ঢাকা, শনিবার   ২৫ জুন ২০২২,   আষাঢ় ১১ ১৪২৯

ব্রেকিং:
চট্টগ্রাম, গাজীপুর, কক্সবাজার, নারায়ানগঞ্জ, পাবনা, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ ব্যুরো / জেলা প্রতিনিধি`র জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদন পাঠানোর আহ্বান করা হচ্ছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা- স্নাতক, অভিজ্ঞদের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল যোগ্য। দৈনিক প্রতিদিনের চিত্র পত্রিকার `প্রিন্ট এবং অনলাইন পোর্টাল`-এ প্রতিনিধি নিয়োগ পেতে অথবা `যেকোন বিষয়ে` আর্থিক লেনদেন না করার জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের এবং প্রতিনিধিদের অনুরোধ করা হল।
পদ্মায় স্বপ্নপূরণের ক্ষণগণনা
১৮দিন
:
১৯ঘণ্টা
:
০৬মিনিট
:
১০সেকেন্ড
সর্বশেষ:
সবাইকে কৃতজ্ঞতা জানালেন প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতুর মধ্য দিয়ে দেশ নতুন যুগে প্রবেশ করেছে: শিক্ষামন্ত্রী মাথা নোয়াইনি, কখনো নোয়াবো না: প্রধানমন্ত্রী জনসভাস্থলে লাখো মানুষের ঢল দেশে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩ পদ্মা সেতুতে টোল দিলেন প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করা হলো স্বপ্নের পদ্মা সেতুর কারো বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই, বললেন প্রধানমন্ত্রী

রামগড় স্থলবন্দর পরিদর্শনে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব- মোস্তফা কামাল

রতন বৈষ্ণব ত্রিপুরা, রামগড় (খাগড়াছড়ি)

প্রকাশিত: ২২ জুন ২০২২  

ছবি- প্রতিদিনেরচিত্র বিডি।

ছবি- প্রতিদিনেরচিত্র বিডি।

 

দেশের একমাত্র সীমান্ত সংযোগ বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতু সংলগ্ন রামগড় স্থলবন্দর পরিদর্শন করেছেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: মোস্তফা কামাল।

 

বুধবার(২২ জুন) দুপুরে তিনি এ স্থলবন্দর পরিদর্শনে আসেন। এসময় তিনি বন্দরের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজ-খবর নেন।  বন্দরের অবকাঠামো নির্মাণে ধীরগতির কারণ সরেজমিন পরিদর্শন শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার তাগিদ দেন। পরে বন্দরের অধিগ্রহণকৃত জমি ও মৈত্রী সেতু পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে রামগড় পৌরসভায় স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ এক বৈঠকে মিলিত হয়।

 

এসময় বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো: আলমগীর, প্রকল্প পরিচালক মো: সারোয়ার আলম, রামগড় ৪৩ বিজিবির জোন কমান্ডার লে: কর্ণেল মো:হাফিজুর রহমান, খাগড়াছড়ির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো: আলিমউল্যাহ, রামগড় উপজেলা চেয়ারম্যান বিশ্ব প্রদীপ কুমার কারবারী, রামগড় উপজেলা নির্বাহী অফিসার খোন্দকার মো: ইখতিয়ার উদ্দীন আরাফাত, পৌর মেয়র মো: রফিকুল আলম কামাল, অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সামসুজ্জামান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 

এদিকে, রামগড় স্থলবন্দর চালুর লক্ষ্যে রামগড়ের মহামুনি এলাকায় অধিগ্রহণকৃত ১০ একর জায়গায় বন্দর সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অফিস, চেক পোস্ট, ওয়্যার হাউজ, আবাসিক ভবন, শেডসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণের জন্য ১২৫ কোটি টাকার একটি প্রকল্প নেয় বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ। প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য মনিকো লিমিটেড নামে ঢাকার একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

 

এই বিভাগের আরো খবর