস্যা সমাধানে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে বিএফডিসি কর্তৃপক্ষ। আর দ্রুত সমস্যা সমাধানের আশ্বাস জেলা প্রশাসনের।
 

কাইন্দারমুখ, রাঙামাটির শহর থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার। স্বাভাবিক সময়ে এখান থেকে শহরে আসতে সময় লাগে ২০ মিনিট। উজানের ঢলে পানির সঙ্গে ভেসে আসা কচুরিপানায় প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে এই চ্যানেলটি। এতে জেলার বাঘাইছড়ি, লংগদু, জুরাছড়ি ও বরকল উপজেলার নৌ-যোগাযোগের ক্ষেত্রে বেড়েছে দুর্ভোগ।
 

হ্রদের বুকে প্রায় দুই বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে জমে থাকা কচুরিপানা গালার কাটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই পথে তৈরি হয়েছে নৌজট। ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকতে হচ্ছে। বড় নৌযানগুলো চলতে পারলেও কষ্টের শেষ নেই ছোট বোট, স্পিডবোট চালকদের।
 

কখনো বা বোটে দড়ি বেঁধে টেনে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আবার কখনো বোটের ইঞ্জিন বিকল হয়ে দীর্ঘ সময় আটকে থাকতে হচ্ছে কচুরিপানার ভেতরে। এতে শুধু নৌযাত্রীদের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন জেলার মৎস্য ব্যবসায়ীরাও।


 
ব্যবসায়ীরা বলছেন, আগে যেখানে লাগত ২০-৩০ মিনিট এখন সেখানে লাগে আড়াই ঘণ্টা থেকে তিন ঘণ্টা। এই জায়গাটা পার হতে গিয়ে অনেক নৌকা ভেঙে গেছে। এখানে মাছ মারার পর নিয়ে আসতে হলে ৩-৪ ঘণ্টা বসে থাকা লাগে।
 

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষে অবহিত করা হবে বলে জানিয়েছেন বিএফডিসির কর্মকর্তা। আর দুর্ভোগের কথা স্বীকার করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছেন জেলা প্রশাসক।
 

রাঙামাটি বিফডিসির বিপনন উপব্যবস্থাপক জাহিদুল ইসলাম বলেন, বিএফডিসির কমান্ডার স্যারের নির্দেশনায় আমরা কাইন্দারমুখে এসেছি। আমরা এসে পর্যবেক্ষণ করেছি।
 

রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, এত বিশাল বড় এরিয়া ম্যানুয়ালি করাটা অনেক কষ্টের। এটা আমাদের জন্য অনেকটা চ্যালেঞ্জিং হবে। কিন্তু আমরা এ বিষয়টা দেখছি, আমাদের নজরে আছে।
 

রাঙামাটির ৪ উপজেলার প্রায় ৩ লাখ মানুষের চলাচলের একমাত্র নৌরুট কাপ্তাই হ্রদ।

এই বিভাগের আরো খবর