ঢাকা, রোববার   ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১,   আশ্বিন ১১ ১৪২৮

ব্রেকিং:
আজ থেকে বিমানবন্দরে করোনা টেস্ট রোহিঙ্গাদের ফেরানোর পরিবেশ তৈরি করতে হবে মিয়ানমারকে দৈনিক প্রতিদিনের চিত্র পত্রিকার `প্রিন্ট এবং অনলাইন ভার্সন`-এ প্রতিনিধি নিয়োগ পেতে আর্থিক লেনদেন না করার জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের অনুরোধ করা হল। নিয়োগ পেতে কেউ অসদুপায়ে আর্থিক লেন-দেন করে থাকলে তার জন্য কর্তৃপক্ষ (প্রকাশক ও সম্পাদক) দায়ী থাকবেনা।
সর্বশেষ:
জাতিসংঘের সামনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সমাবেশ নিষিদ্ধ ৮ খেলোয়াড় নিয়ে দল ঘোষণা ব্রাজিলের মমেক ও রামেকে আরও ১১ জনের মৃত্যু বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত ২৩ কোটি ছাড়াল

রাজশাহীতে কাদা পানি মাড়িয়ে শিক্ষার্থীদের গাছের নিচে পাঠদান

রাজশাহী প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১  

 

রাজশাহীর বাঘায় পদ্মার চরে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায় লক্ষীনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি। ২০২১ সালের করোনাকালীন সময়ে ৩ কক্ষ বিশিষ্ট একটি ও আরেকটি ১ কক্ষ বিশিষ্ট টিনের ঘর র্নিমাণ করা হয়।

 

সরজমিনে দেখা গেছে, এবছরের বন্যায় শ্রেণি কক্ষে পানি প্রবেশ করেসমস্ত আসবাবপত্রসহ ণির্মানাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ফলে গতকাল মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে পদ্মার চরের উচুভিটার উপর শিক্ষার্থীদের গাছতলায় মাটিতে মাদুর বিছিয়ে ক্লাস করতে দেখা যায়।

 

এ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী রয়েছে ১৬৫ জন। পানি জমে থাকায় উচুভিটার উপর গাছের নীচে মাদুর বিছিয়ে ক্লাস করছে ছাত্র-ছাত্রীরা। বিদ্যালয়ের চারিদিকে থৈ থৈ পানি, আর এই পানি পাড়ি দিয়ে শিক্ষার্থীদের স্কুলে যেতে হচ্ছে।

 

এ বিষয়ে লক্ষীনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মজিবর রহমান বলেন, উপজেলার পদ্মার মধ্যে চকরাজাপুর ইউনিয়নের ৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এরমধ্যে আমার বিদ্যালয়টি নিয়ে খুবই কষ্টে আছি। ভাঙনের পর শুরু হলো করোনা। তার পর আবার পদ্মার পানি বৃদ্ধি। পানি কমে গেলেও কাদায় পরিপূর্ণ শ্রেণী কক্ষ। তাই দীর্ঘদিন পরে স্কুল খুললেও শ্রেণী কক্ষে ক্লাশ নেওয়া সম্ভব হয়নি। বাধ্য হয়ে গাছ তলায় ক্লাশ নিতে হয়েছে।

 

উপজেলার সহকারি শিক্ষা অফিসার দিলরুবা ইয়াসমিন বলেন, পদ্মার চরে ৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে চৌমাদিয়া ও ফতেপুর পলাশি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চারিদিকে পানি। তাই কোমলমতি শিশুদের ঝুঁকি না নিয়ে বিদ্যালয়ে যাতায়াত করতে বলা হয়েছে। লক্ষীনগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণীকক্ষে কাদার কারণে মাদুর বিছিয়ে উঁচু জায়গায় ক্লাশ নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। দীর্ঘদিন পর স্কুল খোলার আনন্দে পদ্মার চরের মধ্যে বিদ্যালয়ে উপস্থিতির ছিল ৮২ ভাগ।

 

এই বিভাগের আরো খবর