ঢাকা, বুধবার   ১০ আগস্ট ২০২২,   শ্রাবণ ২৬ ১৪২৯

ব্রেকিং:
চট্টগ্রাম, গাজীপুর, কক্সবাজার, নারায়ানগঞ্জ, পাবনা, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ ব্যুরো / জেলা প্রতিনিধি`র জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদন পাঠানোর আহ্বান করা হচ্ছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা- স্নাতক, অভিজ্ঞদের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল যোগ্য। দৈনিক প্রতিদিনের চিত্র পত্রিকার `প্রিন্ট এবং অনলাইন পোর্টাল`-এ প্রতিনিধি নিয়োগ পেতে অথবা `যেকোন বিষয়ে` আর্থিক লেনদেন না করার জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের এবং প্রতিনিধিদের অনুরোধ করা হল।
সর্বশেষ:
বিশ্বকাপের জন্য আকর্ষণীয় জার্সি উন্মোচন ব্রাজিলের চার বছর পর মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো শুরু আত্মঘাতী হামলায় পাকিস্তানের ৪ সেনা নিহত গাজায় অস্ত্রবিরতিতে জাতিসংঘের প্রশংসা আশুরার শোক মিছিলে নাইজেরিয়ার সেনাদের হামলা; বহু হতাহত ইসরাইলি দখলদারিত্ব শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমাদের সংগ্রাম চলবে: হামাস ট্রাম্পের বাড়িতে এফবিআইয়ের অভিযান

রাত ৯টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার দাবি মালিক সমিতির

প্রতিদিনের চিত্র ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৯ জুলাই ২০২২  

ছবি- সংগৃহীত।

ছবি- সংগৃহীত।

 

রাত ৮টার পর দোকান বা মার্কেট বন্ধ রাখার ফলে ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ বিক্রি কম হয়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হন ক্ষুদ্র ও অতি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। তাই মার্কেট ও বিপণিবিতানগুলো দুপুর ১২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখার অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি। সেই সঙ্গে লোড শেডিং বন্ধ করারও দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।


গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর মগবাজারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবির কথা জানান সংগঠনটির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন।

 

তিনি বলেন, করোনায় ব্যবসায়ীরা বিপর্যস্ত। এর মধ্যে বর্তমানে রাত ৮টার মধ্যে দোকানপাট বন্ধ করা এবং দৈনিক এক থেকে দুই ঘণ্টা লোড শেডিং দেশের ক্ষুদ্র ও অতি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ব্যবসাবান্ধব বাংলাদেশ গড়ার পথে বড় বাধা। রাত ৮টার পর বেশির ভাগ বেচাকেনা হয় উল্লেখ করে হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘এই সময় বন্ধ রাখায় ব্যবসায়ীদের লোকসান গুনতে হচ্ছে। দোকান মালিকদের কর্মচারী খরচ, বিদ্যুৎ বিল, দোকান ভাড়াসহ অন্যান্য খরচ বহন করতে হচ্ছে। এতে চরম অর্থসংকটে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। ’

 

তিনি বলেন, গত ২০ জুন থেকে মার্কেট, বিপণিবিতান ও দোকান রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ করতে হচ্ছে। বর্তমানে মাগরিবের নামাজ শেষ হয় সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে। রাত ৮টায় দোকানপাট বন্ধের কারণে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ দোকানে বেচাকেনাই শুরু হয় না।

 

তিনি উল্লেখ করেন, জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী কয়েক দিন আগে বলেছিলেন, ‘আমদানি করা জ্বালানির (ডিজেল ও এলএনজি) মাত্র ১০ শতাংশ ব্যবহার হয় বিদ্যুৎ উৎপাদনে। প্রকৃতপক্ষে বিদ্যুতের কোনো সংকট নেই, সংকট জ্বালানিতে। বাকি ৯০ শতাংশ ব্যবহার হয় পরিবহন ও কৃষি খাতে। ’ লোড শেডিংয়ে কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না; বরং এতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা পথে বসার উপক্রম হয়েছেন।

 

সংগঠনটির পক্ষ থেকে চারটি দাবি জানানো হয়। তা হলো : লোড শেডিং বন্ধ করা, বিপণিবিতান ও দোকানপাট দুপুর ১২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখা, অফিস টাইম সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত করা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সময়সূচি সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত করা। এসব উদ্যোগ নিলে জ্বালানি তেল সাশ্রয় হবে।

এই বিভাগের আরো খবর