Berger Paint

ঢাকা, রোববার   ২৯ মার্চ ২০২০,   চৈত্র ১৫ ১৪২৬

ব্রেকিং:
দেশে নতুন করে কেউ করোনায় আক্রান্ত হননি: আইইডিসিআর
Corona Virus Hotline
সর্বশেষ:
আজ সাধারণ ছুটির চতুর্থ দিন চলছে টিভিতে `আমার ঘরে আমার ক্লাস` শুরু হয়েছে সকাল ৯টায় করোনা ভাইরাসে ইতালিতে মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়াল বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা ৩০ হাজার ছাড়িয়েছে আজ থেকে ইউরোপে ঘড়ির কাঁটা ১ ঘণ্টা এগিয়ে যাচ্ছে

‘লকডাউন’র পথে সিলেট

সিলেট প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৫ মার্চ ২০২০  

পঠিত: ৬২
ছবি - সংগৃহীত

ছবি - সংগৃহীত

প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যবসায়ীদের অনুরোধ জানানো হয়েছিল সন্ধ্যার পর সব মার্কেট বন্ধ করে দেওয়ার। একই আহ্বান জানিয়েছিল সিটি করপোরেশনও। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সন্ধ্যার পর নয়, টানা পাঁচ দিনের জন্য সিলেটের সব মার্কেট বন্ধ করে দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হলে মার্কেট খোলার সিদ্ধান্ত আরও পেছাবেন তারা। ব্যবসায়ীদের এ উদ্যোগ নগরবাসীর মাঝে প্রশংসা কুড়িয়েছে। ব্যবসায়ীরা এগিয়ে আসার পর একে একে বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে বেসরকারি বিভিন্ন অফিস। সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানোর ফলে রাস্তাঘাটেও কমে গেছে যানবাহন ও জনসাধারণের চলাচল।

খুব বেশি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না লোকজন। ফলে সরকারি ঘোষণা না এলেও ধীরে ধীরে ‘স্বেচ্ছায় লকডাউনের’ দিকেই এগোচ্ছে সিলেট, এমনটা মনে করছেন সচেতন মহল। করোনাভাইরাস আতঙ্কের মধ্যেও প্রবাসী অধ্যুষিত সিলেটের মার্কেটগুলো সরব ছিল ক্রেতাদের পদচারণায় মুখর।

সদ্য বিদেশফেরত প্রবাসীরা হোম কোয়ারেন্টাইন না মেনে মার্কেটে আসতেন কেনাকাটায়। এমতাবস্থায় জনসমাগম ঠেকাতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সন্ধ্যার পর নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান, ফার্মেসি ও কাঁচাবাজার ছাড়া নগরীর সব মার্কেট ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার অনুরোধ জানানো হয়। একই আহ্বান জানান সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।

প্রশাসন ও সিটি করপোরেশনের এ আহ্বানে সাড়া দিয়ে গত রবিবার রাতে বৈঠকে বসেন সিলেটের ব্যবসায়ীরা। বৈঠকে জননিরাপত্তার কথা চিন্তা করে তারা গত সোমবার থেকে আগামী শুক্রবার পর্যন্ত সিলেটের সব মার্কেট বন্ধ রাখার ঘোষণা দেন।

এদিকে, শুধু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নয়, গতকাল সিলেটের অধিকাংশ বেসরকারি অফিসও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান কর্মীদের বাসা থেকে অনলাইনে কাজ করার পরামর্শ দিয়েছে।

গতকাল সরকারি অফিস ও ব্যাংক খোলা থাকলেও জনসাধারণের উপস্থিতি ছিল খুবই কম। যেসব ব্যাংকে সকাল থেকে গ্রাহকদের উপচেপড়া ভিড় থাকত গতকাল সেসব ব্যাংকের শাখায় গিয়ে দেখা গেছে কর্মকর্তারা অলস সময় কাটাচ্ছেন। সিলেটের জেলা প্রশাসক এম. কাজী এমদাদুল ইসলাম জানান, ‘সচেতনতামূলক প্রচারণা বৃদ্ধি পাওয়ায় মানুষ এখন প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই।’

এই বিভাগের আরো খবর