Berger Paint

ঢাকা, শনিবার   ১৫ আগস্ট ২০২০,   শ্রাবণ ৩০ ১৪২৭

ব্রেকিং:
বিশ্বে করোনায় মৃত্যু ৭ লাখ ৪৯ হাজারেরও বেশি ‘১০০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় স্বাস্থ্য সংকটে যুক্তরাষ্ট্র’ সিলেটে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে মা-মেয়েসহ নিহত ৬ ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার হলেন বিক্রম দোরাইস্বামী
সর্বশেষ:
রাজধানীর মিরপুরে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা মেহেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ সাহিদুজ্জামান খোকন ও তার পরিবারের ছয় সদস্য করোনাভাইরাসে আক্রান্ত।

রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু যেভাবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০ ডিসেম্বর ২০১৯  

পঠিত: ৯৭
ছবি - সংগৃহীত

ছবি - সংগৃহীত

২০১৭ সালের ২৩ শে আগস্ট। মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে, প্রতিবেদন প্রকাশ করেন জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান। আনান কমিশনের সেই প্রতিবেদন প্রকাশের একদিন পরই, আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি বা আরসার হামলায়, ১২ জন পুলিশ সদস্য নিহতের দাবি করে মিয়ানমার। ২৫ শে আগস্ট সেই অজুহাতে নিরস্ত্র রোহিঙ্গাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পরে দেশটির সেনাবাহিনী। প্রাণ বাঁচাতে হাজার হাজার রোহিঙ্গা আশ্রয় নেন বাংলাদেশে।

২০১৭ সালের ৬-ই সেপ্টেম্বরে উদ্বেগ জানিয়ে নিরাপত্তা পরিষদকে চিঠি দেন জাতিসংঘের মহাসচিব। পরদিন রোহিঙ্গাদের দেখতে বাংলাদেশ আসেন তুরস্কের ফার্স্ট লেডি। ২১ শে সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে সংকট সমাধানে ৫ দফা সুপারিশ তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২৯ শে সেপ্টেম্বর আলোচনায় বসে নিরাপত্তা পরিষদ।   

তারই রেশ ধরে ৬-ই নভেম্বর প্রথমবারের মতো, রোহিঙ্গা সংকটের অবসান চেয়ে বিবৃতি দেয় জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। ১৮ ই নভেম্বর পরিস্থিত সরেজমিনে দেখতে, বাংলাদেশে আসেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। পরদিন ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভাইস প্রেসিডেন্ট ফেদেরিকা মোঘেরিনি নেতৃত্বে কক্সবাজার যান জার্মান, সুইডেন ও ডেনমার্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা।

২৩ শে নভেম্বর রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে সমঝোতা হয় বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের।  

২৮ শে এপ্রিল ২০১৮। প্রথমবারের মতো দুদিনের সফরে আসে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রতিনিধিরা। ওই বছরের পয়লা জুলাই রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যান জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেস ও বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট।

এসব কারণে কিছুটা চাপে পড়ে মিয়ানমার। কিন্তু দুবার প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ নেয়া হলেও, প্রক্রিয়াগত জটিলতার অজুহাতে রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়নি দেশটি।  

অবশেষে স্বাধীন ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনের ২০১৮-২০১৯ সালে সংগ্রহ তথ্যের ভিত্তিতে, চলতি বছরে ১১ই নভেম্বর আন্তজার্তিক অপরাধ আদালতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে জাতিগত নিধনের অপরাধে বিচারিক প্রক্রিয়া শুরুর আবেদন করে গাম্বিয়া। যারই প্রেক্ষিতে তিনদিনের শুনানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইসিজে।

 

এই বিভাগের আরো খবর